মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনার মধ্যে বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ ইরানের অনুমতি না পাওয়ায় অগ্রসর হতে পারছে না। ফলে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছাকাছি অবস্থানে জাহাজটি আটকে আছে বলে জানা গেছে।
জাহাজটি বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) মালিকানাধীন হলেও এটি বর্তমানে একটি বিদেশি কোম্পানির ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে। এতে থাকা পুরো নাবিক দলই বাংলাদেশি।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র অনুযায়ী, জাহাজটির নিরাপদ চলাচলের জন্য কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা চলছে। বাংলাদেশ সরকার বিষয়টি নিয়ে ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছে বলেও জানা গেছে।
জানা যায়, জাহাজটি ৩৭ হাজার টন সার বহন করে দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্দেশে যাত্রা করার কথা ছিল। কিন্তু হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার সময় ইরানের নৌবাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি না পাওয়ায় এটি এগোতে পারেনি।
পরিস্থিতি জটিল হওয়ার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুকে বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের টানাপোড়েনের প্রভাব এই সামুদ্রিক রুটে পড়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
ঢাকার কূটনৈতিক সূত্র বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু কূটনৈতিক অবস্থান নিয়ে ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে, যা এই সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।
অন্যদিকে ইরানের পক্ষ থেকে পূর্বে কিছু দেশকে প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি দেওয়া হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, জাহাজটি নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে এবং দ্রুত সমাধানের আশা করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে হরমুজ প্রণালির এই পরিস্থিতি শুধু একটি জাহাজ নয়, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য রুটেও নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনার মধ্যে বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ ইরানের অনুমতি না পাওয়ায় অগ্রসর হতে পারছে না। ফলে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছাকাছি অবস্থানে জাহাজটি আটকে আছে বলে জানা গেছে।
জাহাজটি বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) মালিকানাধীন হলেও এটি বর্তমানে একটি বিদেশি কোম্পানির ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে। এতে থাকা পুরো নাবিক দলই বাংলাদেশি।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র অনুযায়ী, জাহাজটির নিরাপদ চলাচলের জন্য কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা চলছে। বাংলাদেশ সরকার বিষয়টি নিয়ে ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছে বলেও জানা গেছে।
জানা যায়, জাহাজটি ৩৭ হাজার টন সার বহন করে দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্দেশে যাত্রা করার কথা ছিল। কিন্তু হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার সময় ইরানের নৌবাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি না পাওয়ায় এটি এগোতে পারেনি।
পরিস্থিতি জটিল হওয়ার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুকে বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের টানাপোড়েনের প্রভাব এই সামুদ্রিক রুটে পড়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
ঢাকার কূটনৈতিক সূত্র বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু কূটনৈতিক অবস্থান নিয়ে ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে, যা এই সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।
অন্যদিকে ইরানের পক্ষ থেকে পূর্বে কিছু দেশকে প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি দেওয়া হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, জাহাজটি নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে এবং দ্রুত সমাধানের আশা করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে হরমুজ প্রণালির এই পরিস্থিতি শুধু একটি জাহাজ নয়, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য রুটেও নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন