ওজন কমানোর আশায় অনেকেই নিয়মিত ব্ল্যাক কফি পান করেন। কিন্তু শুধু ব্ল্যাক কফি খেলেই দ্রুত ওজন কমে যাবে এমন ধারণা ঠিক নয়।
ব্ল্যাক কফিতে থাকা ক্যাফেইন শরীরের বিপাকীয় হার সাময়িকভাবে বাড়াতে পারে এবং ক্ষুধা কিছুটা নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করতে পারে। তবে এর প্রভাব সীমিত এবং সবার ক্ষেত্রে একই রকম নাও হতে পারে।
২০২৪ সালে প্রকাশিত এক গবেষণায় ৬০ জনকে ১২ সপ্তাহ পর্যবেক্ষণ করা হয়। প্রতিদিন তিন কাপ কফি পানকারীদের শরীরে চর্বির পরিমাণ সামান্য কমার প্রবণতা দেখা গেলেও, মোট ওজনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন পাওয়া যায়নি।
আর পেটের চর্বি কমানোর ক্ষেত্রেও ব্ল্যাক কফির কোনো সরাসরি প্রভাব নেই। ক্যাফেইন শরীরে চর্বি ভাঙার প্রক্রিয়ায় কিছুটা ভূমিকা রাখতে পারে, তবে নির্দিষ্ট কোনো অংশের চর্বি কমাতে পারে না।
তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে ব্ল্যাক কফি হতে পারে সহায়ক, কিন্তু কোনো ম্যাজিক ড্রিংক নয়। অতিরিক্ত চিনি, ক্রিম বা ফ্লেভার না দিয়ে পরিমিত কফি পান করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম ও পর্যাপ্ত ঘুমই ওজন কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ওজন কমানোর আশায় অনেকেই নিয়মিত ব্ল্যাক কফি পান করেন। কিন্তু শুধু ব্ল্যাক কফি খেলেই দ্রুত ওজন কমে যাবে এমন ধারণা ঠিক নয়।
ব্ল্যাক কফিতে থাকা ক্যাফেইন শরীরের বিপাকীয় হার সাময়িকভাবে বাড়াতে পারে এবং ক্ষুধা কিছুটা নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করতে পারে। তবে এর প্রভাব সীমিত এবং সবার ক্ষেত্রে একই রকম নাও হতে পারে।
২০২৪ সালে প্রকাশিত এক গবেষণায় ৬০ জনকে ১২ সপ্তাহ পর্যবেক্ষণ করা হয়। প্রতিদিন তিন কাপ কফি পানকারীদের শরীরে চর্বির পরিমাণ সামান্য কমার প্রবণতা দেখা গেলেও, মোট ওজনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন পাওয়া যায়নি।
আর পেটের চর্বি কমানোর ক্ষেত্রেও ব্ল্যাক কফির কোনো সরাসরি প্রভাব নেই। ক্যাফেইন শরীরে চর্বি ভাঙার প্রক্রিয়ায় কিছুটা ভূমিকা রাখতে পারে, তবে নির্দিষ্ট কোনো অংশের চর্বি কমাতে পারে না।
তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে ব্ল্যাক কফি হতে পারে সহায়ক, কিন্তু কোনো ম্যাজিক ড্রিংক নয়। অতিরিক্ত চিনি, ক্রিম বা ফ্লেভার না দিয়ে পরিমিত কফি পান করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম ও পর্যাপ্ত ঘুমই ওজন কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

আপনার মতামত লিখুন