মিষ্টি না খেলেও বাড়তে পারে রক্তে শর্করা! কারণ, প্রতিদিনের কিছু ভুল অভ্যাসও সুগার নিয়ন্ত্রণে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে সকালের এই ৫টি অভ্যাস।
প্রথমত, খালি পেটে চিনি দেওয়া চা বা কফি। ঘুম থেকে উঠেই চা-কফির সঙ্গে চিনি বা বিস্কুট খেলে রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়তে পারে। তাই আগে পুষ্টিকর নাশতা করা ভালো।
দ্বিতীয়ত, ঘুম থেকে উঠে দীর্ঘক্ষণ মোবাইল স্ক্রল করে বসে থাকা। সকালে কিছুটা হাঁটাচলা করলে শরীর সক্রিয় হয় এবং গ্লুকোজ ব্যবহারে সহায়তা করে।
তৃতীয়ত, সকালে ধূমপান করা। নিকোটিন ইনসুলিনের কার্যকারিতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
চতুর্থত, সকালে পানি না খাওয়া। ঘুমের পর শরীরে কিছুটা পানিশূন্যতা থাকতে পারে। তাই দিনের শুরুতে পর্যাপ্ত পানি পান করা ভালো অভ্যাস।
আর পঞ্চমত, নাশতা অযথা অনেক দেরি করে করা। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে শরীর লিভার থেকে গ্লুকোজ রক্তে ছাড়তে পারে, যা কিছু মানুষের ক্ষেত্রে সুগার বাড়াতে পারে।
তাই সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে শুধু মিষ্টি কমানো নয় সকালের এই অভ্যাসগুলোও ঠিক করুন। নিয়মিত হাঁটুন, সুষম নাশতা করুন এবং ধূমপান এড়িয়ে চলুন।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
মিষ্টি না খেলেও বাড়তে পারে রক্তে শর্করা! কারণ, প্রতিদিনের কিছু ভুল অভ্যাসও সুগার নিয়ন্ত্রণে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে সকালের এই ৫টি অভ্যাস।
প্রথমত, খালি পেটে চিনি দেওয়া চা বা কফি। ঘুম থেকে উঠেই চা-কফির সঙ্গে চিনি বা বিস্কুট খেলে রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়তে পারে। তাই আগে পুষ্টিকর নাশতা করা ভালো।
দ্বিতীয়ত, ঘুম থেকে উঠে দীর্ঘক্ষণ মোবাইল স্ক্রল করে বসে থাকা। সকালে কিছুটা হাঁটাচলা করলে শরীর সক্রিয় হয় এবং গ্লুকোজ ব্যবহারে সহায়তা করে।
তৃতীয়ত, সকালে ধূমপান করা। নিকোটিন ইনসুলিনের কার্যকারিতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
চতুর্থত, সকালে পানি না খাওয়া। ঘুমের পর শরীরে কিছুটা পানিশূন্যতা থাকতে পারে। তাই দিনের শুরুতে পর্যাপ্ত পানি পান করা ভালো অভ্যাস।
আর পঞ্চমত, নাশতা অযথা অনেক দেরি করে করা। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে শরীর লিভার থেকে গ্লুকোজ রক্তে ছাড়তে পারে, যা কিছু মানুষের ক্ষেত্রে সুগার বাড়াতে পারে।
তাই সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে শুধু মিষ্টি কমানো নয় সকালের এই অভ্যাসগুলোও ঠিক করুন। নিয়মিত হাঁটুন, সুষম নাশতা করুন এবং ধূমপান এড়িয়ে চলুন।

আপনার মতামত লিখুন