মুন টাইমস নিউজ

বিনোদন

ভেনিসে অভিনেত্রী বাঁধনের ওপর হামলায় জড়িত ৮ জনের পরিচয় শনাক্ত

প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ফটো কার্ড
ভেনিসে অভিনেত্রী বাঁধনের ওপর হামলায় জড়িত ৮ জনের পরিচয় শনাক্ত

ইতালির ভেনিসে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলা ও হেনস্তার ঘটনায় সরাসরি জড়িত আটজনকে শনাক্ত করার দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল-জাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও অ্যাক্টিভিস্ট জুলকারনাইন সায়ের খান। 

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি হামলায় অভিযুক্ত আটজনের নাম ও তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচয় প্রকাশ করেন। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এর আগে ৭ সেপ্টেম্বর সোমবার দিবাগত রাতে বাংলাদেশ সময় ভেনিসের মেস্ত্রে এলাকায় ভাই ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পার্কে হাঁটতে বের হলে বাঁধনকে একদল ব্যক্তি হেনস্তা ও মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার দাবি, হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে পানি, কোমল পানীয় ও ডিম ছুড়ে মারেন এবং অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এ ঘটনায় ইতালির সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

জুলকারনাইন সায়ের তার পোস্টে দাবি করেন, হামলায় সরাসরি জড়িত আটজন হলেন—হাওলাদার মনিরুল, মাসুম খালাসি, সেপল মাহমুদ বিপ্লব, কাজী লাবু, আলতাব পাহার, প্রেম কুমার হৃদয়, নুর-ই আলম ও মোক্তার মোল্লা।

তার দাবি, হামলার সময় অভিযুক্তরা বাঁধনকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করেন, তার দিকে বিভিন্ন তরল পদার্থ ছুড়ে মারেন এবং মোবাইল ফোন নিয়ে হয়রানি করেন। সঙ্গে থাকা স্বজন ও একটি শিশুকেও হেনস্তার চেষ্টা করা হয় বলে পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।

জুলকারনাইন সায়ের আরও দাবি করেন, অভিযুক্তদের কয়েকজন ঘটনার দুই দিন আগে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে ছবি তুলেছিলেন। এ ঘটনায় জয়ের কোনো সম্পৃক্ততা বা ইন্ধন ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে এ বিষয়ে কোনো প্রমাণ তিনি প্রকাশ করেননি।

এদিকে বাঁধনের অভিযোগ, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে তার সক্রিয় অবস্থানের কারণেই তাকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছে। তার দাবি, হামলাকারীদের কয়েকজন নিজেদের আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কর্মী এবং ‘বঙ্গবন্ধুর সৈনিক’ হিসেবে পরিচয় দেন।

বাঁধন আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা তাকে জোর করে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে বলেন এবং ওই দৃশ্য ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন।

হামলার সময় হাওলাদার মনিরুলের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি সরাসরি সম্প্রচার করা হয় বলেও জানা গেছে। ওই ভিডিওর সঙ্গে দেওয়া ক্যাপশনে বাঁধনকে ‘জুলাই জঙ্গি’ উল্লেখ করে হামলার কথা বলা হয়। ভিডিওতে একদল ব্যক্তিকে বাঁধনকে ঘিরে বিভিন্ন মন্তব্য ও গালিগালাজ করতে এবং তাকে ‘জয় বাংলা’ বলতে বাধ্য করার চেষ্টা করতে দেখা যায়।

এ ঘটনা ফেসবুকে লাইভ করছিলেন মনিরুল হাওলাদার নামের একটি অ্যাকাউন্টের ব্যবহারকারী। ওই লাইভের ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘জুলাই জঙ্গি আজমেরী হক বাঁধনকে আমরা উত্তম মাধ্যম দিয়েছি ভেনিসে, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ইতালি শাখা।’

প্রথম আলোর প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, এই মনিরুলের বাড়ি বাংলাদেশের মাদারীপুর জেলায়। স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও মনিরুলের স্বজন সূত্রে জানা গেছে, তিনি ছাত্রলীগের একটি ইউনিয়ন শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি বাংলাদেশ ছেড়ে প্রথমে লিবিয়া এবং পরে ইতালিতে যান।

ভিডিওতে বাঁধনের দিকে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে বারবার পানি ছুড়ে দিতে দেখা যাওয়া ব্যক্তির নাম শিপল মাহমুদ বিপ্লব। তাঁর বাড়ি বাংলাদেশের শরীয়তপুরে। শরীয়তপুরের ছাত্রলীগ নেতাদের সূত্রে জানা গেছে, তিনি ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন। বর্তমানে তিনি ইতালির ভেনিস শাখা আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত।

ভিডিওতে বাঁধনের দিকে এগিয়ে গিয়ে তাঁকে থাপ্পড় দেওয়ার চেষ্টা করা ব্যক্তিদের একজন ইলিয়াস মিয়ার পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁর বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। ইতালির ভেনিস শাখা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে ইলিয়াসের উপস্থিতির একাধিক ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া গেছে।

ঘটনার ভিডিওতে দেখা যায়, ইলিয়াস এগিয়ে গিয়ে বাঁধনকে থাপ্পড় দেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে আঘাত লাগে অভিনেত্রীর হাতে। তখন বাঁধনের মুঠোফোন হাত থেকে পড়ে যায়।

ভিডিওতে বাঁধনের আশপাশে থাকা এবং তাঁকে একাধিকবার শাসাতে দেখা যায় কয়েকজনকে। তাঁদের একজন আলতাফ পাহাড়। তাঁর বাড়ি শরীয়তপুরে। তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। বর্তমানে তিনি ইতালির ভেনিসে যুবলীগের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন, এমন তথ্যও সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে পাওয়া গেছে।

ঘটনার পর ফেসবুক লাইভে বাঁধন বলেন, তিনি ভাই ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পার্কে হাঁটতে গিয়েছিলেন। সেখানে কয়েকজন বাঙালি তাকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করেন। তার গায়ে পানি ও কোমল পানীয় ছুড়ে মারা হয় এবং তাকে আঘাত করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

বাঁধন বলেন, তার সঙ্গে থাকা শিশুটিও এ সময় ভয় পেয়ে কান্না করছিল। হামলাকারীদের আচরণে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগেছেন বলেও জানান।

জুলকারনাইন সায়ের তার পোস্টে আরও দাবি করেন, ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং ইতালিতে বাংলাদেশের দূতাবাস বাঁধনকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় রাজপথে সক্রিয় ছিলেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। আন্দোলনের পক্ষে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন গণমাধ্যমেও বক্তব্য দেন তিনি।

এদিকে ইতালির লিডো দি ভেনেজিয়ায় ৮৩তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হচ্ছে রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’। উৎসবের ‘ওরিজন্তি’ বিভাগে নির্বাচিত সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন জাইনীন করিম, রিকিতা নন্দিনী শিমু, সুনেরাহ্ বিনতে কামাল ও আজমেরী হক বাঁধন।

Google Google -এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

আপনার মতামত লিখুন

মুন টাইমস নিউজ

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ভেনিসে অভিনেত্রী বাঁধনের ওপর হামলায় জড়িত ৮ জনের পরিচয় শনাক্ত

প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ইতালির ভেনিসে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলা ও হেনস্তার ঘটনায় সরাসরি জড়িত আটজনকে শনাক্ত করার দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল-জাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও অ্যাক্টিভিস্ট জুলকারনাইন সায়ের খান। 

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি হামলায় অভিযুক্ত আটজনের নাম ও তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচয় প্রকাশ করেন। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এর আগে ৭ সেপ্টেম্বর সোমবার দিবাগত রাতে বাংলাদেশ সময় ভেনিসের মেস্ত্রে এলাকায় ভাই ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পার্কে হাঁটতে বের হলে বাঁধনকে একদল ব্যক্তি হেনস্তা ও মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার দাবি, হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে পানি, কোমল পানীয় ও ডিম ছুড়ে মারেন এবং অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এ ঘটনায় ইতালির সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

জুলকারনাইন সায়ের তার পোস্টে দাবি করেন, হামলায় সরাসরি জড়িত আটজন হলেন—হাওলাদার মনিরুল, মাসুম খালাসি, সেপল মাহমুদ বিপ্লব, কাজী লাবু, আলতাব পাহার, প্রেম কুমার হৃদয়, নুর-ই আলম ও মোক্তার মোল্লা।

তার দাবি, হামলার সময় অভিযুক্তরা বাঁধনকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করেন, তার দিকে বিভিন্ন তরল পদার্থ ছুড়ে মারেন এবং মোবাইল ফোন নিয়ে হয়রানি করেন। সঙ্গে থাকা স্বজন ও একটি শিশুকেও হেনস্তার চেষ্টা করা হয় বলে পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।

জুলকারনাইন সায়ের আরও দাবি করেন, অভিযুক্তদের কয়েকজন ঘটনার দুই দিন আগে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে ছবি তুলেছিলেন। এ ঘটনায় জয়ের কোনো সম্পৃক্ততা বা ইন্ধন ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে এ বিষয়ে কোনো প্রমাণ তিনি প্রকাশ করেননি।

এদিকে বাঁধনের অভিযোগ, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে তার সক্রিয় অবস্থানের কারণেই তাকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছে। তার দাবি, হামলাকারীদের কয়েকজন নিজেদের আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কর্মী এবং ‘বঙ্গবন্ধুর সৈনিক’ হিসেবে পরিচয় দেন।

বাঁধন আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা তাকে জোর করে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে বলেন এবং ওই দৃশ্য ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন।

হামলার সময় হাওলাদার মনিরুলের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি সরাসরি সম্প্রচার করা হয় বলেও জানা গেছে। ওই ভিডিওর সঙ্গে দেওয়া ক্যাপশনে বাঁধনকে ‘জুলাই জঙ্গি’ উল্লেখ করে হামলার কথা বলা হয়। ভিডিওতে একদল ব্যক্তিকে বাঁধনকে ঘিরে বিভিন্ন মন্তব্য ও গালিগালাজ করতে এবং তাকে ‘জয় বাংলা’ বলতে বাধ্য করার চেষ্টা করতে দেখা যায়।

এ ঘটনা ফেসবুকে লাইভ করছিলেন মনিরুল হাওলাদার নামের একটি অ্যাকাউন্টের ব্যবহারকারী। ওই লাইভের ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘জুলাই জঙ্গি আজমেরী হক বাঁধনকে আমরা উত্তম মাধ্যম দিয়েছি ভেনিসে, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ইতালি শাখা।’

প্রথম আলোর প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, এই মনিরুলের বাড়ি বাংলাদেশের মাদারীপুর জেলায়। স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও মনিরুলের স্বজন সূত্রে জানা গেছে, তিনি ছাত্রলীগের একটি ইউনিয়ন শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি বাংলাদেশ ছেড়ে প্রথমে লিবিয়া এবং পরে ইতালিতে যান।

ভিডিওতে বাঁধনের দিকে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে বারবার পানি ছুড়ে দিতে দেখা যাওয়া ব্যক্তির নাম শিপল মাহমুদ বিপ্লব। তাঁর বাড়ি বাংলাদেশের শরীয়তপুরে। শরীয়তপুরের ছাত্রলীগ নেতাদের সূত্রে জানা গেছে, তিনি ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন। বর্তমানে তিনি ইতালির ভেনিস শাখা আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত।

ভিডিওতে বাঁধনের দিকে এগিয়ে গিয়ে তাঁকে থাপ্পড় দেওয়ার চেষ্টা করা ব্যক্তিদের একজন ইলিয়াস মিয়ার পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁর বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। ইতালির ভেনিস শাখা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে ইলিয়াসের উপস্থিতির একাধিক ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া গেছে।

ঘটনার ভিডিওতে দেখা যায়, ইলিয়াস এগিয়ে গিয়ে বাঁধনকে থাপ্পড় দেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে আঘাত লাগে অভিনেত্রীর হাতে। তখন বাঁধনের মুঠোফোন হাত থেকে পড়ে যায়।

ভিডিওতে বাঁধনের আশপাশে থাকা এবং তাঁকে একাধিকবার শাসাতে দেখা যায় কয়েকজনকে। তাঁদের একজন আলতাফ পাহাড়। তাঁর বাড়ি শরীয়তপুরে। তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। বর্তমানে তিনি ইতালির ভেনিসে যুবলীগের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন, এমন তথ্যও সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে পাওয়া গেছে।

ঘটনার পর ফেসবুক লাইভে বাঁধন বলেন, তিনি ভাই ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পার্কে হাঁটতে গিয়েছিলেন। সেখানে কয়েকজন বাঙালি তাকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করেন। তার গায়ে পানি ও কোমল পানীয় ছুড়ে মারা হয় এবং তাকে আঘাত করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

বাঁধন বলেন, তার সঙ্গে থাকা শিশুটিও এ সময় ভয় পেয়ে কান্না করছিল। হামলাকারীদের আচরণে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগেছেন বলেও জানান।

জুলকারনাইন সায়ের তার পোস্টে আরও দাবি করেন, ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং ইতালিতে বাংলাদেশের দূতাবাস বাঁধনকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় রাজপথে সক্রিয় ছিলেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। আন্দোলনের পক্ষে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন গণমাধ্যমেও বক্তব্য দেন তিনি।

এদিকে ইতালির লিডো দি ভেনেজিয়ায় ৮৩তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হচ্ছে রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’। উৎসবের ‘ওরিজন্তি’ বিভাগে নির্বাচিত সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন জাইনীন করিম, রিকিতা নন্দিনী শিমু, সুনেরাহ্ বিনতে কামাল ও আজমেরী হক বাঁধন।


মুন টাইমস নিউজ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ আলামিন সরকার
উপদেষ্টা: তাবিবুর রহমান তালুকদার
আইন উপদেষ্টা: এ্যাডঃ মোঃ মাহবুব আলম সরকার

© ২০২৬ মুন টাইমস নিউজ