ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে দুই দিনব্যাপী বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র দশম স্থলবাহিনী সংলাপ সমাপ্ত হয়েছে।
বৈঠকে উভয় দেশের সেনাবাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশ নেই এবং তাদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
বৈঠক শুরুর আগে গত ২৬ অক্টোবর সেনাসদরে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের প্রধান দেশটির প্যাসিফিক আর্মি কমান্ডেরনা স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড প্ল্যানস বিষয়ক ডেপুটি কমান্ডিং জেনারেল মেজর জেনারেল জাইলস জে. এস. কর্ণেলিয়া সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আলোচনায় একটি প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করে, যার নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সামরিক প্রশিক্ষণ পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আশিকুর রহমান। এই আলোচনা পর্বে উভয় পক্ষ সামরিক সহযোগিতা জোরদার, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কৌশলগত অংশীদারত্বের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে।
এসময় প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, উন্নত প্রযুক্তি ও সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহারের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
পাশাপাশি প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় সমন্বিত প্রস্তুতি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করা হয়।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে দুই দিনব্যাপী বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র দশম স্থলবাহিনী সংলাপ সমাপ্ত হয়েছে।
বৈঠকে উভয় দেশের সেনাবাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশ নেই এবং তাদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
বৈঠক শুরুর আগে গত ২৬ অক্টোবর সেনাসদরে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের প্রধান দেশটির প্যাসিফিক আর্মি কমান্ডেরনা স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড প্ল্যানস বিষয়ক ডেপুটি কমান্ডিং জেনারেল মেজর জেনারেল জাইলস জে. এস. কর্ণেলিয়া সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আলোচনায় একটি প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করে, যার নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সামরিক প্রশিক্ষণ পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আশিকুর রহমান। এই আলোচনা পর্বে উভয় পক্ষ সামরিক সহযোগিতা জোরদার, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কৌশলগত অংশীদারত্বের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে।
এসময় প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, উন্নত প্রযুক্তি ও সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহারের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
পাশাপাশি প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় সমন্বিত প্রস্তুতি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন