মুন টাইমস নিউজ
জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে জাপানে চার দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দিনগত রাতে দেশে ফেরেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন বলেন, প্রধানমন্ত্রী, তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট আজ রাত ২টা ৪৮ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।শাহাদাৎ স্বাধীন আরও বলেন, ফ্লাইটটি বৃহস্পতিবার জাপানের স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৫৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়।হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী এসে পৌঁছালে বিমানবন্দরে তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, মন্ত্রী পরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী প্রমুখ।জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে গত ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জাপান সফর করেন তারেক রহমান। সফরকালে তিনি উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় অংশ নেন, জাপানের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও ব্যবসায়িক নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও জ্বালানি স্থাপনা পরিদর্শন করেন।মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকে দুই নেতা বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি নিরাপত্তা, অবকাঠামো, প্রযুক্তি, মহাকাশ গবেষণা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেন।এছাড়া বাংলাদেশের জ্বালানি, অবকাঠামো এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে এক ট্রিলিয়ন জাপানি ইয়েন (প্রায় ৬.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) বেসরকারি বিনিয়োগের প্রস্তাব নিয়েও তাঁরা আলোচনা করেন। বিনিয়োগ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের গতি ত্বরান্বিত করতে জাপানি একটি প্রতিনিধি দলকে বাংলাদেশে পাঠানোর বিষয়েও তাঁরা আলোচনা করেন।সফরকালে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ছয়টি দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা দলিল স্বাক্ষরিত হয়েছে।পাশাপাশি, মোট ৪৬.৫৬ বিলিয়ন জাপানি ইয়েন (প্রায় ২৯৫.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) মূল্যের দুটি ‘ইয়েন-লোন’ (ঋণ সহায়তা) প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে।এই চুক্তিগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলীয় নিরাপত্তা সক্ষমতা জোরদার করার লক্ষ্যে একটি টহল জাহাজ সংগ্রহের জন্য ২.১২ বিলিয়ন জাপানি ইয়েন (১৩.৪৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) পর্যন্ত অনুদান সহায়তা সংক্রান্ত চুক্তিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।উভয় দেশ ব্যবসায়িক পরিবেশের উন্নয়ন, কৃষি, দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান কর্মসূচি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে সহযোগিতার বিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সহযোগিতার জন্য একটি ‘লেটার অব ইনটেন্ট’ বা আগ্রহপত্রও স্বাক্ষরিত হয়েছে।ঋণ সহায়তাপুষ্ট দুটি প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়ন এবং ‘উপজেলা শাসন ও উন্নয়ন প্রকল্প’-এর দ্বিতীয় পর্যায় বাস্তবায়নে সহায়তা করা হবে।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, সরকারি পর্যায়ের চুক্তির বাইরেও জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেট্রো)-তে বেসরকারি খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৭টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী টোকিওতে জেট্রো সদর দপ্তরে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-জাপান ইকোনমিক ফোরাম ডায়ালগ’-এ বক্তব্য রাখেন। এ সময় তিনি জাপানি কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশের পাঁচটি অগ্রাধিকারমূলক খাত-অটোমোবাইল উৎপাদন, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও মহাকাশ খাত, উচ্চগতির রেল ও লজিস্টিকস এবং কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেন।সফরকালে তিনি জাপানের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, উন্নয়ন সহযোগী এবং ব্যবসায়িক নেতাদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।তাঁদের মধ্যে ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসো, জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সির (জাইকা) প্রেসিডেন্ট ড. আকিহিকো তানাকা, জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশনের (জেবিআইসি) গভর্নর কাজুহিকো আমাকাওয়া এবং জেট্রোর প্রেসিডেন্ট সুসুমু কাতাওকা।পোশাক খাতের জায়ান্ট ইউনিক্লো, মিতসুই অ্যান্ড কোং, সুমিতোমো কর্পোরেশন এবং জেরা-সহ জাপানের বড় বড় কোম্পানির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, কারখানা স্থাপন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগগুলো নিয়ে আলোচনা করেন।জাপানের জ্বালানি ও লজিস্টিকস অবকাঠামো সরেজমিনে দেখার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ফুত্তসুতে অবস্থিত ‘জেরা’-এর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং ইচিকাওয়াতে অবস্থিত ‘নিতসু’ লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করেন।বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী নাগোয়া সফর করেন এবং জাপানের অটোমোবাইল উৎপাদন সক্ষমতা প্রত্যক্ষ করতে টয়োটা মোটর কর্পোরেশনের মোতোমাচি কারখানা ও ‘টয়োটা মেমোরিয়েটিভ মিউজিয়াম অব ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড টেকনোলজি’ পরিদর্শন করেন।সেখানে তিনি জাপানের অটোমোবাইল উৎপাদন সক্ষমতা প্রত্যক্ষ করেন।প্রধানমন্ত্রীর এই সফরটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হলো যখন বাংলাদেশ ও জাপান তাদের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে। এটি উভয় দেশের প্রথম ‘ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট’ (ইপিএ) বাণিজ্য ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করার ক্ষেত্রে একটি নতুন কাঠামো প্রদান করবে। জাপান দীর্ঘকাল ধরে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করে আসছে। তারা ঢাকা মেট্রোরেল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পগুলোতে সহায়তা প্রদান করেছে।

জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে জাপানে চার দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দিনগত রাতে দেশে ফেরেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন বলেন, প্রধানমন্ত্রী, তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট আজ রাত ২টা ৪৮ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।শাহাদাৎ স্বাধীন আরও বলেন, ফ্লাইটটি বৃহস্পতিবার জাপানের স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৫৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়।হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী এসে পৌঁছালে বিমানবন্দরে তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, মন্ত্রী পরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী প্রমুখ।জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে গত ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জাপান সফর করেন তারেক রহমান। সফরকালে তিনি উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় অংশ নেন, জাপানের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও ব্যবসায়িক নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও জ্বালানি স্থাপনা পরিদর্শন করেন।মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকে দুই নেতা বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি নিরাপত্তা, অবকাঠামো, প্রযুক্তি, মহাকাশ গবেষণা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেন।এছাড়া বাংলাদেশের জ্বালানি, অবকাঠামো এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে এক ট্রিলিয়ন জাপানি ইয়েন (প্রায় ৬.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) বেসরকারি বিনিয়োগের প্রস্তাব নিয়েও তাঁরা আলোচনা করেন। বিনিয়োগ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের গতি ত্বরান্বিত করতে জাপানি একটি প্রতিনিধি দলকে বাংলাদেশে পাঠানোর বিষয়েও তাঁরা আলোচনা করেন।সফরকালে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ছয়টি দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা দলিল স্বাক্ষরিত হয়েছে।পাশাপাশি, মোট ৪৬.৫৬ বিলিয়ন জাপানি ইয়েন (প্রায় ২৯৫.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) মূল্যের দুটি ‘ইয়েন-লোন’ (ঋণ সহায়তা) প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে।এই চুক্তিগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলীয় নিরাপত্তা সক্ষমতা জোরদার করার লক্ষ্যে একটি টহল জাহাজ সংগ্রহের জন্য ২.১২ বিলিয়ন জাপানি ইয়েন (১৩.৪৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) পর্যন্ত অনুদান সহায়তা সংক্রান্ত চুক্তিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।উভয় দেশ ব্যবসায়িক পরিবেশের উন্নয়ন, কৃষি, দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান কর্মসূচি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে সহযোগিতার বিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সহযোগিতার জন্য একটি ‘লেটার অব ইনটেন্ট’ বা আগ্রহপত্রও স্বাক্ষরিত হয়েছে।ঋণ সহায়তাপুষ্ট দুটি প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়ন এবং ‘উপজেলা শাসন ও উন্নয়ন প্রকল্প’-এর দ্বিতীয় পর্যায় বাস্তবায়নে সহায়তা করা হবে।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, সরকারি পর্যায়ের চুক্তির বাইরেও জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেট্রো)-তে বেসরকারি খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৭টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী টোকিওতে জেট্রো সদর দপ্তরে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-জাপান ইকোনমিক ফোরাম ডায়ালগ’-এ বক্তব্য রাখেন। এ সময় তিনি জাপানি কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশের পাঁচটি অগ্রাধিকারমূলক খাত-অটোমোবাইল উৎপাদন, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও মহাকাশ খাত, উচ্চগতির রেল ও লজিস্টিকস এবং কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেন।সফরকালে তিনি জাপানের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, উন্নয়ন সহযোগী এবং ব্যবসায়িক নেতাদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।তাঁদের মধ্যে ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসো, জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সির (জাইকা) প্রেসিডেন্ট ড. আকিহিকো তানাকা, জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশনের (জেবিআইসি) গভর্নর কাজুহিকো আমাকাওয়া এবং জেট্রোর প্রেসিডেন্ট সুসুমু কাতাওকা।পোশাক খাতের জায়ান্ট ইউনিক্লো, মিতসুই অ্যান্ড কোং, সুমিতোমো কর্পোরেশন এবং জেরা-সহ জাপানের বড় বড় কোম্পানির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, কারখানা স্থাপন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগগুলো নিয়ে আলোচনা করেন।জাপানের জ্বালানি ও লজিস্টিকস অবকাঠামো সরেজমিনে দেখার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ফুত্তসুতে অবস্থিত ‘জেরা’-এর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং ইচিকাওয়াতে অবস্থিত ‘নিতসু’ লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করেন।বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী নাগোয়া সফর করেন এবং জাপানের অটোমোবাইল উৎপাদন সক্ষমতা প্রত্যক্ষ করতে টয়োটা মোটর কর্পোরেশনের মোতোমাচি কারখানা ও ‘টয়োটা মেমোরিয়েটিভ মিউজিয়াম অব ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড টেকনোলজি’ পরিদর্শন করেন।সেখানে তিনি জাপানের অটোমোবাইল উৎপাদন সক্ষমতা প্রত্যক্ষ করেন।প্রধানমন্ত্রীর এই সফরটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হলো যখন বাংলাদেশ ও জাপান তাদের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে। এটি উভয় দেশের প্রথম ‘ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট’ (ইপিএ) বাণিজ্য ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করার ক্ষেত্রে একটি নতুন কাঠামো প্রদান করবে। জাপান দীর্ঘকাল ধরে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করে আসছে। তারা ঢাকা মেট্রোরেল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পগুলোতে সহায়তা প্রদান করেছে।

যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। এ উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সংগঠনটি।কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, দোয়া-মোনাজাত, রক্তদান, বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা, আলোচনাসভা, র‌্যালি ও সমাবেশ। এ ছাড়া দেশজুড়ে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পালন করবেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচির কথা জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রথম দিন আজ সকাল ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ এবং দোয়া-মোনাজাত করা হবে।এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী।কর্মসূচিতে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ যুবদলের নেতাকর্মীরা অংশ নেবেন।একই দিন দুপুর ১২টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে যুবদলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় রক্তদান কর্মসূচি ও বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম শুরু হবে।এ ছাড়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে আলোচনাসভা, র‌্যালি, সমাবেশ, স্বেচ্ছায় রক্তদান, বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা, বৃক্ষরোপণ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, মাছের পোনা অবমুক্তকরণ এবং দুস্থদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণসহ নানা সামাজিক কর্মসূচি পালন করা হবে। সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলো নিজেদের নির্ধারিত সময়ে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।ঘোষিত কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন ২৮ অক্টোবর উপজেলা, থানা, পৌরসভা ও অধস্তন ইউনিটগুলো নিজ নিজ সুবিধাজনক সময়ে এসব কর্মসূচি পালন করবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

তিন দেশের চলচ্চিত্র উৎসবে রেজওয়ান সুমিতের ‘মাস্টার’

তিন দেশের চলচ্চিত্র উৎসবে রেজওয়ান সুমিতের ‘মাস্টার’

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ‘মাস্টার’ নিয়ে নতুন সুখবর দিলেন নির্মাতা রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত। যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের তিনটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে তার নির্মিত সিনেমাটি। উৎসবগুলোর মধ্যে রয়েছে লিডস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, বেলফাস্ট চলচ্চিত্র উৎসব ও নরওয়ের ‘ফিল্মস ফ্রম দ্য সাউথ’।সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি জানিয়েছেন নির্মাতা নিজেই। সেখানে তিনি জানান, ৩০ ও ৩১ অক্টোবর যুক্তরাজ্যের লিডস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হবে ‘মাস্টার’। এরপর ১ নভেম্বর বেলফাস্ট চলচ্চিত্র উৎসবে দেখানো হবে সিনেমাটি। সবশেষে ৯ থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত নরওয়ের অসলোতে অনুষ্ঠিত ‘ফিল্মস ফ্রম দ্য সাউথ’ উৎসবে দেখা যাবে ছবিটি।লিডস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের মূল আকর্ষণীয় বিভাগ ‘কনস্টেলেশন’-এ জায়গা করে নিয়েছে ‘মাস্টার’। এ প্রসঙ্গে সুমিত জানান, ‘দ্য সল্ট ইন আওয়ার ওয়াটার্স’ সিনেমার পর দ্বিতীয়বারের মতো এই উৎসবে অংশ নিচ্ছেন তিনি।সিনেমাটি নিয়ে প্রশংসা করেছে সংশ্লিষ্ট উৎসবগুলোও। লিডস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের পক্ষ থেকে ‘মাস্টার’কে বাংলাদেশের একটি চতুর ও টানটান উত্তেজনাপূর্ণ রাজনৈতিক নাট্যধর্মী সিনেমা হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। তাদের ভাষ্য, ক্ষমতার সূক্ষ্ম প্রভাব কীভাবে মানুষ ও সমাজকে দুর্নীতিগ্রস্ত করে তোলে, তা অসাধারণভাবে তুলে ধরেছে ছবিটি।অন্যদিকে, বেলফাস্ট চলচ্চিত্র উৎসবের পক্ষ থেকে সিনেমাটির নির্মাণশৈলীর প্রশংসা করা হয়েছে। উৎসব কর্তৃপক্ষের মতে, রং, বাস্তব প্রশাসনিক স্থাপনা ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দক্ষ ব্যবহারের মাধ্যমে ছবিটিতে একটি প্রাণবন্ত ও জটিল জগৎ তুলে ধরা হয়েছে।পোস্টে রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত উল্লেখ করেন, ‘মাস্টার’ সমকালীন বিশ্বকে প্রভাবিত করা ক্ষমতার নীরব ও পরিবর্তনশীল কাঠামো নিয়ে নির্মিত একটি চলচ্চিত্র। লিডস, বেলফাস্ট ও অসলোতে বসবাসরত দর্শকদের পাশাপাশি সেখানে থাকা বন্ধু ও স্বজনদেরও ছবিটির প্রদর্শনীতে আমন্ত্রণ জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশের মাথাব্যথা দূর করলেন শরিফুল

মিরপুর টেস্ট / বাংলাদেশের মাথাব্যথা দূর করলেন শরিফুল

গতকাল দ্বিতীয় সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটার তেজনারায়ণ চন্দ্রপল। কালকের দিন পার আজও বাংলাদেশের মাথাব্যথার কারণ হয়ে ছিলেন তিনি। অবশেষে সেটি দূর করলেন শরিফুল ইসলাম। তার বলে দারুণ ক্যাচ নিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তৃতীয় দিনের প্রথম উইকেট পেল বাংলাদেশ। আজ শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৬০ ওভার ব্যাট করে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭১ রান করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এখনো পিছিয়ে আছে ১০১ রানে।তৃতীয় দিনেও ১০ ওভার খেলা হয়েছে তবে ক্যারিবীয়ানদের ব্যাটিংয়ে সেভাবে চাপ তৈরি করতে পারছিল না বাংলাদেশ। বেশ স্বাচ্ছন্দেই খেলছিল সফরকারী দুই ব্যাটার। প্রথমে একপ্রান্তে হাসান মাহমুদ আর অন্যপ্রান্তে তাইজুল ইসলামকে দিয়ে চেষ্টা করছিলেন অধিনায়ক শান্ত। সফল না হওয়ায় বোলিংয়ে পরিবর্তন আনেন তিনি।সফলতাও এলো। তৃতীয় দিনের নিজের দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট তুলে নিলেন শরিফুল। ইনিংসের ৫৯তম ওভারের দ্বিতীয় বলে কাভার ড্রাইভ করতে চেয়েছিলেন চন্দ্রপল। তবে ব্যাটে-বলে সংযোগটা ঠিকমতো হয়নি। ব্যাট ছুঁয়ে বল চলে যায় স্লিপে থাকা শান্তর কাছে। সেটি তালুবন্দি করতে ভুল করেননি শান্ত। চন্দ্রপল ফিরেছেন ১৮৪ বলে ৫৬ রান করে।শুরু হলো তৃতীয় দিনের খেলা, লক্ষ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দ্রুত গুটিয়ে দেওয়ামিরপুরে প্রথম দু’দিনই পুরো ৯০ ওভারের খেলা হয়নি। প্রথম দিনে সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় আলোকস্বল্পতা আর দ্বিতীয় দিনে বাঁধসাধে বৃষ্টি। দু’দিন মিলে খেলা কম হয়েছে প্রায় প্রায় ৩৫ ওভারের মতো। প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিনের পুরোটাও নিজেদের করে নিতে পারেনি বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিনের প্রথম দুই সেশন দাপট দেখিয়েছে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে তৃতীয় সেশনে এসে ঘুরে দাঁড়ায় টাইগাররা। দ্রুত উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে ফিরেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ফলে প্রাপ্তি আর আক্ষেপের দোলাচল নিয়েই দিন শেষ করেছিল বাংলাদেশ।গতকাল ব্যাটিংয়ে নেমে ৪৮ ওভার ব্যাট করে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রান করে দিন শেষ করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৪৫ বল খেলে ৪৩ রানে অপরাজিত আছেন তেজনারায়ণ চন্দ্রপল আর ২২ বলে ১৫ রানে জাস্টিন গ্রেভস। এর আগে বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে করেছিল ২৭১২ রান। ফলে ক্যারিবীয়ানরা এখনো পিছিয়ে আছে ১৩৮ রানে।আজ শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনটা গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশের জন্য। সকালের ফ্রেশ উইকেটের সুবিধা কাজে লাগিয়ে যতটা সম্ভব পারা যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের উইকেট তুলে নিতে হবে।

আগামী অর্থবছরের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতের চেহারা বদলানোর লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আগামী অর্থবছরের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতের চেহারা বদলানোর লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আগামী অর্থবছরের মধ্যে দেশের স্বাস্থ্য খাতের চেহারা বদলে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, গ্রাম পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধি, ক্যানসার চিকিৎসার সক্ষমতা বাড়ানো এবং প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগসহ বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচার থিয়েটারে আয়োজিত ‘মেডিকেল ফিজিক্স কার্যক্রমের উদ্বোধন’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।তিনি বলেন, ‘আমরা এখন থেকে প্রত্যেক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যার হাসপাতালে রূপান্তরিত করতে যাচ্ছি।’ এ ছাড়া ইউনিয়ন পর্যায়ে অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি প্রতি তিনটি ওয়ার্ডে একটি করে পরিবারকল্যাণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আগের কমিউনিটি ক্লিনিককে আমরা হেলথ ওয়েলবিং সেন্টারে রূপান্তরিত করব।’ প্রাথমিক পর্যায়ে নারী-পুরুষের রোগের ইতিহাস, জন্ম, ওজন, উচ্চ রক্তচাপসহ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যতথ্য নথিভুক্ত করে কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‌‘আগামী অর্থবছরের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা খাতের চেহারা পরিবর্তন হবে, ইনশা আল্লাহ।’ক্যানসার চিকিৎসায় ১৭টি যন্ত্র আনার উদ্যোগদেশে ক্যানসার চিকিৎসার সুযোগ বাড়াতে ১৭টি লিনিয়ার অ্যাকসিলারেটর বা রেডিওথেরাপি যন্ত্র আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এসব যন্ত্র স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষ কক্ষ নির্মাণ ও সংস্কারের কাজ চলছে। আগামী অর্থবছরে আরও কক্ষ নির্মাণ করা হবে।তিনি বলেন, আট বিভাগে রেডিওথেরাপি সেবা সম্প্রসারণের পাশাপাশি জেলা পর্যায়েও এ সেবা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।রেডিওথেরাপি যন্ত্র পরিচালনার জন্য দক্ষ জনবল তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এ কাজে মেডিকেল ফিজিসিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, রেডিওথেরাপিতে বিকিরণের মাত্রা নির্ধারণে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। মাত্রা নির্ধারণে ভুল হলে রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে পারে এবং চিকিৎসকের পেশাগত বিশ্বাসযোগ্যতাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।মেডিকেল ফিজিসিস্ট নিয়োগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় জনবলের সংখ্যা নির্ধারণ করে দ্রুত চিঠি প্রস্তুতের জন্য সংশ্লিষ্ট চিকিৎসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। চিঠিটি প্রশাসনের কাছে পাঠিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে অগ্রগতি আনার পরিকল্পনা রয়েছে।প্রশিক্ষণ ও রোবোটিক অস্ত্রোপচারে গুরুত্বস্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রেডিওথেরাপি যন্ত্রের সংখ্যা বাড়ালেই হবে না, সেগুলো পরিচালনার জন্য দক্ষ জনবলও নিশ্চিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে প্রযুক্তিবিদ ও কারিগরি কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে তাঁদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ক্যানসার চিকিৎসার বিভিন্ন ইউনিটে প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করতে নার্সদেরও প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।এ ছাড়া প্রথমবারের মতো দেশে পাঁচটি রোবোটিক অস্ত্রোপচারের যন্ত্র আনা হবে বলেও জানান তিনি।ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল ফিজিক্স কার্যক্রমের প্রশংসা করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসাসেবায় এ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষ মেডিকেল ফিজিসিস্ট তৈরিতে বিশ্ববিদ্যালয়টির উদ্যোগে সরকার সহযোগিতা করবে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

অনলাইন জরিপ
২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৫৭ পিএম
ব্যাটারিচালিত রিকশা কোন সড়কে চলবে, তা নির্ধারণ করবে সরকার। আপনিও কি তাই মনে করেন?

ব্যাটারিচালিত রিকশা কোন সড়কে চলবে, তা নির্ধারণ করবে সরকার। আপনিও কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ১ জন