জামাতে নামাজ আদায় করাসুন্নতে মুয়াক্কাদাহ। হাদিসে একাকী নামাজের তুলনায় জামাতে নামাজের ২৭ গুণ বেশি ফজিলতের কথা উল্লেখ রয়েছে। তাই সম্ভব হলে মুসল্লিদের মসজিদে গিয়ে জামাতে নামাজ আদায়ের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
তবে কোনো অপারগতা বা প্রয়োজনের কারণে বাসায় জামাতে নামাজ আদায় করতে হলে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। বাসায় জামাতের ক্ষেত্রে ইমাম সামনে দাঁড়াবেন এবং পুরুষ মুসল্লিরা ইমামের সামান্য পেছনে দাঁড়াবেন। নারী মুসল্লিরা পুরুষদের পেছনে অবস্থান করবেন।
স্বামী-স্ত্রী দুজন মিলে জামাত করলে স্বামী ইমাম হয়ে সামনে দাঁড়াবেন এবং স্ত্রী তাঁর পেছনে নামাজ আদায় করবেন। আর শুধু নারীদের জামাত হলে নারী ইমাম অন্য মুসল্লিদের তুলনায় সামান্য সামনে দাঁড়াতে পারেন।
ইসলামী বিধান অনুযায়ী, জামাতে নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলার পাশাপাশি সম্ভব হলে মসজিদের জামাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
জামাতে নামাজ আদায় করাসুন্নতে মুয়াক্কাদাহ। হাদিসে একাকী নামাজের তুলনায় জামাতে নামাজের ২৭ গুণ বেশি ফজিলতের কথা উল্লেখ রয়েছে। তাই সম্ভব হলে মুসল্লিদের মসজিদে গিয়ে জামাতে নামাজ আদায়ের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
তবে কোনো অপারগতা বা প্রয়োজনের কারণে বাসায় জামাতে নামাজ আদায় করতে হলে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। বাসায় জামাতের ক্ষেত্রে ইমাম সামনে দাঁড়াবেন এবং পুরুষ মুসল্লিরা ইমামের সামান্য পেছনে দাঁড়াবেন। নারী মুসল্লিরা পুরুষদের পেছনে অবস্থান করবেন।
স্বামী-স্ত্রী দুজন মিলে জামাত করলে স্বামী ইমাম হয়ে সামনে দাঁড়াবেন এবং স্ত্রী তাঁর পেছনে নামাজ আদায় করবেন। আর শুধু নারীদের জামাত হলে নারী ইমাম অন্য মুসল্লিদের তুলনায় সামান্য সামনে দাঁড়াতে পারেন।
ইসলামী বিধান অনুযায়ী, জামাতে নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলার পাশাপাশি সম্ভব হলে মসজিদের জামাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন