মৃত্যু মানুষের জীবনের অনিবার্য পরিণতি। পৃথিবীর জীবন শেষে প্রত্যেক মানুষকেই অনন্ত জীবনের দিকে পাড়ি জমাতে হবে। ইসলামী বর্ণনা অনুযায়ী, মৃত্যুর পর মানুষের সামনে তার চিরস্থায়ী আবাসস্থল তুলে ধরা হবে। সে জান্নাতি হলে জান্নাতের বাসস্থান এবং জাহান্নামী হলে জাহান্নামের বাসস্থান দেখানো হবে।
কেয়ামতের দিন মানুষের অবস্থা হবে আরও ভয়াবহ। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, সেদিন মানুষ নিজের ভাই, মা, বাবা, স্ত্রী ও সন্তান থেকেও পালাবে। প্রত্যেক ব্যক্তি নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত থাকবে।
হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, কেয়ামতের দিন মানুষ কবর থেকে উঠে হাশরের ময়দানে সমবেত হবে। সেদিনের ভয়াবহ পরিস্থিতিতে কেউ কারও দিকে তাকানোর সুযোগ বা চিন্তা করবে না।
তবে কেয়ামতের দিনের সবচেয়ে কঠিন সতর্কবার্তাগুলোর একটি এসেছে তিন শ্রেণির মানুষের ব্যাপারে। হজরত আবুজর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কেয়ামতের দিন আল্লাহ তায়ালা তিন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলবেন না, তাদের দিকে তাকাবেন না এবং তাদের পবিত্রও করবেন না। তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
তারা হলেন দান করে খোটা দেওয়া ব্যক্তি, মিথ্যা কসম করে ব্যবসা করা ব্যক্তি এবং টাখনুর নিচে পোশাক ঝুলিয়ে পরিধান করা ব্যক্তি।
হাদিসে এসব কাজ থেকে বিরত থাকার বিষয়ে মুসলমানদের সতর্ক করা হয়েছে।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
মৃত্যু মানুষের জীবনের অনিবার্য পরিণতি। পৃথিবীর জীবন শেষে প্রত্যেক মানুষকেই অনন্ত জীবনের দিকে পাড়ি জমাতে হবে। ইসলামী বর্ণনা অনুযায়ী, মৃত্যুর পর মানুষের সামনে তার চিরস্থায়ী আবাসস্থল তুলে ধরা হবে। সে জান্নাতি হলে জান্নাতের বাসস্থান এবং জাহান্নামী হলে জাহান্নামের বাসস্থান দেখানো হবে।
কেয়ামতের দিন মানুষের অবস্থা হবে আরও ভয়াবহ। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, সেদিন মানুষ নিজের ভাই, মা, বাবা, স্ত্রী ও সন্তান থেকেও পালাবে। প্রত্যেক ব্যক্তি নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত থাকবে।
হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, কেয়ামতের দিন মানুষ কবর থেকে উঠে হাশরের ময়দানে সমবেত হবে। সেদিনের ভয়াবহ পরিস্থিতিতে কেউ কারও দিকে তাকানোর সুযোগ বা চিন্তা করবে না।
তবে কেয়ামতের দিনের সবচেয়ে কঠিন সতর্কবার্তাগুলোর একটি এসেছে তিন শ্রেণির মানুষের ব্যাপারে। হজরত আবুজর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কেয়ামতের দিন আল্লাহ তায়ালা তিন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলবেন না, তাদের দিকে তাকাবেন না এবং তাদের পবিত্রও করবেন না। তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
তারা হলেন দান করে খোটা দেওয়া ব্যক্তি, মিথ্যা কসম করে ব্যবসা করা ব্যক্তি এবং টাখনুর নিচে পোশাক ঝুলিয়ে পরিধান করা ব্যক্তি।
হাদিসে এসব কাজ থেকে বিরত থাকার বিষয়ে মুসলমানদের সতর্ক করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন