দুপুরের খাবার আর রাতের খাবারের মাঝখানে ক্ষুধা লাগা খুবই স্বাভাবিক। আর এই সময় সঠিকভাবে নাস্তা করতে পারলে অতিরিক্ত ক্ষুধা এবং পরে বেশি খাওয়ার প্রবণতা কমানো সম্ভব।
কিন্তু বিকেলের নাস্তায় অনেকেই শুধু এক বাটি ফল কিংবা একটি কলা খেয়ে থাকেন। ফল অবশ্যই স্বাস্থ্যকর, তবে শুধু ফলের বদলে এর সঙ্গে কিছু প্রোটিন, আঁশ এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট যোগ করলে নাস্তাটি আরও পরিপূর্ণ হয়।
কারণ, ফলের প্রাকৃতিক চিনি দ্রুত হজম হতে পারে। অন্যদিকে বাদাম, দই কিংবা প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারের সঙ্গে ফল খেলে হজম ও শর্করা শোষণের গতি তুলনামূলক ধীর হতে পারে। ফলে দীর্ঘসময় পেট ভরা থাকার অনুভূতি পাওয়া যায় এবং পরের খাবারে অতিরিক্ত খাওয়ার সম্ভাবনাও কমে।
তাই বিকেলের নাস্তায় রাখতে পারেন একটি ফলের সঙ্গে এক মুঠো কাঠবাদাম, আখরোট বা চিনাবাদাম। চাইলে ফলের সঙ্গে চিনি ছাড়া টক দইও খেতে পারেন। লক্ষ্য রাখতে পারেন, নাস্তায় যেন কিছুটা প্রোটিন ও আঁশ থাকে।
আরেকটি বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ ক্ষুধা না লাগলেও প্রতি এক-দুই ঘণ্টা পরপর শুধু অভ্যাসবশত স্ন্যাকিং করা ঠিক নয়। চিপস, বিস্কুট বা অতিরিক্ত মিষ্টিজাতীয় খাবারের বদলে পুষ্টিকর খাবার বেছে নিন এবং পরিমাণের দিকেও খেয়াল রাখুন।
মনে রাখবেন, শুধু একটি খাবার বাদ দিলেই পেটের মেদ কমে না। স্বাস্থ্যকর ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন সামগ্রিক সুষম খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম, ঘুম এবং মোট ক্যালরি গ্রহণের দিকে নজর দেওয়া।
তাই ফল খাবেন, তবে ফলকে একা নয় প্রয়োজনে প্রোটিন, আঁশ ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের সঙ্গে মিলিয়ে নিন। ছোট এই অভ্যাসটাই আপনার নাস্তাকে আরও স্বাস্থ্যকর করে তুলতে পারে।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
দুপুরের খাবার আর রাতের খাবারের মাঝখানে ক্ষুধা লাগা খুবই স্বাভাবিক। আর এই সময় সঠিকভাবে নাস্তা করতে পারলে অতিরিক্ত ক্ষুধা এবং পরে বেশি খাওয়ার প্রবণতা কমানো সম্ভব।
কিন্তু বিকেলের নাস্তায় অনেকেই শুধু এক বাটি ফল কিংবা একটি কলা খেয়ে থাকেন। ফল অবশ্যই স্বাস্থ্যকর, তবে শুধু ফলের বদলে এর সঙ্গে কিছু প্রোটিন, আঁশ এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট যোগ করলে নাস্তাটি আরও পরিপূর্ণ হয়।
কারণ, ফলের প্রাকৃতিক চিনি দ্রুত হজম হতে পারে। অন্যদিকে বাদাম, দই কিংবা প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারের সঙ্গে ফল খেলে হজম ও শর্করা শোষণের গতি তুলনামূলক ধীর হতে পারে। ফলে দীর্ঘসময় পেট ভরা থাকার অনুভূতি পাওয়া যায় এবং পরের খাবারে অতিরিক্ত খাওয়ার সম্ভাবনাও কমে।
তাই বিকেলের নাস্তায় রাখতে পারেন একটি ফলের সঙ্গে এক মুঠো কাঠবাদাম, আখরোট বা চিনাবাদাম। চাইলে ফলের সঙ্গে চিনি ছাড়া টক দইও খেতে পারেন। লক্ষ্য রাখতে পারেন, নাস্তায় যেন কিছুটা প্রোটিন ও আঁশ থাকে।
আরেকটি বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ ক্ষুধা না লাগলেও প্রতি এক-দুই ঘণ্টা পরপর শুধু অভ্যাসবশত স্ন্যাকিং করা ঠিক নয়। চিপস, বিস্কুট বা অতিরিক্ত মিষ্টিজাতীয় খাবারের বদলে পুষ্টিকর খাবার বেছে নিন এবং পরিমাণের দিকেও খেয়াল রাখুন।
মনে রাখবেন, শুধু একটি খাবার বাদ দিলেই পেটের মেদ কমে না। স্বাস্থ্যকর ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন সামগ্রিক সুষম খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম, ঘুম এবং মোট ক্যালরি গ্রহণের দিকে নজর দেওয়া।
তাই ফল খাবেন, তবে ফলকে একা নয় প্রয়োজনে প্রোটিন, আঁশ ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের সঙ্গে মিলিয়ে নিন। ছোট এই অভ্যাসটাই আপনার নাস্তাকে আরও স্বাস্থ্যকর করে তুলতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন