মুন টাইমস নিউজ
সর্বশেষ
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কার্যত অচল হয়ে পড়েছে: মহাসচিব

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কার্যত অচল হয়ে পড়েছে: মহাসচিব

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ বাড়ছে এবং সংঘাতগুলো ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। একই সঙ্গে ভূরাজনৈতিক বিভাজন গভীর হওয়ায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। ফলে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও অসহায় মানুষগুলো ‘অত্যন্ত সংকটজনক পরিস্থিতির’ মধ্যে পড়েছে।সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মহাসচিব হিসেবে তার শেষ ভাষণ দেওয়ার একদিন আগে এ সাক্ষাৎকার দেন তিনি। এতে বিশ্বের চলমান বড় সামরিক সংঘাত এবং বর্তমান বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘ এখনও কতটা কার্যকর—এসব বিষয় নিয়ে কথা বলেন গুতেরেস।তিনি বলেন, যুদ্ধগুলোতে ‘পরাশক্তি’ ও নিরাপত্তা পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের সম্পৃক্ততা এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের ধারাবাহিকতা একটি সংকট তৈরি করেছে।গুতেরেস বলেন, এর ফলে এমন এক ধরনের দায়মুক্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যেখানে মাঝারি শক্তির দেশগুলো মনে করছে, তারা যা খুশি করতে পারে, কারণ এর জন্য তাদের কোনো পরিণতি ভোগ করতে হবে না।রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ সাধারণ মানুষের জীবনে কী ধরনের প্রভাব ফেলছে, বিশেষ করে খাদ্যের প্রাপ্যতা, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতির ওপর এর প্রভাব তুলে ধরেন জাতিসংঘ মহাসচিব।তিনি বলেন, কৃষিপণ্য, সার ও জ্বালানি রপ্তানির ক্ষেত্রে কৃষ্ণসাগরকেন্দ্রিক সমস্যার সঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধকে যদি উপসাগরের হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব প্রণালির সংকট এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের তেল স্থাপনায় হামলার বিষয়গুলোকে একসঙ্গে বিবেচনা করা হয়, তাহলে বিশ্বজুড়ে বহু অর্থনীতির ওপর এর ধ্বংসাত্মক প্রভাব পড়ছে।গুতেরেস আরও বলেন, উন্নত দেশগুলোতে সুদের হার ও জ্বালানির দাম বেড়ে গেলেও একসময় তা সামাল দেওয়া সম্ভব। কিন্তু উন্নয়নশীল বিশ্বের মানুষ ক্রমবর্ধমান জ্বালানি ও খাদ্য ব্যয় এবং সারের সংকটের কারণে ‘চরম সংকটজনক পরিস্থিতিতে’ রয়েছে।পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার গুতেরেস ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি জাতিসংঘের মহাসচিবের দায়িত্ব নেন। তার বর্তমান মেয়াদ ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা। তার উত্তরসূরি এখনও নির্ধারিত হয়নি। তবে গুতেরেসের মতে, একাধিক সংকটে জর্জরিত জাতিসংঘকে বৈশ্বিক অঙ্গনে প্রাসঙ্গিক ও গুরুত্বপূর্ণ রাখতে বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন।বিশেষ করে নিরাপত্তা পরিষদের কাঠামোর সংস্কারের ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। গুতেরেস বলেন, নিরাপত্তা পরিষদ এখনো মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বিশ্বব্যবস্থাকেই প্রতিনিধিত্ব করছে।গুতেরেসের উত্তরসূরি হওয়ার দৌড়ে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি, সেনেগালের সাবেক প্রেসিডেন্ট ম্যাকি সাল এবং ইকুয়েডরের কূটনীতিক মারিয়া ফার্নান্দা এস্পিনোসা।জাতিসংঘের মহাসচিব পদে কোনো প্রার্থীকে সুপারিশ করতে হলে নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্যের মধ্যে অন্তত ৯ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন। একই সঙ্গে পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য—চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সদস্যের ভেটো পাওয়া যাবে না। এরপর সাধারণ পরিষদের ভোটে মহাসচিব নিয়োগ চূড়ান্ত হয়।

ডিজেল বিক্রিতে এখনও ৭০ টাকা লোকসান হচ্ছে : রিজভী

ডিজেল বিক্রিতে এখনও ৭০ টাকা লোকসান হচ্ছে : রিজভী

জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের পরও প্রতি লিটার ডিজেলে সরকারের ৭০ টাকা লোকসান হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে এক লিটার ডিজেল কিনতে সরকারের ২০৫ টাকা খরচ হলেও এতদিন ১১৫ টাকা দরে বিক্রি করা হয়েছে। ফলে প্রতি লিটারে ৯০ টাকা লোকসান হয়েছে। দাম সমন্বয়ের পরও সেই লোকসান পুরোপুরি কাটেনি।আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট আয়োজিত ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।প্রতিবেশী ও বিভিন্ন দেশের ডিজেলের দামের তুলনা তুলে ধরে রুহুল কবির রিজভী বলেন, নেপালে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম প্রায় ১৬১ টাকা, মিয়ানমারে ১৬৪ টাকা, শ্রীলঙ্কায় ১৭৯ টাকা ৪২ পয়সা এবং ফিলিপাইনে ১৮৮ টাকা ৫০ পয়সা। ভারতেও প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১৩৪ টাকার বেশি। এসব দেশের তুলনায় বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ডিজেলের দাম কম রাখা হয়েছিল। বৈশ্বিকভাবে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে ১১৫ টাকা দরে ডিজেল বিক্রি করা হচ্ছিল। এখন ২০ টাকা দাম সমন্বয় করা হলেও প্রতি লিটারে সরকারের প্রায় ৭০ টাকা লোকসান থাকছে।দাম বাড়া-কমার প্রভাব ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, যখন একদিকে দাম বাড়বে আরেকদিকে দাম কমবে, এটা একটা ন্যাচারাল অর্থনৈতিক প্রবাহ। কোনো দেশে কোনো পণ্যের দাম তুলনামূলক বেশি হলে অর্থনৈতিকভাবে তার প্রভাব অন্যদিকে প্রবাহিত হয়।বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, মধ্যবাড্ডা, উত্তরা, মিরপুর ও কাফরুল এলাকায় বাসে আগুন, ট্রেনে আগুন এবং হাইকোর্ট ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের যোগসূত্র আছে। যারা দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে লং মার্চ করছেন, তাদের এসব ঘটনার বিরুদ্ধেও কর্মসূচি দেওয়া উচিত।রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে ভাঙচুরের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনারা দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির জন্য লং মার্চ করছেন, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে লং মার্চ করছেন, দুর্নীতি হচ্ছে বলে লং মার্চ করছেন। এই যে পরিকল্পিত সন্ত্রাস যারা করছে, এর বিরুদ্ধে একটা লং মার্চ করুন। এর বিরুদ্ধে একটা প্রতিবাদসভা বা বিক্ষোভ মিছিল করুন।তিনি আরও বলেন, কখনোই জনগণের পক্ষের কোনো আন্দোলনে আপনাদের কোনো ভূমিকা নেই। যার কারণেই আপনাদের নীতি বলে যে একটা কথা আছে— রাজনীতিতে নীতি-নৈতিকতার যে একটা কথা আছে, সেটাকে আপনারা কখনোই গ্রাহ্য করেননি। কিন্তু আপনারা ইসলামের নামে রাজনীতি করেন, যে ইসলামের নীতি-নৈতিকতাকে সর্বাঙ্গে স্থান দেয়। রিজভী বলেন, মুনাফেক নামে একটি শব্দ আছে। মুনাফেককে কাফেরের চাইতেও খারাপ বলে গণ্য করা হচ্ছে। আমি যতটুকু ইসলাম সম্পর্কে জানি, ততটুকু আমার এটাই মনে হয় যে কাফেরের চাইতেও খারাপ বলা হয়েছে মুনাফেক। কিন্তু জনগণের সঙ্গে আপনারা বারবার যে প্রতারণা করেছেন, সেই প্রতারণার কারণে আপনারা চূড়ান্ত পর্যায়ে কোনোদিন জনগণের আস্থা লাভ করতে পারেননি। এটাই হচ্ছে আপনাদের দুর্ভাগ্য। কারণ আমি আগেই বলেছি, এদেশের জনস্বার্থে যত আন্দোলন হয়েছে, সমস্ত জাতীয়তাবাদী আন্দোলন এবং এদেশের জনগোষ্ঠী তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণের জন্য যে আন্দোলন করেছে, প্রত্যেকটারই আপনারা বিরোধিতা করেছেন।আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের প্রধান সমন্বয়কারী ব্যারিষ্টার নাসিম খান, মুখপাত্র এস এম শাহাদাত প্রমুখ।

মুক্তির আগেই ইতিহাস, গিনেস বুকে আল্লু অর্জুন-অ্যাটলির ‘রাকা’

মুক্তির আগেই ইতিহাস, গিনেস বুকে আল্লু অর্জুন-অ্যাটলির ‘রাকা’

পর্দায় মুক্তির আগেই ইতিহাস গড়েছে তেলেগু সুপারস্টার আল্লু অর্জুন ও দক্ষিণী নির্মাতা অ্যাটলির নতুন সিনেমা ‘রাকা’। প্রেক্ষাগৃহে আসার আগেই বহুল প্রতীক্ষিত সায়েন্স-ফিকশন অ্যাকশন ড্রামাটি জায়গা করে নিয়েছে ‘গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস’-এ। এর মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে ভারতের নামও নতুন করে উজ্জ্বল হয়েছে।গত সোমবার নির্মাতা অ্যাটলির ৪০তম জন্মদিনে অনুরাগীদের চমকে দিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সান পিকচার্স। সিনেমাটির একটি বিশেষ দৃশ্যে একসঙ্গে ৩৭ জন পারফর্মারের ‘রিয়েল-টাইম মোশন ক্যাপচার’ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র অঙ্গনে এমন ঘটনা আগে দেখা যায়নি। এর আগে কোনো সিনেমায় একসঙ্গে এত বেশি মানুষের রিয়েল-টাইম মোশন ক্যাপচার করা হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে আল্লু অর্জুন ও অ্যাটলির গিনেস কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সনদ গ্রহণের ছবি শেয়ার করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটি।সান পিকচার্স তাদের বার্তায় লেখে, ‘ইতিহাস তৈরি হলো! এটি এমন এক বৈশ্বিক সাফল্য, যা ভারতীয় সিনেমাকে বিশ্বমঞ্চে নিয়ে গেছে। ৩৭ জন পারফর্মারকে একসাথে রিয়েল-টাইমে ক্যাপচার করে ‘‘রাকা’’ বিশ্বরেকর্ড গড়েছে। আল্লু অর্জুন এবং অ্যাটলি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সনদ গ্রহণ করেছেন, যা এই ঐতিহাসিক অর্জনকে চিহ্নিত করে।’ঐতিহাসিক এই মাইফলক নিয়ে আল্লু অর্জুন ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে বলেছেন, ‘এটি পুরো টিমের জন্য অত্যন্ত গর্বের এক মুহূর্ত। আমাদের পরিশ্রম ও প্রচেষ্টাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়ে সম্মানিত করার জন্য আমরা গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের কাছে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।’ইতোমধ্যেই নির্মাতারা একটি বিশেষ বিহাইন্ড দ্য সিন ভিডিও প্রকাশ করেছেন, যেখানে কীভাবে প্রযুক্তির জাদুতে ৩৭ জন অভিনয়শিল্পীকে একসঙ্গে রিয়েল-টাইমে ক্যাপচার করা হয়েছিল, তার এক নজরকাড়া ঝলক দেখা গেছে।প্রথমবারের মতো এই সিনেমার মাধ্যমে জুটি বেঁধেছেন আল্লু অর্জুন ও অ্যাটলি। সিনেমাপাড়ায় জোর গুঞ্জন রয়েছে, ‘রাকা’-তে অল্লু অর্জনকে নাকি চারটি ভিন্ন চরিত্রে—দাদা, বাবা এবং দুই ছেলের ভূমিকায় দেখা যাবে। এমনকি গল্পে ‘প্যারালাল ইউনিভার্স’ বা সমান্তরাল মহাবিশ্বের ধারণাও উঠে আসতে পারে বলে চর্চা চলছে সামাজিক মাধ্যমে; যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মাতারা এখনো কিছু নিশ্চিত করেননি। সান পিকচার্স প্রযোজিত এই মেগা বাজেটের ছবিতে আল্লু অর্জুনের পাশাপাশি দ্যুতি ছড়াবেন দীপিকা পাড়ুকোন, রাশমিকা মান্দানা, জাহ্নবী কাপুর এবং মৃণাল ঠাকুর।

ঘরের মাঠে আর্জেন্টিনার জার্সিতে আরও একবার মাঠে নামছেন মেসি

ঘরের মাঠে আর্জেন্টিনার জার্সিতে আরও একবার মাঠে নামছেন মেসি

আর্জেন্টিনার জার্সিতে আরও একবার দেখা যাবে লিওনেল মেসিকে। আগামী ৬ অক্টোবর বেনিনের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামবেন এই আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি। বুয়েনস এইরেসের ৮৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে হবে ম্যাচটি। ঘরের মাঠের দর্শকদের সামনে মেসিকে আনুষ্ঠানিক বিদায় জানাতেই এই বিশেষ আয়োজন করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)।গত আগস্টে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন মেসি। ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে আর্জেন্টিনার হারের পরই জাতীয় দলের হয়ে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত জানান ৩৯ বছর বয়সী এই তারকা। তবে তবে বিদায়ী ম্যাচের জন্য আবারও আর্জেন্টিনার জার্সিতে ফিরছেন মেসি। কোচ লিওনেল স্কালোনির ঘোষিত ২৮ সদস্যের দলে রাখা হয়েছে তাকে। তিনটি প্রীতি ম্যাচের মধ্যে কেবল বেনিনের বিপক্ষেই খেলবেন মেসি।আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে ফিফা উইন্ডো। আর্জেন্টিনার এই আন্তর্জাতিক উইন্ডো শুরু হবে ৩০ সেপ্টেম্বর। সেদিন কর্দোবায় বলিভিয়ার বিপক্ষে খেলবে তারা। এরপর ৩ অক্টোবর বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্টালে বুরকিনা ফাসোর বিপক্ষে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। তিন দিন পর একই স্টেডিয়ামে হবে মেসির ঐতিহাসিক বিদায়ী ম্যাচ।এএফএ বিবৃতিতে জানায়, কোচ স্কালোনির সঙ্গে আলোচনা করে তারা মেসিকে ৬ অক্টোবর তার প্রাপ্য বিদায় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  ২০২২ বিশ্বকাপজয়ী দলের সব সদস্যকেই বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচটি দেখতে পরিবারসহ আমন্ত্রণ জানানো হবে। মেসির সঙ্গে কাতার বিশ্বকাপজয়ী সতীর্থ জিওভানি লো সেলসো ও রদ্রিগো দে পলও দলে থাকছেন।২০৭ ম্যাচে ১২৫ গোল করেছেন এলএমটেন। আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই ফরোয়ার্ড বর্তমানে খেলছেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে।প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনার স্কোয়াডগোলকিপার: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, হুয়ান মুসো, হেরোনিমো রুলিডিফেন্ডার: আগুস্তিন গিয়াই, লেওনার্দো বালেরদি , ক্রিস্তিয়ান রোমেরো , লিসান্দ্রো মার্তিনেজ , হুয়ান ফয়থ , ফাকুন্দো মেদিনা , নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, রোমান ভেগামিডফিল্ডার: এনজো ফার্নান্দেজ, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, ভ্যালেন্তিন বারকো, জিওভানি লো সেলসো, এজেকিয়েল পালাসিওস, রদ্রিগো দে পল, নিকো পাস, ফ্রাঙ্কো মাস্তান্তুয়োনো, মাতিয়াস সুলে, জুলিয়ানো সিমেওনে, নিকোলাস গনসালেস, জিয়ানলুকা প্রেস্টিয়ানিফরোয়ার্ড: হোসে ম্যানুয়েল লোপেজ, সান্তিয়াগো কাস্ত্রো, হুলিয়ান আলভারেজ, লাওতারো মার্তিনেজ, লিওনেল মেসি

হয় আমি থাকব, না হয় হাসপাতালের অনিয়ম-দুর্নীতি থাকবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হয় আমি থাকব, না হয় হাসপাতালের অনিয়ম-দুর্নীতি থাকবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যসেবায় অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে ঝটিকা পরিদর্শনে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘হয় আমি থাকব, না হয় হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতি থাকবে।’শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এ সময় হাসপাতালের ডেঙ্গু ইউনিটসহ বিভিন্ন বিভাগ ও চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম ঘুরে দেখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরিদর্শনের সময় বেশ কিছু অনিয়মও তার নজরে আসে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী। এ সময় তারা অভিযোগ করেন, প্রয়োজনের সময় ডাক্তারদের পাওয়া যায় না। দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্সদের সহযোগিতার ঘাটতি ও অবহেলার অভিযোগও জানান তারা।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাসপাতালের সব ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চিকিৎসাসেবায় কোনো ধরনের অনিয়ম ও অবহেলা বরদাশত করা হবে না বলেও জানান তিনি।এ সময় হাম প্রতিরোধে ৪ কোটি টিকা সংগ্রহের কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে বলেও জানান তিনি।এ ছাড়া আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে দেশব্যাপী তিন মাসব্যাপী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হবে বলে জানান সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন বলেও জানান তিনি।

অনলাইন জরিপ
২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৫৭ পিএম
ব্যাটারিচালিত রিকশা কোন সড়কে চলবে, তা নির্ধারণ করবে সরকার। আপনিও কি তাই মনে করেন?

ব্যাটারিচালিত রিকশা কোন সড়কে চলবে, তা নির্ধারণ করবে সরকার। আপনিও কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন