মুন টাইমস নিউজ
সর্বশেষ
ফ্যাসিবাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ফ্যাসিবাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুলিশের কেউ কেউ এখনও ফ্যাসিবাদী শক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন বলে মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, পুলিশের কোনো সদস্য শৃঙ্খলা না মানলে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে সরকার পিছপা হবে না।আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশের ভূমিকা অনস্বীকার্য। রাষ্ট্রের দৃশ্যমান অবয়ব হিসেবে জনগণের সঙ্গে পুলিশের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। একজন নাগরিক অপরাধের শিকার হলে কিংবা নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করলে প্রথমেই পুলিশের কাছে যায়।তিনি আরও বলেন, পুলিশের দায়িত্ব শুধু অপরাধী গ্রেপ্তার করা কিংবা আইনের প্রয়োগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের নিরাপত্তা, অধিকার, মর্যাদা এবং রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের আস্থার বিষয়টিও পুলিশের দায়িত্বের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা এমন একটি পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলতে চাই, যে বাহিনী দক্ষতা ও পেশাদারিত্বে আধুনিক, প্রযুক্তিতে সক্ষম, আচরণে মানবিক, আইন প্রয়োগে দৃঢ়, দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষ এবং জনগণের আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হবে।বর্তমান বিশ্বে অপরাধের ধরন ও প্রকৃতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তির প্রসারের সঙ্গে সাইবার অপরাধ, অনলাইন প্রতারণা, ডিজিটাল জালিয়াতি, প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ এবং আন্তঃদেশীয় অপরাধ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রচলিত পদ্ধতির পাশাপাশি প্রযুক্তি, তথ্য ও আধুনিক তদন্ত কৌশলের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে। সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় স্বতন্ত্র সাইবার ইউনিট চালু করা হচ্ছে। তবে প্রযুক্তি যতই আধুনিক হোক, পুলিশের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো মানুষের আস্থা অর্জন। জনগণের আস্থা ছাড়া কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থা দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে না।পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা কমে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর গত কয়েক মাসে আপ্রাণ প্রচেষ্টা চালিয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক, লেজিসলেটিভ এবং অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ এই তিন ধরনের সহায়তার মাধ্যমে পুলিশের ইমেজ পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং জনআস্থা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।তিনি পুলিশের সদস্যদের নিজেদের মনোবল ও জনগণের আস্থা অর্জনের বিষয়টি অনুধাবন করার আহ্বান জানান।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশের প্রতিটি সদস্যকে জনগণের সঙ্গে সম্মানজনক ও মানবিক আচরণ করতে হবে। মানুষের কথা শুনতে হবে এবং তাদের সমস্যাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আইনের মধ্যে থেকে দ্রুততম সময়ে প্রত্যাশিত সেবা দেয়ার জন্য সচেষ্ট থাকতে হবে।বাংলাদেশ পুলিশের চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর পুলিশ অনেকটাই ঘুরে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই বাহিনীর দক্ষ ও নিষ্ঠাবান সদস্যরা পুলিশকে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তুলবেন।তিনি জানান, বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিকায়ন এবং কল্যাণের বিষয়গুলো সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। পুলিশের প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি, সরঞ্জাম ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।পদকপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পদক তাদের কৃতিত্বের স্বীকৃতি হলেও একই সঙ্গে এটি আরও বড় দায়িত্বের অঙ্গীকার। দায়িত্ব পালনে তাদের আরও বেশি সততা, সাহস, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের পরিচয় দিতে হবে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিপ্লব সংঘটিত হয় সমাজ পরিবর্তন, অর্থনৈতিক কাঠামোর পরিবর্তন এবং মৌলিক সাংবিধানিক পরিবর্তনের জন্য। অন্যদিকে তাদের দেশে গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে, বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার দাবিতে এবং হারিয়ে যাওয়া নাগরিক, সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পাওয়ার দাবিতে।তিনি বলেন, চরিত্রগত দিক থেকে গণঅভ্যুত্থান, মাস আপরাইজিং এবং রেভলিউশনের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। এ কারণে তারা এটিকে ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান হিসেবে বিবেচনা করেন। সেই লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ পুলিশের যা যা করণীয়, তা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।পুলিশের সদস্যদের উদ্দেশে কঠোর বার্তা দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক ভিত্তি, জনআকাঙ্ক্ষা ও ব্যাপক জনপ্রত্যাশার ওপর দাঁড়িয়ে গঠিত সরকারের ভিত্তি অত্যন্ত শক্তিশালী। সরকার শাস্তি ও পুরস্কারে বিশ্বাস করে এবং শিষ্টের পালন ও দুষ্টের দমন করে যাচ্ছে।তিনি বলেন, হয়তো শতভাগ ন্যায়বিচার প্রত্যেকের ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে শৃঙ্খলাভঙ্গের ক্ষেত্রে সরকার কঠোর হবে। কেউ ইনডিসিপ্লিন করলে তাকে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় অভিযুক্ত করতেও সরকার পিছপা হবে না।পুলিশের তৃণমূল পর্যায় থেকে আইজিপি পর্যন্ত সবাইকে উদ্দেশ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রয়োজনে, শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য এবং জনপ্রত্যাশা পূরণের জন্য সরকার কঠোর হতে বাধ্য হবে।তিনি অভিযোগ করেন, পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তি অন্যান্য বাহিনীর মতো পুলিশ বাহিনীকেও অপব্যবহার ও রাজনৈতিকভাবে মিসইউজ করেছে এবং জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়েছে। অনেকেই অবৈধ ও বেআইনি নির্দেশ পালন করতে বাধ্য হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে পুলিশ সদস্যদের সংশোধনের এবং জনআস্থা অর্জনের সুযোগ দেয়া হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন না করা, অবহেলা করা এবং ক্ষেত্রমতে ফ্যাসিবাদী শক্তিকে গোপনে সংবাদ দিয়ে বা অন্যভাবে সহযোগিতা করার তথ্য সরকারের কাছে রয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তার পদ যাই হোক, জনপ্রত্যাশা অনুধাবন করতে ব্যর্থ হলে তার পরিণতি ভালো হবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জনগণ এখন রাজা-বাদশার মতো আচরণ দেখতে চায় না। তারা জনবান্ধব পুলিশ দেখতে চায়। সিনিয়র কর্মকর্তাদের এমন কোনো কর্মকাণ্ড না করার নির্দেশ দেন তিনি, যা জনগণের চোখে অস্বাভাবিক বা অগণতান্ত্রিক মনে হয়। অধস্তনদেরও এমন আচরণের অনুমতি বা প্রশ্রয় না দেয়ার জন্য কর্মকর্তাদের সতর্ক করেন তিনি।তবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ‘গুড ফেইথে’ ছোটখাটো ভুল হলে তা সেভাবেই বিবেচনা করা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি বলেন, কোনো ঘটনায় শৃঙ্খলাভঙ্গের পাশাপাশি অপরাধ সংঘটিত হলে শুধু বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার মধ্যেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ থাকবে না; সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য ফৌজদারি আইন অনুযায়ীও ব্যবস্থা নেয়া হবে।তিনি বলেন, শুধু বিভাগীয় প্রসিডিউর, তিরস্কার, লঘুদণ্ড বা গুরুদণ্ড হবে এমনটি ভাবার কোনো কারণ নেই। কোনো ক্রিমিনাল অফেন্স সংঘটিত হলে তার জন্যও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।২৪-এর ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা এবং বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্ব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রয়োজনে শর্ট কোর্সের মাধ্যমে বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগের কথা জানান তিনি। একই সঙ্গে পুলিশের জনবল, সরঞ্জাম ও লজিস্টিক সক্ষমতা বাড়ানোর কথাও বলেন।

মিরপুরে রাড্ডা টিকা কেন্দ্রে রাতের আঁধারে ভাঙচুর অনাকাঙ্ক্ষিত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মিরপুরে রাড্ডা টিকা কেন্দ্রে রাতের আঁধারে ভাঙচুর অনাকাঙ্ক্ষিত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মিরপুরে রাড্ডা টিকা কেন্দ্রে রাতের আঁধারে ভাঙচুর অনাকাঙ্ক্ষিত বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর কড়াইলের টিঅ্যান্ডটি মাঠে দেশব্যাপী বিশেষ হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ইউনিসেফ থেকে নতুন করে ৪০ লাখ ডোজ হাম-রুবেলার টিকা নিয়েছে সরকার। হামের প্রকোপ থামাতে সারা দেশে আজ থেকে ৩৪ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে।তিনি আরও বলেন, ৬ মাস বয়সী ১০ লাখ শিশু এবং তার উপরে ৫৯ মাস বয়সী পর্যন্ত ২৪ লাখ সর্বমোট ৩৪ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে চলমান ধাপে।এসময় মিরপুরের টিকা কেন্দ্রে ভাঙচুর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মিরপুরের রাড্ডা টিকা কেন্দ্রে রাতের আঁধারে ভাঙচুর অনাকাঙ্ক্ষিত। ডেঙ্গুর পরিস্থিতি আলোচনা করে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আছে।তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংসের জন্য বিদেশ থেকে ট্যাবলেট এনেছে সরকার। সরকার দায়িত্ব পাওয়ার পর ৪ মাস ধরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছে।

ডিজেল বিক্রিতে এখনও ৭০ টাকা লোকসান হচ্ছে : রিজভী

ডিজেল বিক্রিতে এখনও ৭০ টাকা লোকসান হচ্ছে : রিজভী

জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের পরও প্রতি লিটার ডিজেলে সরকারের ৭০ টাকা লোকসান হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে এক লিটার ডিজেল কিনতে সরকারের ২০৫ টাকা খরচ হলেও এতদিন ১১৫ টাকা দরে বিক্রি করা হয়েছে। ফলে প্রতি লিটারে ৯০ টাকা লোকসান হয়েছে। দাম সমন্বয়ের পরও সেই লোকসান পুরোপুরি কাটেনি।আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট আয়োজিত ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।প্রতিবেশী ও বিভিন্ন দেশের ডিজেলের দামের তুলনা তুলে ধরে রুহুল কবির রিজভী বলেন, নেপালে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম প্রায় ১৬১ টাকা, মিয়ানমারে ১৬৪ টাকা, শ্রীলঙ্কায় ১৭৯ টাকা ৪২ পয়সা এবং ফিলিপাইনে ১৮৮ টাকা ৫০ পয়সা। ভারতেও প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১৩৪ টাকার বেশি। এসব দেশের তুলনায় বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ডিজেলের দাম কম রাখা হয়েছিল। বৈশ্বিকভাবে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে ১১৫ টাকা দরে ডিজেল বিক্রি করা হচ্ছিল। এখন ২০ টাকা দাম সমন্বয় করা হলেও প্রতি লিটারে সরকারের প্রায় ৭০ টাকা লোকসান থাকছে।দাম বাড়া-কমার প্রভাব ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, যখন একদিকে দাম বাড়বে আরেকদিকে দাম কমবে, এটা একটা ন্যাচারাল অর্থনৈতিক প্রবাহ। কোনো দেশে কোনো পণ্যের দাম তুলনামূলক বেশি হলে অর্থনৈতিকভাবে তার প্রভাব অন্যদিকে প্রবাহিত হয়।বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, মধ্যবাড্ডা, উত্তরা, মিরপুর ও কাফরুল এলাকায় বাসে আগুন, ট্রেনে আগুন এবং হাইকোর্ট ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের যোগসূত্র আছে। যারা দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে লং মার্চ করছেন, তাদের এসব ঘটনার বিরুদ্ধেও কর্মসূচি দেওয়া উচিত।রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে ভাঙচুরের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনারা দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির জন্য লং মার্চ করছেন, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে লং মার্চ করছেন, দুর্নীতি হচ্ছে বলে লং মার্চ করছেন। এই যে পরিকল্পিত সন্ত্রাস যারা করছে, এর বিরুদ্ধে একটা লং মার্চ করুন। এর বিরুদ্ধে একটা প্রতিবাদসভা বা বিক্ষোভ মিছিল করুন।তিনি আরও বলেন, কখনোই জনগণের পক্ষের কোনো আন্দোলনে আপনাদের কোনো ভূমিকা নেই। যার কারণেই আপনাদের নীতি বলে যে একটা কথা আছে— রাজনীতিতে নীতি-নৈতিকতার যে একটা কথা আছে, সেটাকে আপনারা কখনোই গ্রাহ্য করেননি। কিন্তু আপনারা ইসলামের নামে রাজনীতি করেন, যে ইসলামের নীতি-নৈতিকতাকে সর্বাঙ্গে স্থান দেয়। রিজভী বলেন, মুনাফেক নামে একটি শব্দ আছে। মুনাফেককে কাফেরের চাইতেও খারাপ বলে গণ্য করা হচ্ছে। আমি যতটুকু ইসলাম সম্পর্কে জানি, ততটুকু আমার এটাই মনে হয় যে কাফেরের চাইতেও খারাপ বলা হয়েছে মুনাফেক। কিন্তু জনগণের সঙ্গে আপনারা বারবার যে প্রতারণা করেছেন, সেই প্রতারণার কারণে আপনারা চূড়ান্ত পর্যায়ে কোনোদিন জনগণের আস্থা লাভ করতে পারেননি। এটাই হচ্ছে আপনাদের দুর্ভাগ্য। কারণ আমি আগেই বলেছি, এদেশের জনস্বার্থে যত আন্দোলন হয়েছে, সমস্ত জাতীয়তাবাদী আন্দোলন এবং এদেশের জনগোষ্ঠী তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণের জন্য যে আন্দোলন করেছে, প্রত্যেকটারই আপনারা বিরোধিতা করেছেন।আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের প্রধান সমন্বয়কারী ব্যারিষ্টার নাসিম খান, মুখপাত্র এস এম শাহাদাত প্রমুখ।

টম হল্যান্ডের সঙ্গে ফিরছেন সাবরিনা কার্পেন্টার

টম হল্যান্ডের সঙ্গে ফিরছেন সাবরিনা কার্পেন্টার

হলিউডের কিংবদন্তি নৃত্যশিল্পী ও অভিনেতা ফ্রেড অ্যাস্টেয়ারের বর্ণাঢ্য কর্মজীবন নিয়ে নির্মিত হতে যাচ্ছে নতুন একটি বায়োপিক। নাম ঠিক না হওয়া এই চলচ্চিত্রে মূল চরিত্রে অভিনয় করছেন টম হল্যান্ড।আর এতে ফ্রেড অ্যাস্টেয়ারের বিখ্যাত নৃত্যসঙ্গী জিঞ্জার রজার্সের ভূমিকায় দেখা যাবে পপ তারকা ও অভিনেত্রী সাবরিনা কার্পেন্টারকে।চলচ্চিত্রটিতে আরো যুক্ত হয়েছেন মার্গারেট কোয়ালি, যিনি অভিনয় করবেন ফ্রেডের বোন এবং তার প্রথম নৃত্যসঙ্গী অ্যাডেল অ্যাস্টারের চরিত্রে। ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৯ সালের মধ্যে ফ্রেড অ্যাস্টেয়ার ও জিঞ্জার রজার্স জুটি বেঁধে নয়টি চলচ্চিত্রে কাজ করেছিলেন। নতুন এই সিনেমার মাধ্যমে সাবরিনা আবার বড় পর্দায় অভিনয়ের জগতে ফিরছেন।অন্যদিকে ক্যারিয়ারের শুরুতে লন্ডনের ওয়েস্ট অ্যান্ডে ‘বিলি এলিয়ট’ নাটকে নাচের মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া টম হল্যান্ডও এই ছবির হাত ধরে আবার নাচে ফিরছেন।প্যাডিংটন ও ওনকা খ্যাত নির্মাতা পল কিং চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করবেন। এটি প্রযোজনা করছেন অ্যামি প্যাসকেল ও র‍্যাচেল ও'কনর। ক্যাথলিন রাইলির লেখা ‘দ্য অ্যাস্টেয়ার্স : ফ্রেড অ্যান্ড অ্যাডেল’ বইয়ের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত হতে যাওয়া এই প্রকল্পটিকে স্বাগত জানিয়েছেন ফ্রেড অ্যাস্টেয়ারের মেয়ে আভা অ্যাস্টায়ার ম্যাকেনজি।

গোল বন্যার ম্যাচে ভারতকে ৪-৩ ব্যবধানে হারালো ব্রাজিল

গোল বন্যার ম্যাচে ভারতকে ৪-৩ ব্যবধানে হারালো ব্রাজিল

ভারতের কেরালার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়াম যেন এক টুকরো রিও ডি জেনিরো হয়ে উঠেছিল। গতকাল ‘রিটার্ন অব দ্য টাইটান্স’ সিরিজের এক প্রদর্শনী ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ব্রাজিল লেজেন্ডস ও ইন্ডিয়ান অল স্টারস। রোমাঞ্চ আর উত্তেজনায় ভরপুর সেই ম্যাচে সাত গোলের থ্রিলারে শেষ পর্যন্ত ৪-৩ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে লাতিন আমেরিকার ফুটবল কিংবদন্তিরা।ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের ফুটবলারদের পায়ে পুরোনো সেই জাদুর ছোঁয়া দেখতে পেয়ে গ্যালারির দর্শকরা বুঁদ হয়ে ছিলেন। খেলার ১৪ মিনিটে কেরালার স্থানীয় তারকা সি.কে. বিনেত দারুণ এক ফিনিশিংয়ে স্বাগতিকদের ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দিলে স্টেডিয়ামজুড়ে আনন্দের জোয়ার বয়।তবে সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ টিকতে দেয়নি ব্রাজিলিয়ানরা। ২১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ঠান্ডা মাথায় গোল করে স্কোরলাইন সমতায় ফেরান রোনালদিনহো। এরপর থেকেই ম্যাচের লাগাম নিজেদের হাতে তুলে নেন ফার্নানদিনহো। একে একে দুর্দান্ত তিন গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি, যা ব্রাজিলকে ৪-১ গোলের শক্ত লিড এনে দেয়। শেষ দিকে সি.কে. বিনেত নিজের দ্বিতীয় গোলটি করার পর অন্তিম মুহূর্তে অসীম বিশ্বাস আরও একটি গোল শোধ করে ব্যবধান কমালেও হার এড়াতে পারেনি ভারতীয় একাদশ।কেবল মাঠের ৯০ মিনিটের ফুটবল নয়, এই লড়াইয়ের মূল আকর্ষণ ছিল দুই দলের ডাগআউট ও একাদশের তারকার সমাহার। প্রায় এক দশক পর কেরালায় পা রাখা রোনালদিনহোর পায়ের জাদু দেখার জন্য মুখিয়ে ছিল দর্শকরা। তার সঙ্গে মাঠে ছিলেন ১৯৯৯ সালের ব্যালন ডি'অর জয়ী রিভালদো, এদমিলসন ও পাওলো সার্জিওদের মতো বিশ্বজয়ীরা।ম্যাচ শেষে ভারতের আই.এম. বিজয়ন ও বাইচুং ভুটিয়ারা রিভালদোদের সঙ্গে ক্যামেরাবন্দি হতে ব্যস্ত সময় পার করেন। গত বছর চেন্নাইয়ে অনুষ্ঠিত প্রথম আসরে ব্রাজিল ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল, আর কোচির এই দ্বিতীয় লড়াইয়ে গোলের ফুলঝুরি ফুটিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের দীর্ঘদিনের তৃষ্ণা মিটিয়ে দিল এই কিংবদন্তিরা।এদিকে সামনে আরও একবার ভারতের বিপক্ষে ব্রাজিলের লড়াই দেখার অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব। আগামী ৩ অক্টোবর ২০২৬ কলকাতার ঐতিহাসিক সল্টলেক স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় ভারতের জাতীয় দলের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মাঠে নামবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। 

দ্বিতীয় দফায় দেশব্যাপী ৩৪ লাখ শিশুকে হামের টিকাদান শুরু

দ্বিতীয় দফায় দেশব্যাপী ৩৪ লাখ শিশুকে হামের টিকাদান শুরু

দেশব্যাপী হামের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে প্রথম দফায় টিকার বাইরে থাকা প্রায় ৩৪ লাখ শিশুকে এমআর (হাম-রুবেলা) টিকার আওতায় আনতে দ্বিতীয় দফার বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে সরকার। টিকাদানের এ ক্যাম্পেইন চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত।আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তির টিএনটি খেলার মাঠে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ২০২০ সালের পর নিয়মিত চার বছর পরপর পরিচালিত হওয়ার কথা থাকলেও এমআর টিকাদান কর্মসূচি বন্ধ ছিল। এর ফলে বিপুলসংখ্যক শিশু টিকার সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ভাগ্যক্রমে কিংবা দুর্ভাগ্যবশত, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর ওই চার বছরের খেসারত আমাদের ওপর এসে পড়েছে। আমাদের জাতিকে, আমাদের মায়েদের অনেক কষ্ট পেতে হয়েছে, অনেক মায়ের বুক খালি হয়ে গেছে। এ জন্য আমি সত্যিই ব্যথিত।বিভিন্ন মহামারিতে চিকিৎসকদের অবদানের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দেশের চিকিৎসকেরা সব সংকট ও জরুরি পরিস্থিতিতে অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। আমরা আমাদের ডাক্তারদের কাছে ঋণী। করোনাকালে বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ ও প্রতিবেশী দেশের তুলনায় আমাদের চিকিৎসকদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং শতাধিক চিকিৎসকের আত্মত্যাগের কারণে বাংলাদেশে মৃত্যুহার তুলনামূলক কম ছিল। এটি আমাদের নিজস্ব চিকিৎসকদের অবদান ও প্রচেষ্টার ফল।তিনি আরও বলেন, পুষ্টিহীনতায় ভোগা শিশুদের ক্ষেত্রে হাম থেকে নিউমোনিয়ায় জটিলতা তৈরি হয়ে মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যায়। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশীয় চিকিৎসকদের উদ্ভাবন ও সেবারও প্রশংসা করেন তিনি।গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা গড়ে তোলা সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। হাম ও অন্যান্য মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সমাজের সব পক্ষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিলে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য বিশেষ এমআর টিকাদান কর্মসূচিতে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়। তবে ২৮ জুনের জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনে একই বয়সী ২ কোটি ২৩ লাখ শিশু অংশ নেওয়ায় প্রায় ৪৩ লাখ শিশু টিকার বাইরে থাকার বিষয়টি শনাক্ত হয়। তাদের অন্তর্ভুক্ত করতেই দ্বিতীয় দফার এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

অনলাইন জরিপ
২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৫৭ পিএম
ব্যাটারিচালিত রিকশা কোন সড়কে চলবে, তা নির্ধারণ করবে সরকার। আপনিও কি তাই মনে করেন?

ব্যাটারিচালিত রিকশা কোন সড়কে চলবে, তা নির্ধারণ করবে সরকার। আপনিও কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ১ জন