মুন টাইমস নিউজ

রাজনীতি

রুহুল কবির রিজভী

পলাতক শক্তির ঘাতকরা দেশের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্তের চক্রান্ত করছে

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬ | ফটো কার্ড
পলাতক শক্তির ঘাতকরা দেশের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্তের চক্রান্ত করছে

পলাতক শক্তির ঘাতকরা দেশের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্তের চক্রান্ত করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। 

আজ শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ৭ নভেম্বরের বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় বলীয়ান হয়ে সকল অগণতান্ত্রিক ও দেশবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতা এবং দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি বাকশাল কায়েম করে মানুষের সব অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছিল। ৩ নভেম্বরের পর দেশে এক অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এমন সংকটময় মুহূর্তে ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মুক্ত হয়ে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। তার নেতৃত্বে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা ও স্বনির্ভরতা অর্জন করেছিল।

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, শহিদ জিয়ার শাহাদাতের পর গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ ৯ বছর স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করে নব্বইয়ে ফের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছিলেন। প্রতিটি আন্দোলনেই ৭ নভেম্বরের চেতনা এদেশের মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছে।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ২০০৯ সালে আবারও পুরনো বাকশালের নতুন প্রেতাত্মা ক্ষমতায় এসে জনগণের অধিকার কেড়ে নেয়। গুম, খুন ও গুপ্তহত্যার এক ভয়ংকর সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করে তারা। দীর্ঘ ১৭ বছর মানুষের মনে ভয়ভীতি ঢুকিয়ে রাখা হয়েছিল। অবশেষে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে এক যুগান্তকারী গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে রক্তপিপাসু স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতন ঘটে। এই ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পেছনেও ৭ নভেম্বরের চেতনা কাজ করেছে।

বর্তমান সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমানে একটি জনবান্ধব সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি মানুষকে কোনো মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেন না। বিনামূল্যে সার বিতরণ, কৃষক ও হতদরিদ্রদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড প্রদান এবং দেশজুড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। 

Google Google -এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

আপনার মতামত লিখুন

মুন টাইমস নিউজ

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬


পলাতক শক্তির ঘাতকরা দেশের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্তের চক্রান্ত করছে

প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

পলাতক শক্তির ঘাতকরা দেশের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্তের চক্রান্ত করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। 

আজ শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ৭ নভেম্বরের বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় বলীয়ান হয়ে সকল অগণতান্ত্রিক ও দেশবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতা এবং দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি বাকশাল কায়েম করে মানুষের সব অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছিল। ৩ নভেম্বরের পর দেশে এক অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এমন সংকটময় মুহূর্তে ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মুক্ত হয়ে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। তার নেতৃত্বে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা ও স্বনির্ভরতা অর্জন করেছিল।

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, শহিদ জিয়ার শাহাদাতের পর গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ ৯ বছর স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করে নব্বইয়ে ফের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছিলেন। প্রতিটি আন্দোলনেই ৭ নভেম্বরের চেতনা এদেশের মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছে।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ২০০৯ সালে আবারও পুরনো বাকশালের নতুন প্রেতাত্মা ক্ষমতায় এসে জনগণের অধিকার কেড়ে নেয়। গুম, খুন ও গুপ্তহত্যার এক ভয়ংকর সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করে তারা। দীর্ঘ ১৭ বছর মানুষের মনে ভয়ভীতি ঢুকিয়ে রাখা হয়েছিল। অবশেষে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে এক যুগান্তকারী গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে রক্তপিপাসু স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতন ঘটে। এই ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পেছনেও ৭ নভেম্বরের চেতনা কাজ করেছে।

বর্তমান সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমানে একটি জনবান্ধব সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি মানুষকে কোনো মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেন না। বিনামূল্যে সার বিতরণ, কৃষক ও হতদরিদ্রদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড প্রদান এবং দেশজুড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। 


মুন টাইমস নিউজ

সম্পাদক: তাবিবুর রহমান তালুকদার
প্রকাশক: জিন্নাহ ফারুক
আইন উপদেষ্টা: এ্যাডঃ মোঃ মাহবুব আলম সরকার

© ২০২৬ মুন টাইমস নিউজ