ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নতুন ইউনিয়ন ও উপজেলা গঠনের উদ্যোগের প্রতিবাদে সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে রাখা স্থানীয়রা চার ঘণ্টা পর কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন। এতে ঢাকা-আগরতলা মহাসড়কসহ সংশ্লিষ্ট সড়কে যান চলাচল এবং রেলপথে ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে।
আজ রোববার (৮ নভেম্বর) সকাল থেকে জেলার সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়ন ভেঙে নতুন ‘বরিশল’ ইউনিয়ন গঠন এবং বরিশল নামে নতুন উপজেলা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু করেন এলাকাবাসী।
একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা সড়ক ও রেলপথে অবস্থান নিয়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় রেললাইনে স্লিপার ফেলে এবং আগুন জ্বালিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়। এতে ঢাকা-আগরতলা আন্তর্জাতিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পাশাপাশি ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট রুটে ট্রেন চলাচলও বন্ধ থাকে।
দীর্ঘ সময় সড়ক ও রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী ও সাধারণ মানুষ।
পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয়দের আশ্বাস দেন। তাঁর আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় চার ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নেন বিক্ষোভকারীরা।
অবরোধ প্রত্যাহারের পর সড়ক ও রেলপথে যানবাহন এবং ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নতুন ইউনিয়ন ও উপজেলা গঠনের উদ্যোগের প্রতিবাদে সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে রাখা স্থানীয়রা চার ঘণ্টা পর কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন। এতে ঢাকা-আগরতলা মহাসড়কসহ সংশ্লিষ্ট সড়কে যান চলাচল এবং রেলপথে ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে।
আজ রোববার (৮ নভেম্বর) সকাল থেকে জেলার সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়ন ভেঙে নতুন ‘বরিশল’ ইউনিয়ন গঠন এবং বরিশল নামে নতুন উপজেলা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু করেন এলাকাবাসী।
একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা সড়ক ও রেলপথে অবস্থান নিয়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় রেললাইনে স্লিপার ফেলে এবং আগুন জ্বালিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়। এতে ঢাকা-আগরতলা আন্তর্জাতিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পাশাপাশি ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট রুটে ট্রেন চলাচলও বন্ধ থাকে।
দীর্ঘ সময় সড়ক ও রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী ও সাধারণ মানুষ।
পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয়দের আশ্বাস দেন। তাঁর আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় চার ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নেন বিক্ষোভকারীরা।
অবরোধ প্রত্যাহারের পর সড়ক ও রেলপথে যানবাহন এবং ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

আপনার মতামত লিখুন