নারায়ণগঞ্জের মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামের একই পরিবারের চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন পরিবারের বাবা হেলাল উদ্দিন।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে এবং ২৬ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সোনারগাঁয়ের বৈদ্যারবাজার এলাকার আল মোস্তফা ফ্যাক্টরির সামনের নদী থেকে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উদ্ধার হওয়া তিনজন হলেন—সজীব, শামীম ও হেলাল উদ্দিনের বড় মেয়ে সামিয়া।
জানা যায়, ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সোনারগাঁয়ের বৈদ্যারবাজারে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি মেঘনা নদীতে ডুবে যায়। ওই ট্রলারে থাকা পাঁচজন পানিতে পড়ে নিখোঁজ হন। পরে রায়েসা বেগম নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাকি চারজনের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিস ও নৌ-পুলিশ।
দুই দিন ধরে অভিযান চালানোর পর শুক্রবার গভীর রাতে এবং শনিবার সকালে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শনিবার সকালে সোনারগাঁ থেকে সামিয়ার মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কুমিল্লার হোমনার শ্রীমদ্দি গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বলেন, নিখোঁজ চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামের একই পরিবারের চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন পরিবারের বাবা হেলাল উদ্দিন।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে এবং ২৬ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সোনারগাঁয়ের বৈদ্যারবাজার এলাকার আল মোস্তফা ফ্যাক্টরির সামনের নদী থেকে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উদ্ধার হওয়া তিনজন হলেন—সজীব, শামীম ও হেলাল উদ্দিনের বড় মেয়ে সামিয়া।
জানা যায়, ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সোনারগাঁয়ের বৈদ্যারবাজারে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি মেঘনা নদীতে ডুবে যায়। ওই ট্রলারে থাকা পাঁচজন পানিতে পড়ে নিখোঁজ হন। পরে রায়েসা বেগম নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাকি চারজনের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিস ও নৌ-পুলিশ।
দুই দিন ধরে অভিযান চালানোর পর শুক্রবার গভীর রাতে এবং শনিবার সকালে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শনিবার সকালে সোনারগাঁ থেকে সামিয়ার মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কুমিল্লার হোমনার শ্রীমদ্দি গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বলেন, নিখোঁজ চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন