মানুষ ভুল করে। কখনো জেনে, আবার কখনো না জেনেই জড়িয়ে পড়ে গোনাহে। তবে ইসলাম বলে, গোনাহ করে তাতে অটল থাকা মুমিনের বৈশিষ্ট্য নয়। বরং ভুল বুঝতে পারলে তওবা করে আল্লাহর কাছে ফিরে আসাই মুমিনের কর্তব্য।
মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এমন সাতটি গোনাহ থেকে সতর্ক করেছেন, যেগুলোকে তিনি বলেছেন ‘ধ্বংসাত্মক’। এর মধ্যে রয়েছে আল্লাহর সঙ্গে শিরক করা, জাদু করা, অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা করা, সুদ খাওয়া, এতিমের সম্পদ আত্মসাৎ করা, শরিয়তসম্মত যুদ্ধের ময়দান থেকে অন্যায়ভাবে পলায়ন করা এবং সতী-সাধ্বী মুমিন নারীর বিরুদ্ধে অপবাদ দেওয়া। হাদিসে এসব গোনাহ থেকে বেঁচে থাকার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে গোনাহ হয়ে গেলে হতাশ হওয়ারও সুযোগ নেই। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, তাঁর রহমত থেকে নিরাশ না হতে। কারণ তিনি সব গোনাহ ক্ষমা করতে পারেন। তাই গোনাহের পর অনুতপ্ত হয়ে তা ছেড়ে দেওয়া, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং আর সেই গোনাহে ফিরে না যাওয়ার দৃঢ় সংকল্প করাই তওবার পথ।
আর যদি গোনাহের সঙ্গে মানুষের অধিকার জড়িয়ে থাকে, তাহলে সেই অধিকারও ফিরিয়ে দিতে হবে। মনে রাখতে হবে মৃত্যু কখন আসবে, তা কেউ জানে না। তাই তওবার সুযোগ থাকা অবস্থাতেই গোনাহ থেকে ফিরে এসে আল্লাহর রহমতের আশ্রয় নেওয়াই মুমিনের জন্য নিরাপদ পথ।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
মানুষ ভুল করে। কখনো জেনে, আবার কখনো না জেনেই জড়িয়ে পড়ে গোনাহে। তবে ইসলাম বলে, গোনাহ করে তাতে অটল থাকা মুমিনের বৈশিষ্ট্য নয়। বরং ভুল বুঝতে পারলে তওবা করে আল্লাহর কাছে ফিরে আসাই মুমিনের কর্তব্য।
মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এমন সাতটি গোনাহ থেকে সতর্ক করেছেন, যেগুলোকে তিনি বলেছেন ‘ধ্বংসাত্মক’। এর মধ্যে রয়েছে আল্লাহর সঙ্গে শিরক করা, জাদু করা, অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা করা, সুদ খাওয়া, এতিমের সম্পদ আত্মসাৎ করা, শরিয়তসম্মত যুদ্ধের ময়দান থেকে অন্যায়ভাবে পলায়ন করা এবং সতী-সাধ্বী মুমিন নারীর বিরুদ্ধে অপবাদ দেওয়া। হাদিসে এসব গোনাহ থেকে বেঁচে থাকার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে গোনাহ হয়ে গেলে হতাশ হওয়ারও সুযোগ নেই। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, তাঁর রহমত থেকে নিরাশ না হতে। কারণ তিনি সব গোনাহ ক্ষমা করতে পারেন। তাই গোনাহের পর অনুতপ্ত হয়ে তা ছেড়ে দেওয়া, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং আর সেই গোনাহে ফিরে না যাওয়ার দৃঢ় সংকল্প করাই তওবার পথ।
আর যদি গোনাহের সঙ্গে মানুষের অধিকার জড়িয়ে থাকে, তাহলে সেই অধিকারও ফিরিয়ে দিতে হবে। মনে রাখতে হবে মৃত্যু কখন আসবে, তা কেউ জানে না। তাই তওবার সুযোগ থাকা অবস্থাতেই গোনাহ থেকে ফিরে এসে আল্লাহর রহমতের আশ্রয় নেওয়াই মুমিনের জন্য নিরাপদ পথ।

আপনার মতামত লিখুন