মুন টাইমস নিউজ
জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বজায় রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বজায় রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

জাতীয় সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা, জাতীয় মর্যাদা, নিরাপত্তা ও জনগণের কল্যাণ সুরক্ষার পাশাপাশি জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির আলোকে পরিচালিত হওয়া উচিত। সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও পারস্পরিক সুবিধার ভিত্তিতে সব দেশের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে হবে। জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার অর্থ বন্ধুত্ব ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সঙ্গে আপস করা নয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।আজ সোমবার (২ নভেম্বর) বঙ্গভবনে ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স-২০২৬ ও আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স-২০২৬-এর সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, জাতিগুলোর মধ্যে বন্ধুত্ব এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পৃক্ততায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংঘাতের পরিবর্তে সহযোগিতা, মতবিরোধের পরিবর্তে সংলাপ এবং সংঘর্ষের পরিবর্তে শান্তির প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করতে হবে।বিশ্বের পরিবর্তিত নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রচলিত নিরাপত্তা উদ্বেগের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন, সাইবার হুমকি, আন্তদেশীয় অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ, মহামারি, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের মতো নতুন চ্যালেঞ্জ সামনে এসেছে।জাতীয় নিরাপত্তাকে শুধু সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার সুযোগ নেই উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এর সঙ্গে অর্থনৈতিক সক্ষমতা, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশগত স্থায়িত্ব, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক শক্তিও জড়িত।তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগর ও বৃহত্তর ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থানের কারণে সতর্কতা ও দূরদর্শিতা গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা ও উন্নত ডিজিটাল প্রযুক্তি যুদ্ধ ও নিরাপত্তাব্যবস্থায় পরিবর্তন আনছে। ভুল তথ্য, অপতথ্য ও সাইবার হুমকিও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।রাষ্ট্রপতি বলেন, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৌশলগত দূরদর্শিতা, বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ, বুদ্ধিবৃত্তিক উদারতা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও দেশের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার সক্ষমতাসম্পন্ন নেতৃত্ব প্রয়োজন।ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনী, বেসামরিক প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা ও বন্ধুরাষ্ট্রগুলোর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের একত্র করার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ে মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি করছে।কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, অর্জিত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কর্মজীবনে কাজে লাগাতে হবে। সবকিছুর ঊর্ধ্বে দেশ ও জনগণের স্বার্থকে স্থান দিয়ে পেশাদারত্ব, সততা, শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি বজায় রাখতে হবে।ভাষণের শুরুতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের অবদানের কথাও স্মরণ করেন তিনি।এ ছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ঘটনাবলিতে জীবন উৎসর্গকারীদের এবং গত ১৭ বছর ধরে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রামে প্রাণ হারানো ব্যক্তিদের স্মরণ করেন রাষ্ট্রপতি। দেশের সেবায় আত্মত্যাগকারী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান তিনি।বন্ধুরাষ্ট্রগুলোর কোর্স সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশে অর্জিত অভিজ্ঞতা দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা আরও জোরদারে ভূমিকা রাখবে।সবশেষে ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স-২০২৬ ও আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স-২০২৬-এর সদস্যদের ভবিষ্যৎ দায়িত্ব পালনে সাফল্য কামনা করেন রাষ্ট্রপতি।

মোটরসাইকেল চালকদের সুখবর দিলো সরকার

বিধিমালা সংশোধন / মোটরসাইকেল চালকদের সুখবর দিলো সরকার

মোটরসাইকেলের সামনের অংশে নম্বরপ্লেট স্থাপন ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রদর্শনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিধিগত জটিলতা দূর করতে সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২ সংশোধন করেছে সরকার। এর ফলে মোটরসাইকেলের কাঠামোগত ভিন্নতা বিবেচনায় নিয়ে সামনে নম্বরপ্লেট স্থাপনের পথ আরো সুগম হলো।গতকাল রোববার (১ নভেম্বর) বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপ-সচিব আল-আমীন মো. নূরুল ইসলামের স্বাক্ষরে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ১২২ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ সংশোধনী আনা হয়েছে এবং সংশোধিত বিধান অবিলম্বে কার্যকর হবে।সংশোধিত বিধিমালার প্রধান দিকএক লাইনে লেখার সুযোগ: প্রচলিত বিন্যাসের পাশাপাশি মোটরসাইকেলের সামনের রেজিস্ট্রেশন নম্বর এক লাইনে লেখার সুযোগ রাখা হয়েছে। এক লাইনে লেখার ক্ষেত্রে জেলা বা অঞ্চলের নাম এবং যানবাহনের শ্রেণি নির্দেশকারী অক্ষরের পর নির্ধারিত দৈর্ঘ্যের হাইফেন ব্যবহার করা যাবে।বিআরটিএকে ক্ষমতা প্রদান: মোটরসাইকেলের নকশা ও কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সামনের নম্বরপ্লেটের আকার, অক্ষরের উচ্চতা, জেলা বা অঞ্চলের নাম ও যানবাহনের শ্রেণি নির্দেশকারী অক্ষরের আকার নির্ধারণের ক্ষমতা বিআরটিএকে দেওয়া হয়েছে।পরিমাপ নির্ধারণ: প্রয়োজনে কর্তৃপক্ষ নম্বরপ্লেটের উল্লম্ব অংশে ফাঁকা জায়গা, দুটি সংখ্যার মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থানের দৈর্ঘ্য এবং দ্বিতীয় লাইনে সংখ্যাগুলোর মধ্যবর্তী হাইফেনের দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করতে পারবে।রেট্রো-রিফ্লেক্টিভ প্লেট: নম্বরপ্লেটের দৃশ্যমানতা ও শনাক্তকরণে সহায়ক প্রযুক্তি ব্যবহারের অংশ হিসেবে বিপরীতমুখী রেট্রো-রিফ্লেক্টিভ প্লেট ব্যবহারের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।কেন এই সংশোধন?বর্তমানে বাজারে থাকা বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও মডেলের মোটরসাইকেলের সামনের অংশের নকশা ও কাঠামো এক রকম নয়।অনেক মডেলের ক্ষেত্রে প্রচলিত আকারের নম্বরপ্লেট স্থাপন করা কঠিন ছিল। এই বাস্তব অসুবিধা দূর করতেই কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নম্বরপ্লেটের আকার ও বিন্যাস নির্ধারণের সুযোগ তৈরি করা হলো।সংশ্লিষ্টদের মতে, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড়কে মোটরসাইকেলের সংখ্যা বাড়ার কারণে সিসিটিভি ও স্বয়ংক্রিয় নম্বরপ্লেট শনাক্তকরণ প্রযুক্তির মাধ্যমে যানবাহন পর্যবেক্ষণে সামনের নম্বরপ্লেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সড়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বাসসকে জানান, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে অন্যান্য যানবাহনের পাশাপাশি মোটরসাইকেলকেও ক্যামেরার আওতা নিয়ে আসা জরুরি হয়ে পড়েছিল।সংশোধিত বিধিমালা প্রকাশের ফলে বিআরটিএর এখন প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও বাস্তবায়ন কার্যক্রম গ্রহণের পথ উন্মুক্ত হলো।

প্রধান বিরোধীদল জামায়াত-শিবির এটা লজ্জার: রাশেদ খান

প্রধান বিরোধীদল জামায়াত-শিবির এটা লজ্জার: রাশেদ খান

স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আবারও রাজপথে সক্রিয় থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান। তিনি বলেন, যারা বাংলাদেশের জন্ম ও স্বাধীনতা চায়নি, সেই জামায়াত-শিবির আজ সংসদের প্রধান বিরোধী দল হওয়া জাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জার। ভবিষ্যতে তারা ক্ষমতায় এলে মুক্তিযুদ্ধের নাম-নিশানাও রাখবে না।আজ সোমবার (২ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মুক্তিযুদ্ধা সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধার প্রতিবাদ সমাবেশে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।রাশেদ খান বলেন, দুঃখ লাগে, কষ্ট লাগে। আজকে স্বাধীন বাংলাদেশে জামায়াত-শিবির প্রধান বিরোধী দল হয়েছে। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত লজ্জার। স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি, যারা বাংলাদেশের জন্ম চায়নি, তারা আজ সংসদের প্রধান বিরোধী দল। এর চেয়ে লজ্জার আর কিছু হতে পারে না।বীর মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশে রাশেদ খান বলেন, একাত্তরে জামায়াত-শিবিরের ষড়যন্ত্র ও কর্মকাণ্ড আপনারা প্রতিহত করেছিলেন। কিন্তু ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আপনাদের দায়িত্ব শেষ হয়ে গেছে মনে করলে ভুল হবে। দেশে ন্যায়বিচার, সাম্য ও মানবিক মর্যাদা পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।তিনি বলেন, বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করতে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি যেভাবে ষড়যন্ত্র করছে, তা মোকাবিলায় মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়মিত রাজপথে থাকতে হবে। তারা রাজপথে সক্রিয় থাকলে ষড়যন্ত্রকারীরা সফল হতে পারবে না। শুধু একটি স্বাধীন ভূখণ্ড উপহার দিয়েই দায়িত্ব শেষ হয়েছে মনে করলে বাংলাদেশের মানুষ প্রকৃত স্বাধীনতার স্বাদ পাবে না।রাশেদ খান আরও বলেন, বিএনপি জনগণের কল্যাণে যেসব সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, সেগুলোও বাধাগ্রস্ত করছে জামায়াত-শিবির। যারা বাংলাদেশের জন্ম ও স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেনি, তাদের হাতে দেশের সার্বভৌমত্ব নিরাপদ থাকতে পারে না।তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, যারা বাংলাদেশের জন্ম চায়নি, তাদের কাছে দেশের সার্বভৌমত্ব, মুক্তিযোদ্ধাদের দেওয়া জাতীয় পতাকা ও মানচিত্র কতটা নিরাপদ? যারা দেশের স্বাধীনতা চায়নি, তাদের হাতে বাংলাদেশের পতাকা ও মানচিত্র কখনোই নিরাপদ হতে পারে না।মুক্তিযোদ্ধাদের ঐক্যবদ্ধ ও সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সম্প্রতি একজন সহযোদ্ধার মরদেহ দাফনে জামায়াত-শিবির বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভবিষ্যতে তারা ক্ষমতায় এলে মুক্তিযুদ্ধের নাম-নিশানাও রাখবে না। মুক্তিযোদ্ধাদের দাফনে বাধা দেওয়ার মধ্য দিয়ে তারা যে প্রতিশোধপরায়ণ মনোভাবের পরিচয় দিয়েছে, ক্ষমতায় গেলে তার আরও বহিঃপ্রকাশ ঘটতে পারে।রাশেদ খান বলেন, ২০২৪ সালে একটি গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। সেই গণঅভ্যুত্থানে বীর মুক্তিযোদ্ধারাও সমর্থন জানিয়েছিলেন।প্রতিবাদ সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো আবদুস সালামসহ সারাদেশ থেকে আগত মুক্তিযুদ্ধারা।

জন্মদিনে শাহরুখের ‘কিং’ সিনেমার প্রথম গান প্রকাশ

জন্মদিনে শাহরুখের ‘কিং’ সিনেমার প্রথম গান প্রকাশ

বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানের ৬১তম জন্মদিনে ভক্তদের জন্য বিশেষ উপহার নিয়ে হাজির হয়েছেন ‘কিং’ সিনেমার নির্মাতারা। অভিনেতার জন্মদিন উপলক্ষে প্রকাশ করা হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমাটির প্রথম গান ‘তু মিল যায়ে’। রোমান্টিক ঘরানার গানটিতে শাহরুখের সঙ্গে পর্দা ভাগ করেছেন দীপিকা পাড়ুকোন। তবে গানটির সবচেয়ে বড় চমক ব্রিটিশ সংগীতশিল্পী এড শিরান ও ভারতীয় সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিংয়ের যৌথ অংশগ্রহণ। গানটির সুর করেছেন শচীন-জিগার।প্রকাশের পরপরই গানটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন ভক্তরা। বিশেষ করে শাহরুখ-দীপিকার রসায়ন এবং এড শিরান-অরিজিৎ সিংয়ের ব্যতিক্রমী সংগীত-সমন্বয় নিয়ে চলছে আলোচনা। গানে দুজনের রোমান্টিক মুহূর্ত দেখে অনেকেই স্মরণ করছেন শাহরুখ-দীপিকা অভিনীত ‘ওম শান্তি ওম’ সিনেমার কথা। পাশাপাশি গানে শাহরুখের সুঠাম শারীরিক গঠনও নজর কেড়েছে দর্শকদের।এদিকে জন্মদিনে শাহরুখের জন্য বিশেষ আয়োজনও করেছে প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান গুগল। মুম্বাইয়ের বান্দ্রা-ওরলি সি লিংকে প্রদর্শন করা হয়েছে তার আসন্ন সিনেমা ‘কিং’-এর বিশেষ প্রচারণামূলক স্থাপনা। গভীর রাতে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে সেই আয়োজন দেখতে যান অভিনেতা। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রদর্শনীর ছবি প্রকাশ করে গুগল জেমিনিকে ধন্যবাদ জানান তিনি।পোস্টে শাহরুখ লেখেন, ‘দোস্ত হো তো গুগল জেমিনি জ্যায়সা।’ অর্থাৎ বন্ধু হলে গুগল জেমিনির মতো হওয়া উচিত। এমন বিশাল আয়োজনের মাধ্যমে ভালোবাসা প্রকাশের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি মজার ছলে বলেন, সিনেমাটি তোলার জন্য তাঁকে লুকিয়ে গাড়ি নিয়ে বের হতে হয়েছিল।সিদ্ধার্থ আনন্দ পরিচালিত ‘কিং’ সিনেমাটি আগামী ২৪ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। এতে শাহরুখ ও দীপিকা ছাড়াও অভিনয় করেছেন অভিষেক বচ্চন, রানী মুখার্জি ও সুহানা খানসহ আরও অনেকে।

আর্জেন্টিনা ফুটবলে বিতর্কিত ‘লাল কার্ড’ নিয়ে অডিও প্রকাশ

আর্জেন্টিনা ফুটবলে বিতর্কিত ‘লাল কার্ড’ নিয়ে অডিও প্রকাশ

স্প্যানিশ ফুটবলে যেমন এল-ক্ল্যাসিকোর উত্তেজনা ছাড়িয়ে যায় সবকিছু, তেমনি আর্জেন্টাইন ফুটবলের ঐতিহ্যবাহী ও রোমাঞ্চকর ‘সুপারক্লাসিকো’ মানেই থাকে বাড়তি উত্তেজনা আর চিরচেনা লড়াই। ঐতিহ্যের লড়াইয়ে নামে আর্জেন্টিনার দুই ক্লাব বোকা জুনিয়র্স ও রিভার প্লেট।দুই দলের সেই হাইভোল্টেজ ম্যাচে উত্তেজনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার মাঠে ঘটে যাওয়া দুই লাল কার্ড নিয়ে অডিও প্রকাশ করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)। রিভার প্লেটের দুই ফুটবলার লুকাস মার্তিনেজ কুয়ার্তা ও গনজালো মন্তিয়েলের সেই আলোচিত লাল কার্ডের পেছনের মূল কথোপকথনের অডিও রেকর্ড প্রকাশ করেছে তারা।ক্লাউসুরা টুর্নামেন্টের আয়োজকদের প্রকাশিত ওই অডিওতে মাঠের রেফারি নিকোলাস রামিরেস এবং ভিএআর (ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি) রুমে থাকা সিলভিও ত্রুক্কোর মধ্যকার আলোচনায় পুরো চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে-- ঠিক কী প্রক্রিয়ায় ওই দুই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।যেভাবে এসেছে লাল কার্ড দুটিম্যাচের শুরুতেই সপ্তম মিনিটে প্রথম লাল কার্ড দেখে রিভার প্লেট। সান্তিয়াগো আসকাসিবারের বাড়ানো একটি উঁচু বল পেয়ে যখন একা গোলমুখে এগিয়ে যাচ্ছিলেন বোকা জুনিয়র্সের মিগেল মেরেন্তিয়েল, তখনই তাকে পেছন থেকে দুই হাত দিয়ে শক্ত করে ধরে ফেলে থামিয়ে দেন রিভারের ডিফেন্ডার মার্তিনেস কুয়ার্তা।তবে ওই মুহূর্তে রেফারি রামিরেস সরাসরি কোনো ফাউলের বাঁশি বাজাননি। পরে বল সাইডলাইন পেরিয়ে বাইরে গেলে ভিএআর রুম থেকে রেফারিকে মনিটরে দেখার অনুরোধ জানান ত্রুক্কো।ভাইরাল হওয়া অডিওতে ত্রুক্কোকে বলতে শোনা যায়, ‘খেলোয়াড়টিকে দুই হাত দিয়ে ধরে আটকে রাখা হয়েছে।’ জবাবে রেফারি রামিরেস বলেন, ‘আমি মাঠের ভেতর থেকে বিষয়টি পরিষ্কার দেখতে পাইনি।’এরপর ভিডিও রিপ্লে দেখে নিজের সিদ্ধান্ত বদলান রেফারি। রামিরেস বলেন, ‘আমি মনিটরে পরিষ্কার দেখছি, ডিফেন্ডার প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে ধরে ফাউল করেছেন। এর ফলে প্রতিপক্ষের গোল করার একটা স্পষ্ট সুযোগ নষ্ট হয়েছে। আমি আমার আগের সিদ্ধান্ত বদলে ফেলছি। এখন আমার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলো—স্বাগতিক দলের পক্ষে সরাসরি ফ্রি-কিক এবং গোল করার পরিষ্কার সুযোগ নষ্ট করার অপরাধে ওই ডিফেন্ডারকে সরাসরি লাল কার্ড।’এদিকে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের ৩৪তম মিনিটে আসে দ্বিতীয় লাল কার্ডের ধাক্কা। এবার বোকা ডিফেন্ডার লাউতারো ব্লাঙ্কোর গোড়ালিতে সজোরে পেছন থেকে লাথি মারায় সরাসরি লাল কার্ড দেখেন রিভারের মন্তিয়েল। মাঠের রেফারি সঙ্গে সঙ্গেই লাল কার্ড দেখালেও সেটি ভালোভাবে যাচাই করতে ভিএআরের সাহায্য নেওয়া হয়।ভিএআর সহকারী গাস্তোন সুয়ারেজ তখন জানান, ‘আমার কাছে মনে হচ্ছে এটি শতভাগ সঠিক লাল কার্ড। সে সরাসরি প্রতিপক্ষের গোড়ালিতে আঘাত করেছে। আঘাতের তীব্রতা, শক্তি এবং গতি—সবকিছুই বেশ বিপজ্জনক ছিল।’আরেক কর্মকর্তা ত্রুক্কোও তার সঙ্গে একমত হয়ে বলেন, ‘হ্যাঁ, পা অনেক বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। আঘাতে যথেষ্ট শক্তি ছিল। বুটের স্টাড সরাসরি গোড়ালির নরম জায়গায় আঘাত করায় বড় ধরনের চোট বা গোড়ালি মচকে যাওয়ার মতো মারাত্মক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারত।’ভিএআর রুম থেকে সায় পাওয়ার পর রেফারি নিজের লাল কার্ডের সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন। যার ফলে ম্যাচের শেষভাগে এসে ৯ জনের দলে পরিণত হয় রিভার প্লেট।রিভার প্লেটের তীব্র ক্ষোভম্যাচের এই দুটি লাল কার্ডের সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরু থেকেই চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছে রিভার প্লেট শিবির। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ক্লাবের কর্মকর্তা লিওনার্দো পোনজিও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে কঠোর সমালোচনা করেন।একই সুর শোনা গেছে মিক্সড জোনে কথা বলা ফুটবলার নিকোলাস ওতামেন্দি ও মন্তিয়ালের গলাতেও। পোনজিওর দাবি, ম্যাচে বোকা জুনিয়র্সের খেলোয়াড়দের একাধিকবার লাল কার্ড পাওয়ার মতো অপরাধ থাকলেও রেফারি তা এড়িয়ে গেছেন।পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, ডিফেন্ডার ওতামেন্দি ক্ষোভ প্রকাশ করে কড়া ভাষায় বলেন, ‘আগামীতে কোন দল চ্যাম্পিয়ন হবে, সেটা যদি আগে থেকেই ঠিক করে দেওয়া হয়, তবে আমাদের আর টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার বা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কোনো মানেই হয় না!’

অনলাইন জরিপ
২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৫৭ পিএম
ব্যাটারিচালিত রিকশা কোন সড়কে চলবে, তা নির্ধারণ করবে সরকার। আপনিও কি তাই মনে করেন?

ব্যাটারিচালিত রিকশা কোন সড়কে চলবে, তা নির্ধারণ করবে সরকার। আপনিও কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ১ জন