জীবনে বরকত মানে শুধু বেশি অর্থ-সম্পদ নয়। অল্পতে তৃপ্তি, সময়ের সঠিক ব্যবহার, পরিবারে শান্তি, ইবাদতে প্রশান্তি এবং কাজে সফলতাও বরকতের অংশ। কিন্তু আমাদের কিছু ভুল অভ্যাস ও গুনাহ অজান্তেই জীবন থেকে সেই বরকত কমিয়ে দিতে পারে।
এর মধ্যে অন্যতম হলো মিথ্যা ও প্রতারণা। বিশেষ করে ব্যবসা-বাণিজ্য ও লেনদেনে অসততা উপার্জনের বরকত নষ্ট করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ক্রেতা-বিক্রেতা সত্য বললে এবং পণ্যের দোষ-ত্রুটি প্রকাশ করলে তাদের লেনদেনে বরকত দেওয়া হয়। আর মিথ্যা ও দোষ গোপন করলে সেই বরকত মুছে যায়।
দ্বিতীয়ত, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা। হাদিসে আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখাকে রিজিকের প্রশস্ততা ও আয়ুতে বরকতের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই সম্পর্ক নষ্ট না করে ক্ষমা ও ভালোবাসার মাধ্যমে তা ধরে রাখা জরুরি।
তৃতীয়ত, সুদ ও হারাম উপার্জন। সুদ, ঘুষ, প্রতারণা কিংবা অন্যের হক নষ্ট করে অর্জিত সম্পদ বাইরে থেকে বাড়তে পারে, কিন্তু তাতে প্রকৃত শান্তি ও বরকত থাকে না।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দিনের প্রথম ভাগকে অবহেলা করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) উম্মতের দিনের শুরুতে বরকতের জন্য দোয়া করেছেন। তাই ফজরের পরের সময়টি অলসতায় না কাটিয়ে ইবাদত, জ্ঞানার্জন ও প্রয়োজনীয় কাজে ব্যয় করা বরকতের একটি মাধ্যম হতে পারে।
তাই জীবনে বরকত চাইলে মিথ্যা ও প্রতারণা থেকে দূরে থাকা, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা, হালাল উপার্জন করা এবং সময়ের সঠিক ব্যবহার করা জরুরি।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জীবনে বরকত মানে শুধু বেশি অর্থ-সম্পদ নয়। অল্পতে তৃপ্তি, সময়ের সঠিক ব্যবহার, পরিবারে শান্তি, ইবাদতে প্রশান্তি এবং কাজে সফলতাও বরকতের অংশ। কিন্তু আমাদের কিছু ভুল অভ্যাস ও গুনাহ অজান্তেই জীবন থেকে সেই বরকত কমিয়ে দিতে পারে।
এর মধ্যে অন্যতম হলো মিথ্যা ও প্রতারণা। বিশেষ করে ব্যবসা-বাণিজ্য ও লেনদেনে অসততা উপার্জনের বরকত নষ্ট করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ক্রেতা-বিক্রেতা সত্য বললে এবং পণ্যের দোষ-ত্রুটি প্রকাশ করলে তাদের লেনদেনে বরকত দেওয়া হয়। আর মিথ্যা ও দোষ গোপন করলে সেই বরকত মুছে যায়।
দ্বিতীয়ত, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা। হাদিসে আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখাকে রিজিকের প্রশস্ততা ও আয়ুতে বরকতের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই সম্পর্ক নষ্ট না করে ক্ষমা ও ভালোবাসার মাধ্যমে তা ধরে রাখা জরুরি।
তৃতীয়ত, সুদ ও হারাম উপার্জন। সুদ, ঘুষ, প্রতারণা কিংবা অন্যের হক নষ্ট করে অর্জিত সম্পদ বাইরে থেকে বাড়তে পারে, কিন্তু তাতে প্রকৃত শান্তি ও বরকত থাকে না।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দিনের প্রথম ভাগকে অবহেলা করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) উম্মতের দিনের শুরুতে বরকতের জন্য দোয়া করেছেন। তাই ফজরের পরের সময়টি অলসতায় না কাটিয়ে ইবাদত, জ্ঞানার্জন ও প্রয়োজনীয় কাজে ব্যয় করা বরকতের একটি মাধ্যম হতে পারে।
তাই জীবনে বরকত চাইলে মিথ্যা ও প্রতারণা থেকে দূরে থাকা, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা, হালাল উপার্জন করা এবং সময়ের সঠিক ব্যবহার করা জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন