মুন টাইমস নিউজ

ধর্ম ও জীবন

কেয়ামতের দিন ৩ ব্যক্তির বিরুদ্ধে বাদী হবেন আল্লাহ

প্রকাশ : ০৮ আগস্ট ২০২৬ | ফটো কার্ড
কেয়ামতের দিন ৩ ব্যক্তির বিরুদ্ধে বাদী হবেন আল্লাহ

মৃত্যু প্রত্যেক প্রাণীর জন্যই অনিবার্য। দুনিয়ার জীবন সাময়িক পরীক্ষার মতো, আর এই পরীক্ষায় সফলতার ফল হিসেবে মুমিনের জন্য রয়েছে জান্নাত। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা ঈমানদার ও নেককারদের জন্য জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন। 

হাদিসে এসেছে, মৃত্যুর পর মৃত ব্যক্তির সামনে তার চিরস্থায়ী আবাসস্থল তুলে ধরা হবে। সে জান্নাতি হলে জান্নাতের বাসস্থান এবং জাহান্নামী হলে জাহান্নামের বাসস্থান দেখানো হবে। 

কেয়ামতের দিন পরিস্থিতি হবে আরও ভয়াবহ। সেদিন মানুষ নিজের ভাই, মা-বাবা, স্ত্রী ও সন্তান থেকেও পালাবে। প্রত্যেক ব্যক্তি নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত থাকবে। (সুরা আবাসা: ৩৪-৩৭) হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, সেদিনের ভয়াবহতায় কেউ কারও দিকে তাকানোর কথাও চিন্তা করবে না। 

তবে কেয়ামতের দিনের একটি বিশেষ সতর্কবার্তায় রাসুলুল্লাহ (সা.) জানিয়েছেন, তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা বাদী হবেন। হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ বলেন, কেয়ামতের দিন তিনি নিজে তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে বাদী হবেন।

তারা হলেন যে ব্যক্তি আল্লাহর নামে ওয়াদা করে তা ভঙ্গ করে এবং কোনো ব্যক্তি স্বাধীন মানুষকে বিক্রি করে তার মূল্য ভোগ করে ও যে ব্যক্তি কোনো শ্রমিককে নিয়োগ করে তার কাছ থেকে পুরো কাজ আদায় করে, কিন্তু তার পারিশ্রমিক দেয় না।

ইসলামের দৃষ্টিতে ওয়াদা রক্ষা, মানুষের স্বাধীনতার মর্যাদা দেওয়া এবং শ্রমিকের ন্যায্য পারিশ্রমিক পরিশোধ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হাদিসের এই সতর্কবার্তা এসব বিষয়ে অবহেলা না করার শিক্ষা দেয়।

Google Google -এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

আপনার মতামত লিখুন

মুন টাইমস নিউজ

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬


কেয়ামতের দিন ৩ ব্যক্তির বিরুদ্ধে বাদী হবেন আল্লাহ

প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

মৃত্যু প্রত্যেক প্রাণীর জন্যই অনিবার্য। দুনিয়ার জীবন সাময়িক পরীক্ষার মতো, আর এই পরীক্ষায় সফলতার ফল হিসেবে মুমিনের জন্য রয়েছে জান্নাত। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা ঈমানদার ও নেককারদের জন্য জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন। 

হাদিসে এসেছে, মৃত্যুর পর মৃত ব্যক্তির সামনে তার চিরস্থায়ী আবাসস্থল তুলে ধরা হবে। সে জান্নাতি হলে জান্নাতের বাসস্থান এবং জাহান্নামী হলে জাহান্নামের বাসস্থান দেখানো হবে। 

কেয়ামতের দিন পরিস্থিতি হবে আরও ভয়াবহ। সেদিন মানুষ নিজের ভাই, মা-বাবা, স্ত্রী ও সন্তান থেকেও পালাবে। প্রত্যেক ব্যক্তি নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত থাকবে। (সুরা আবাসা: ৩৪-৩৭) হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, সেদিনের ভয়াবহতায় কেউ কারও দিকে তাকানোর কথাও চিন্তা করবে না। 

তবে কেয়ামতের দিনের একটি বিশেষ সতর্কবার্তায় রাসুলুল্লাহ (সা.) জানিয়েছেন, তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা বাদী হবেন। হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ বলেন, কেয়ামতের দিন তিনি নিজে তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে বাদী হবেন।

তারা হলেন যে ব্যক্তি আল্লাহর নামে ওয়াদা করে তা ভঙ্গ করে এবং কোনো ব্যক্তি স্বাধীন মানুষকে বিক্রি করে তার মূল্য ভোগ করে ও যে ব্যক্তি কোনো শ্রমিককে নিয়োগ করে তার কাছ থেকে পুরো কাজ আদায় করে, কিন্তু তার পারিশ্রমিক দেয় না।

ইসলামের দৃষ্টিতে ওয়াদা রক্ষা, মানুষের স্বাধীনতার মর্যাদা দেওয়া এবং শ্রমিকের ন্যায্য পারিশ্রমিক পরিশোধ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হাদিসের এই সতর্কবার্তা এসব বিষয়ে অবহেলা না করার শিক্ষা দেয়।


মুন টাইমস নিউজ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ আলামিন সরকার
উপদেষ্টা: তাবিবুর রহমান তালুকদার
আইন উপদেষ্টা: এ্যাডঃ মোঃ মাহবুব আলম সরকার

© ২০২৬ মুন টাইমস নিউজ