শরীর হঠাৎ করেই বড় কোনো রোগে আক্রান্ত হয় না। অনেক সময় আগে থেকেই নানা সংকেত দিতে থাকে। কিন্তু কাজের চাপ, ঘুমের অভাব বা সাময়িক সমস্যা ভেবে আমরা সেগুলো এড়িয়ে যাই। ক্যান্সারের ক্ষেত্রেও এমন কিছু লক্ষণ দেখা দিতে পারে, যেগুলো দীর্ঘদিন থাকলে সতর্ক হওয়া জরুরি।
জনস হপকিন্স মেডিসিনের তথ্য অনুযায়ী, কারণ ছাড়াই ওজন কমে যাওয়া এমন একটি লক্ষণ। খাদ্যাভ্যাস বা ব্যায়ামে পরিবর্তন না এনেও কয়েক মাসে প্রায় সাড়ে চার কেজি বা তার বেশি ওজন কমলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
দ্বিতীয়ত, পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরও অস্বাভাবিক ক্লান্তি থাকলে বিষয়টি গুরুত্ব দিতে হবে। তবে রক্তস্বল্পতা বা ঘুমের সমস্যাসহ আরও অনেক কারণেও এমন হতে পারে।
তৃতীয়ত, কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই বারবার জ্বর আসা, বিশেষ করে রাতে অতিরিক্ত ঘামের সঙ্গে জ্বর হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
চতুর্থত, দীর্ঘদিনের বা কারণবিহীন শরীর ব্যথা। ব্যথা বাড়তে থাকলে কিংবা বারবার ফিরে এলে পরীক্ষা করানো জরুরি।
আর পঞ্চমত, ত্বক বা তিলের অস্বাভাবিক পরিবর্তন। তিলের রং, আকার বা আকৃতি বদলে গেলে কিংবা ত্বক বা চোখ হলুদ হয়ে গেলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত।
তবে মনে রাখতে হবে, এসব লক্ষণ দেখা দিলেই ক্যান্সার হয়েছে এমন নয়। অন্য অনেক কারণেও এগুলো হতে পারে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শরীর হঠাৎ করেই বড় কোনো রোগে আক্রান্ত হয় না। অনেক সময় আগে থেকেই নানা সংকেত দিতে থাকে। কিন্তু কাজের চাপ, ঘুমের অভাব বা সাময়িক সমস্যা ভেবে আমরা সেগুলো এড়িয়ে যাই। ক্যান্সারের ক্ষেত্রেও এমন কিছু লক্ষণ দেখা দিতে পারে, যেগুলো দীর্ঘদিন থাকলে সতর্ক হওয়া জরুরি।
জনস হপকিন্স মেডিসিনের তথ্য অনুযায়ী, কারণ ছাড়াই ওজন কমে যাওয়া এমন একটি লক্ষণ। খাদ্যাভ্যাস বা ব্যায়ামে পরিবর্তন না এনেও কয়েক মাসে প্রায় সাড়ে চার কেজি বা তার বেশি ওজন কমলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
দ্বিতীয়ত, পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরও অস্বাভাবিক ক্লান্তি থাকলে বিষয়টি গুরুত্ব দিতে হবে। তবে রক্তস্বল্পতা বা ঘুমের সমস্যাসহ আরও অনেক কারণেও এমন হতে পারে।
তৃতীয়ত, কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই বারবার জ্বর আসা, বিশেষ করে রাতে অতিরিক্ত ঘামের সঙ্গে জ্বর হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
চতুর্থত, দীর্ঘদিনের বা কারণবিহীন শরীর ব্যথা। ব্যথা বাড়তে থাকলে কিংবা বারবার ফিরে এলে পরীক্ষা করানো জরুরি।
আর পঞ্চমত, ত্বক বা তিলের অস্বাভাবিক পরিবর্তন। তিলের রং, আকার বা আকৃতি বদলে গেলে কিংবা ত্বক বা চোখ হলুদ হয়ে গেলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত।
তবে মনে রাখতে হবে, এসব লক্ষণ দেখা দিলেই ক্যান্সার হয়েছে এমন নয়। অন্য অনেক কারণেও এগুলো হতে পারে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

আপনার মতামত লিখুন