ভাবুন তো, সমুদ্রের মাঝে এমন একটি ‘দেশ’, যেখানে স্থায়ী নাগরিক মাত্র একজন! শুনতে অবাক লাগলেও এমন জায়গা সত্যিই আছে। নাম প্রিন্সিপালিটি অব সিল্যান্ড।
ইংল্যান্ডের উপকূল থেকে প্রায় সাত মাইল দূরে উত্তর সাগরের একটি পুরোনো সামুদ্রিক দুর্গের ওপর গড়ে উঠেছে এই স্বঘোষিত ‘দেশ’। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ বাহিনী এটি তৈরি করেছিল। যুদ্ধের পর দুর্গটি পরিত্যক্ত হয়ে যায়।
১৯৬৭ সালে সাবেক ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তা মেজর প্যাডি রয় বেটস দুর্গটি দখল করে ঘোষণা করেন, এটি আর ব্রিটেনের অংশ নয়। এরপর তৈরি করা হয় নিজস্ব পতাকা, সংবিধান, মুদ্রা, পাসপোর্ট ও জাতীয় সংগীত। বেটস পরিবারের হাতেই চলে এর শাসনব্যবস্থা।
একসময় এখানে ২৭ জন বাসিন্দার কথা বলা হলেও বর্তমানে স্থায়ীভাবে থাকেন মাত্র একজন। তবে সিল্যান্ড নিজেকে স্বাধীন রাষ্ট্র দাবি করলেও কোনো দেশ বা জাতিসংঘ এটিকে স্বীকৃতি দেয়নি। আন্তর্জাতিকভাবে তাই এটি একটি ‘মাইক্রোনেশন’ বা স্বঘোষিত ক্ষুদ্র রাষ্ট্রসত্তা হিসেবে পরিচিত।
আয়তনে মাত্র দু’টি টেনিস কোর্টের মতো এই ছোট্ট দুর্গের রয়েছে রাজপরিবার, পতাকা ও নিজস্ব মুদ্রা তাই সিল্যান্ড আজও বিশ্বের সবচেয়ে অদ্ভুত মাইক্রোনেশনগুলোর একটি।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভাবুন তো, সমুদ্রের মাঝে এমন একটি ‘দেশ’, যেখানে স্থায়ী নাগরিক মাত্র একজন! শুনতে অবাক লাগলেও এমন জায়গা সত্যিই আছে। নাম প্রিন্সিপালিটি অব সিল্যান্ড।
ইংল্যান্ডের উপকূল থেকে প্রায় সাত মাইল দূরে উত্তর সাগরের একটি পুরোনো সামুদ্রিক দুর্গের ওপর গড়ে উঠেছে এই স্বঘোষিত ‘দেশ’। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ বাহিনী এটি তৈরি করেছিল। যুদ্ধের পর দুর্গটি পরিত্যক্ত হয়ে যায়।
১৯৬৭ সালে সাবেক ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তা মেজর প্যাডি রয় বেটস দুর্গটি দখল করে ঘোষণা করেন, এটি আর ব্রিটেনের অংশ নয়। এরপর তৈরি করা হয় নিজস্ব পতাকা, সংবিধান, মুদ্রা, পাসপোর্ট ও জাতীয় সংগীত। বেটস পরিবারের হাতেই চলে এর শাসনব্যবস্থা।
একসময় এখানে ২৭ জন বাসিন্দার কথা বলা হলেও বর্তমানে স্থায়ীভাবে থাকেন মাত্র একজন। তবে সিল্যান্ড নিজেকে স্বাধীন রাষ্ট্র দাবি করলেও কোনো দেশ বা জাতিসংঘ এটিকে স্বীকৃতি দেয়নি। আন্তর্জাতিকভাবে তাই এটি একটি ‘মাইক্রোনেশন’ বা স্বঘোষিত ক্ষুদ্র রাষ্ট্রসত্তা হিসেবে পরিচিত।
আয়তনে মাত্র দু’টি টেনিস কোর্টের মতো এই ছোট্ট দুর্গের রয়েছে রাজপরিবার, পতাকা ও নিজস্ব মুদ্রা তাই সিল্যান্ড আজও বিশ্বের সবচেয়ে অদ্ভুত মাইক্রোনেশনগুলোর একটি।

আপনার মতামত লিখুন