মুন টাইমস নিউজ
দুর্নীতিতে ধ্বংস হয়েছে সমবায় সমিতি, আইন সংস্কারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

দুর্নীতিতে ধ্বংস হয়েছে সমবায় সমিতি, আইন সংস্কারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

দুর্নীতির কারণে দেশের সমবায় সমিতিগুলো তাদের অতীতের অবস্থান হারিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, সমবায় খাতকে এগিয়ে নিতে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট আইনগুলো সময়োপযোগী করতে হবে। একই সঙ্গে সমবায় সমিতির উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাতকরণ সহজ করা এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমাতে কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।আজ রোববার (০৮ নভেম্বর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।রাষ্ট্রপতি বলেন, ছোটবেলায় ঠাকুরগাঁওয়ের মতো একটি ছোট মহকুমা শহরেও সমবায় কার্যক্রমের বেশ প্রাণবন্ত উপস্থিতি ছিল। সেখানে সমবায় ভবন, কোল্ড স্টোরেজ ও সমবায়ীদের মার্কেট ছিল। শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও সমবায়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে সেই সমবায় কার্যক্রমের চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে। একসময় যে সমবায় আন্দোলনকে ঘিরে মানুষের মধ্যে আগ্রহ ও কর্মচাঞ্চল্য ছিল, বর্তমানে সেই অবস্থান আর দেখা যাচ্ছে না।সমবায় খাতের এই অবনতির পেছনে দুর্নীতিকে অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সমবায় সংগঠনগুলোর ভেতরে দুর্নীতির কারণে অধিকাংশ সমিতি নষ্ট হয়ে গেছে। হাতে গোনা কয়েকটি সমিতি এখনো সফলভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছে। অথচ দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে সমবায় আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।সমবায় খাতের অগ্রগতিতে বিদ্যমান আইন ও নীতিগত প্রতিবন্ধকতা দূর করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, কিছু আইন সমবায়কে স্বাভাবিকভাবে এগিয়ে যেতে বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রণালয় এবং সংসদ সদস্যদের গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী আইনগুলোকে উপযোগী করে সমবায় আন্দোলনের বিকাশের পথ তৈরি করতে হবে।রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে এনজিও কার্যক্রম সফলভাবে এগিয়ে যাওয়ায় সমবায় খাতকে প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হয়েছে। তাই সমবায় সমিতিগুলোকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা এনজিওগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে পারে এবং কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হয়।সমবায়ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সাফল্যের উদাহরণ হিসেবে মিল্ক ভিটার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, একসময় প্রতিষ্ঠানটি সংশ্লিষ্ট এলাকায় গবাদিপশু ও দুগ্ধ উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি লাভ করছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। তবে এই লাভের পরিমাণ আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। মিল্ক ভিটার উৎপাদিত পাস্তুরিত দুধ, মাখন, চিজ ও আইসক্রিমের মতো পণ্য আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে প্রচার-প্রচারণা বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি।সমবায় পণ্যের বাজারজাতকরণকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, উৎপাদন করলেই হবে না, সেই পণ্য যথাযথভাবে বাজারে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সমবায় অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগ নিতে হবে। সমবায়ভিত্তিক কোম্পানি বা কমিটি গঠন করে উৎপাদকদের পণ্য বাজারজাতকরণে সহযোগিতা করা যেতে পারে। এ ধরনের কার্যকর বিপণনব্যবস্থার ঘাটতি দেশে রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এ ছাড়া ডিজিটাল বিপণন ও ই-কমার্সের মাধ্যমে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমানোর ওপর গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মকে স্টার্টআপ এবং সুনীল অর্থনীতির মতো আধুনিক ও সম্ভাবনাময় খাতে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।

শাহজালালে দুই দিনে ৩২ লাখ টাকার পণ্য জব্দ

শাহজালালে দুই দিনে ৩২ লাখ টাকার পণ্য জব্দ

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুই দিনের ব্যবধানে পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ও নিষিদ্ধ পণ্য জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে ই-সিগারেট, সিগারেট, নিষিদ্ধ প্রসাধনী ক্রিম ও স্বর্ণালংকার। জব্দ করা পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩২ লাখ ২ হাজার ৫০০ টাকা।আজ রোববার (৮ নভেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল আমিন শেখ এক বিজ্ঞপ্তিতে অভিযানের তথ্য জানান। গত ৬ ও ৭ নভেম্বর বিমানবন্দরে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৬ নভেম্বর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিমানবন্দরে নজরদারি জোরদার করেন কাস্টমস গোয়েন্দারা। ওই দিন কুয়ালালামপুর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-৩৮৭ ফ্লাইটে আসা এক যাত্রীর ব্যাগেজ তল্লাশি করে ৯০টি ই-সিগারেট বা ভেপ, ১২ কেজি নিষিদ্ধ গৌরী ক্রিম এবং ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।অধিদপ্তর জানায়, আটক যাত্রী সুলতানা রাজিয়ার পাসপোর্টে চলতি বছরের ১৩ আগস্ট ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার আনার তথ্য পাওয়া গেছে। একই বছরে আবারও সমপরিমাণ স্বর্ণালংকার আনার বিষয়টি শনাক্ত হওয়ায় এবারের চালানটি আটক করা হয়।এদিকে, ৭ নভেম্বর কাতার থেকে আসা কিউআর-৬৪০ ফ্লাইটের ব্যাগেজ বেল্টে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৬৬ কার্টন সিগারেট পাওয়া যায়। পরে সেগুলো জব্দ করেন কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।এনবিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যাত্রীদের ব্যাগেজে ই-সিগারেট বহনের ঘটনা নতুন ধরনের চোরাচালান প্রবণতা হিসেবে দেখা যাচ্ছে। রাজস্ব ফাঁকি রোধের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ও নিষিদ্ধ পণ্যের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিমানবন্দরে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

পলাতক শক্তির ঘাতকরা দেশের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্তের চক্রান্ত করছে

রুহুল কবির রিজভী / পলাতক শক্তির ঘাতকরা দেশের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্তের চক্রান্ত করছে

পলাতক শক্তির ঘাতকরা দেশের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্তের চক্রান্ত করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আজ শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি।রুহুল কবির রিজভী বলেন, ৭ নভেম্বরের বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় বলীয়ান হয়ে সকল অগণতান্ত্রিক ও দেশবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতা এবং দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি বাকশাল কায়েম করে মানুষের সব অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছিল। ৩ নভেম্বরের পর দেশে এক অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এমন সংকটময় মুহূর্তে ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মুক্ত হয়ে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। তার নেতৃত্বে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা ও স্বনির্ভরতা অর্জন করেছিল।গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, শহিদ জিয়ার শাহাদাতের পর গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ ৯ বছর স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করে নব্বইয়ে ফের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছিলেন। প্রতিটি আন্দোলনেই ৭ নভেম্বরের চেতনা এদেশের মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছে।বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ২০০৯ সালে আবারও পুরনো বাকশালের নতুন প্রেতাত্মা ক্ষমতায় এসে জনগণের অধিকার কেড়ে নেয়। গুম, খুন ও গুপ্তহত্যার এক ভয়ংকর সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করে তারা। দীর্ঘ ১৭ বছর মানুষের মনে ভয়ভীতি ঢুকিয়ে রাখা হয়েছিল। অবশেষে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে এক যুগান্তকারী গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে রক্তপিপাসু স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতন ঘটে। এই ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পেছনেও ৭ নভেম্বরের চেতনা কাজ করেছে।বর্তমান সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমানে একটি জনবান্ধব সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি মানুষকে কোনো মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেন না। বিনামূল্যে সার বিতরণ, কৃষক ও হতদরিদ্রদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড প্রদান এবং দেশজুড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। 

সাংবাদিক হয়রানি ও জাতীয় সংগীত বিতর্ক, পরীমনিকে আইনি নোটিশ

সাংবাদিক হয়রানি ও জাতীয় সংগীত বিতর্ক, পরীমনিকে আইনি নোটিশ

সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ, হয়রানি ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত ব্যবহারের মাধ্যমে অবমাননার অভিযোগে চিত্রনায়িকা পরীমনিকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে আদালত প্রাঙ্গণে ঘটে যাওয়া ঘটনার জন্য প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।আজ রোববার (৮ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাসান শাহরিয়ার এ নোটিশ পাঠান। এতে পরীমনি ছাড়াও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।নোটিশে বলা হয়েছে, আগামী সাত দিনের মধ্যে পরীমনিকে আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার জন্য লিখিতভাবে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। একই সঙ্গে অশ্লীল বক্তব্য, হুমকি, অশোভন অঙ্গভঙ্গি এবং আপত্তিকর নৃত্য বা পরিবেশনা থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চলচ্চিত্র, ভিডিও, অডিও-ভিজ্যুয়াল কিংবা অন্য কোনো মাধ্যমে শৈল্পিক ও শিক্ষাগত মূল্যহীন আপত্তিকর বিষয়বস্তু প্রচার না করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।এ ছাড়া সাত দিনের মধ্যে পরীমনিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে সতর্ক করা হয়েছে।নোটিশে গত ৫ নভেম্বরের একটি ঘটনার বিবরণ তুলে ধরা হয়। ওই দিন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মামলায় আত্মসমর্পণ করে আদালত থেকে জামিন পান পরীমনি। আদালত প্রাঙ্গণে পৌঁছে এজলাসের দিকে যাওয়ার সময় সাংবাদিকেরা তাঁর ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে পরীমনির নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে তাঁদের ধাক্কাধাক্কি হয় বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।এ সময় সমকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার রবিউল হোসাইনের মুঠোফোন কেড়ে নেওয়া এবং ভিডিও ধারণের কাজে ব্যবহৃত ট্রাইপড ভাঙচুরের অভিযোগও আনা হয়েছে। এ ঘটনায় জাগো নিউজের প্রতিবেদক আশিকুজ্জামান, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার আব্দুল্লাহ আল কাউছার, আগামীর সময়ের প্রতিবেদক সিয়াম হোসেন ও টাইমস টুডের শাহ রিয়াজ আহত হন বলে নোটিশে দাবি করা হয়েছে। একই ঘটনায় বিচারপ্রার্থী সুজন চন্দ্র মণি দাসও আহত হন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।নোটিশে আরও অভিযোগ করা হয়, আদালত থেকে বের হওয়ার পর পরীমনি সাংবাদিক রবিউল হোসাইনের দিকে তেড়ে যান এবং তাঁকে উদ্দেশ করে অশালীন ভাষায় কথা বলেন ও হত্যার হুমকি দেন। রবিউলের ডান হাত জন্মগতভাবে ছোট এবং ওই হাতে তিনটি আঙুল না থাকার বিষয়টিও নোটিশে তুলে ধরা হয়েছে।আইনজীবীর মতে, আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মীদের মাধ্যমে আদালতের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ বা প্রভাব বিস্তারের সুযোগ নেই। একজন সাংবাদিকের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের মর্যাদার জন্য উদ্বেগজনক বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।এদিকে, গত ৬ নভেম্বর পরীমনির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতকে মিউজিক হিসেবে ব্যবহার করে একটি অশোভন পোস্ট প্রকাশের অভিযোগও আনা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

টানা দ্বিতীয় গোল্ডেন বুট জিতে রেকর্ড গড়লেন মেসি

টানা দ্বিতীয় গোল্ডেন বুট জিতে রেকর্ড গড়লেন মেসি

মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) নিজের আধিপত্য আরও একবার প্রমাণ করলেন লিওনেল মেসি। চলতি বছরের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে টানা দ্বিতীয়বারের মতো জিতেছেন গোল্ডেন বুট। একই সঙ্গে গড়েছেন একাধিক ব্যক্তিগত রেকর্ড। লিগের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা দুই মৌসুমে এই পুরস্কার জয়ের কীর্তি এখন তাঁর দখলে।সদ্য শেষ হওয়া মৌসুমে ২৬ গোল করেছেন ইন্টার মায়ামির এই আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। গোলসংখ্যায় তাঁর ধারেকাছেও ছিলেন না অন্যরা। এফসি ডালাসের পিটার মুসা ২২টি এবং ন্যাশভিলের স্যাম সুরিজ করেছেন ২১ গোল। ফলে প্রতিদ্বন্দ্বীদের পেছনে ফেলে গোল্ডেন বুট নিজের করে নেন মেসি।ব্যক্তিগত গোলের বাইরেও আক্রমণভাগে তাঁর অবদান ছিল চোখে পড়ার মতো। চলতি মৌসুমে ৪৩ গোলে অবদান রেখে এই বিভাগে সবার ওপরে রয়েছেন তিনি। ম্যাচপ্রতি গোলের হারও সর্বোচ্চ, ০.৮৭। এক ম্যাচে একাধিক গোল করার ক্ষেত্রেও ছয়বারের কীর্তি নিয়ে যৌথভাবে শীর্ষে আছেন।মেসির ২৬ গোলের মধ্যে পেনাল্টি থেকে এসেছে মাত্র একটি। অর্থাৎ পেনাল্টি ছাড়াই করেছেন ২৫ গোল। এমএলএসের এক মৌসুমে পেনাল্টি ছাড়া গোলের হিসাবে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ২০২৫ সালে ২৮টি এমন গোল করে রেকর্ডটি নিজের করে রেখেছেন তিনি।গত তিন মৌসুমে মেসির গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৫। এই সময়ে গোলে অবদান রেখেছেন মোট ১২৭টিতে। লিগ ইতিহাসে তিন মৌসুমের হিসাবে যা সর্বোচ্চ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এভান্ডারের অবদান ৯৮ গোল।

অনলাইন জরিপ
২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৫৭ পিএম
ব্যাটারিচালিত রিকশা কোন সড়কে চলবে, তা নির্ধারণ করবে সরকার। আপনিও কি তাই মনে করেন?

ব্যাটারিচালিত রিকশা কোন সড়কে চলবে, তা নির্ধারণ করবে সরকার। আপনিও কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২ জন