একসময় ভোরে ঘুম থেকে উঠে পেট ভরে নাশতা করে কাজে বের হওয়া ছিল আমাদের সংস্কৃতির অংশ। কিন্তু ব্যস্ত জীবন, রাত জাগা ও ওজন কমানোর ভুল ধারণার কারণে অনেকেই এখন সকালের নাশতা এড়িয়ে চলেন। অথচ সুস্থ থাকতে সকালের নাশতা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
সকালের নাশতা শরীরে দিনের কাজের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি জোগায়, মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা ও মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখে। নাশতা না করলে দীর্ঘ সময় পেট খালি থাকে, ফলে দুপুরে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হতে পারে। এতে ওজন নিয়ন্ত্রণ কঠিন হওয়ার পাশাপাশি শরীরেও নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।
নিয়মিত নাশতা না করার সঙ্গে হৃদরোগ ও টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ার সম্পর্কও বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে। এছাড়া দুর্বলতা, ক্লান্তি, মনোযোগের ঘাটতি ও হজমের সমস্যাও হতে পারে।
তাই ব্যস্ততা থাকলেও দিনের শুরুতে পুষ্টিকর নাশতা করা উচিত। ডিম, রুটি, দুধ, সবজি, ফল বা অন্যান্য সুষম খাবার দিয়ে সহজেই স্বাস্থ্যকর নাশতা করা যায়। ওজন কমাতে চাইলে নাশতা বাদ না দিয়ে বরং পরিমিত ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলাই ভালো।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
একসময় ভোরে ঘুম থেকে উঠে পেট ভরে নাশতা করে কাজে বের হওয়া ছিল আমাদের সংস্কৃতির অংশ। কিন্তু ব্যস্ত জীবন, রাত জাগা ও ওজন কমানোর ভুল ধারণার কারণে অনেকেই এখন সকালের নাশতা এড়িয়ে চলেন। অথচ সুস্থ থাকতে সকালের নাশতা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
সকালের নাশতা শরীরে দিনের কাজের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি জোগায়, মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা ও মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখে। নাশতা না করলে দীর্ঘ সময় পেট খালি থাকে, ফলে দুপুরে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হতে পারে। এতে ওজন নিয়ন্ত্রণ কঠিন হওয়ার পাশাপাশি শরীরেও নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।
নিয়মিত নাশতা না করার সঙ্গে হৃদরোগ ও টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ার সম্পর্কও বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে। এছাড়া দুর্বলতা, ক্লান্তি, মনোযোগের ঘাটতি ও হজমের সমস্যাও হতে পারে।
তাই ব্যস্ততা থাকলেও দিনের শুরুতে পুষ্টিকর নাশতা করা উচিত। ডিম, রুটি, দুধ, সবজি, ফল বা অন্যান্য সুষম খাবার দিয়ে সহজেই স্বাস্থ্যকর নাশতা করা যায়। ওজন কমাতে চাইলে নাশতা বাদ না দিয়ে বরং পরিমিত ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলাই ভালো।

আপনার মতামত লিখুন