দুঃখ, উদ্বেগ, হতাশা কিংবা মানসিক কষ্ট জীবনের নানা পরিস্থিতিতে এসব অনুভূতির মুখোমুখি হন প্রায় সবাই। প্রিয়জন হারানো, ব্যর্থতা, জীবিকার অনিশ্চয়তা কিংবা ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তা মানুষের মনে তৈরি করতে পারে অস্থিরতা। তবে এসব কঠিন সময়ে মানসিক প্রশান্তির জন্য পবিত্র কোরআনে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নির্দেশনা।
এর মধ্যে প্রথমেই রয়েছে আল্লাহর ওপর ঈমান ও সৎকর্ম। কোরআনে বলা হয়েছে, যারা আল্লাহর হেদায়েত অনুসরণ করে, তাদের কোনো ভয় থাকবে না এবং তারা দুঃখিতও হবে না।
দ্বিতীয়ত, তাকদিরের ওপর বিশ্বাস রাখা। জীবনের প্রতিটি ঘটনা আল্লাহর জ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত এই বিশ্বাস অতিরিক্ত শোক ও দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করে।
তৃতীয়ত, তাকওয়া ও আত্মশুদ্ধি। পাপ ও অন্যায় থেকে দূরে থেকে নিজেকে সংশোধনের চেষ্টা অন্তরে প্রশান্তি আনে। পাশাপাশি মানুষের কল্যাণে কাজ করা এবং দান-সদকা করাকেও কোরআন উৎসাহিত করেছে।
মানসিক কষ্টের সময় নিজের দুঃখ আল্লাহর কাছে প্রকাশ করাও গুরুত্বপূর্ণ। নবী ইয়াকুব (আ.) তাঁর গভীর শোক আল্লাহর কাছেই নিবেদন করেছিলেন।
এ ছাড়া বিপদের সময় উত্তম পরিণতির আশা রাখা, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া, নেককার মানুষের সঙ্গ গ্রহণ করা এবং প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটানোর কথাও কোরআনের বিভিন্ন ঘটনায় উঠে এসেছে।
সবশেষে বলা যায়, দুঃখ ও সংকট মানুষের জীবনেরই অংশ। তবে কোরআনের শিক্ষা হলো কঠিন সময়ে হতাশ না হয়ে আল্লাহর ওপর ভরসা করা, ধৈর্য ধারণ করা এবং তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করা। এতে মানুষের হৃদয়ে ফিরে আসতে পারে প্রশান্তি ও আশার আলো।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দুঃখ, উদ্বেগ, হতাশা কিংবা মানসিক কষ্ট জীবনের নানা পরিস্থিতিতে এসব অনুভূতির মুখোমুখি হন প্রায় সবাই। প্রিয়জন হারানো, ব্যর্থতা, জীবিকার অনিশ্চয়তা কিংবা ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তা মানুষের মনে তৈরি করতে পারে অস্থিরতা। তবে এসব কঠিন সময়ে মানসিক প্রশান্তির জন্য পবিত্র কোরআনে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নির্দেশনা।
এর মধ্যে প্রথমেই রয়েছে আল্লাহর ওপর ঈমান ও সৎকর্ম। কোরআনে বলা হয়েছে, যারা আল্লাহর হেদায়েত অনুসরণ করে, তাদের কোনো ভয় থাকবে না এবং তারা দুঃখিতও হবে না।
দ্বিতীয়ত, তাকদিরের ওপর বিশ্বাস রাখা। জীবনের প্রতিটি ঘটনা আল্লাহর জ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত এই বিশ্বাস অতিরিক্ত শোক ও দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করে।
তৃতীয়ত, তাকওয়া ও আত্মশুদ্ধি। পাপ ও অন্যায় থেকে দূরে থেকে নিজেকে সংশোধনের চেষ্টা অন্তরে প্রশান্তি আনে। পাশাপাশি মানুষের কল্যাণে কাজ করা এবং দান-সদকা করাকেও কোরআন উৎসাহিত করেছে।
মানসিক কষ্টের সময় নিজের দুঃখ আল্লাহর কাছে প্রকাশ করাও গুরুত্বপূর্ণ। নবী ইয়াকুব (আ.) তাঁর গভীর শোক আল্লাহর কাছেই নিবেদন করেছিলেন।
এ ছাড়া বিপদের সময় উত্তম পরিণতির আশা রাখা, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া, নেককার মানুষের সঙ্গ গ্রহণ করা এবং প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটানোর কথাও কোরআনের বিভিন্ন ঘটনায় উঠে এসেছে।
সবশেষে বলা যায়, দুঃখ ও সংকট মানুষের জীবনেরই অংশ। তবে কোরআনের শিক্ষা হলো কঠিন সময়ে হতাশ না হয়ে আল্লাহর ওপর ভরসা করা, ধৈর্য ধারণ করা এবং তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করা। এতে মানুষের হৃদয়ে ফিরে আসতে পারে প্রশান্তি ও আশার আলো।

আপনার মতামত লিখুন