সাভারঃ ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে তরিকুল ইসলাম যোগদানের পর থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছেন বলে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে প্রশংসা পাওয়া যাচ্ছে। মাদক, সন্ত্রাস, চুরি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি ভুক্তভোগী ও সাধারণ মানুষের কথা গুরুত্ব দিয়ে শোনার কারণে তিনি একজন মানবিক ওসি হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছেন বলে স্থানীয়দের অভিমত। শিল্পাঞ্চল আশুলিয়া থানা এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ এবং নাগরিকদের সঙ্গে পুলিশের দূরত্ব কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে ওসি তরিকুল ইসলামের কার্যক্রম ইতোমধ্যে স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা তৈরি করেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি সমস্যায় পড়ে থানায় গেলে তার পরিচয় বা সামাজিক অবস্থান বিবেচনা না করে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে শোনার চেষ্টা করেন ওসি তরিকুল ইসলাম। আইনগতভাবে সমাধানযোগ্য বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়ার কারণে অনেকেই থানার সেবাকে আগের তুলনায় সহজলভ্য মনে করছেন। অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান আশুলিয়া থানা এলাকার বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান, অপরাধপ্রবণ এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন ওসি তরিকুল ইসলাম। বিশেষ করে মাদক, কিশোর অপরাধ, চুরি-ছিনতাই, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ জননিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশের তৎপরতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে থানা পুলিশের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও সচেতন নাগরিকদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার চেষ্টা করছেন তিনি।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা বলেন, “পুলিশের কাছে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা হলো নিরাপত্তা, সহযোগিতা ও ন্যায়সঙ্গত আচরণ। ওসি তরিকুল ইসলাম সাধারণ মানুষের কথা শোনার চেষ্টা করছেন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে দৃঢ় অবস্থান দেখাচ্ছেন—এটি অবশ্যই প্রশংসনীয়।” মানবিক পুলিশিংয়ে গুরুত্ব শুধু অপরাধ দমন নয়, সাধারণ মানুষের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছেন ওসি তরিকুল ইসলাম। থানায় সেবা নিতে আসা মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত সহায়তা পান—এ বিষয়ে তিনি দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখছেন বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি। বিশেষ করে অসহায়, ভুক্তভোগী ও সমস্যাগ্রস্ত মানুষের কথা ধৈর্যসহকারে শোনা এবং তাদের আইনগত করণীয় সম্পর্কে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়ার বিষয়টি স্থানীয়দের কাছে ইতিবাচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, পুলিশের একজন কর্মকর্তার কাছে আমরা শুধু কঠোরতা নয়, মানবিক আচরণও প্রত্যাশা করি। ওসি তরিকুল ইসলাম মানুষের কথা শোনেন—এটাই একজন ভালো পুলিশ কর্মকর্তার অন্যতম গুণ। তিনি যদি এভাবেই দায়িত্ব পালন করেন, তাহলে আশুলিয়া বাসী আরও বেশি উপকৃত হবে।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সাভারঃ ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে তরিকুল ইসলাম যোগদানের পর থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছেন বলে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে প্রশংসা পাওয়া যাচ্ছে। মাদক, সন্ত্রাস, চুরি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি ভুক্তভোগী ও সাধারণ মানুষের কথা গুরুত্ব দিয়ে শোনার কারণে তিনি একজন মানবিক ওসি হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছেন বলে স্থানীয়দের অভিমত। শিল্পাঞ্চল আশুলিয়া থানা এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ এবং নাগরিকদের সঙ্গে পুলিশের দূরত্ব কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে ওসি তরিকুল ইসলামের কার্যক্রম ইতোমধ্যে স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা তৈরি করেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি সমস্যায় পড়ে থানায় গেলে তার পরিচয় বা সামাজিক অবস্থান বিবেচনা না করে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে শোনার চেষ্টা করেন ওসি তরিকুল ইসলাম। আইনগতভাবে সমাধানযোগ্য বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়ার কারণে অনেকেই থানার সেবাকে আগের তুলনায় সহজলভ্য মনে করছেন। অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান আশুলিয়া থানা এলাকার বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান, অপরাধপ্রবণ এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন ওসি তরিকুল ইসলাম। বিশেষ করে মাদক, কিশোর অপরাধ, চুরি-ছিনতাই, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ জননিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশের তৎপরতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে থানা পুলিশের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও সচেতন নাগরিকদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার চেষ্টা করছেন তিনি।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা বলেন, “পুলিশের কাছে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা হলো নিরাপত্তা, সহযোগিতা ও ন্যায়সঙ্গত আচরণ। ওসি তরিকুল ইসলাম সাধারণ মানুষের কথা শোনার চেষ্টা করছেন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে দৃঢ় অবস্থান দেখাচ্ছেন—এটি অবশ্যই প্রশংসনীয়।” মানবিক পুলিশিংয়ে গুরুত্ব শুধু অপরাধ দমন নয়, সাধারণ মানুষের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছেন ওসি তরিকুল ইসলাম। থানায় সেবা নিতে আসা মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত সহায়তা পান—এ বিষয়ে তিনি দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখছেন বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি। বিশেষ করে অসহায়, ভুক্তভোগী ও সমস্যাগ্রস্ত মানুষের কথা ধৈর্যসহকারে শোনা এবং তাদের আইনগত করণীয় সম্পর্কে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়ার বিষয়টি স্থানীয়দের কাছে ইতিবাচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, পুলিশের একজন কর্মকর্তার কাছে আমরা শুধু কঠোরতা নয়, মানবিক আচরণও প্রত্যাশা করি। ওসি তরিকুল ইসলাম মানুষের কথা শোনেন—এটাই একজন ভালো পুলিশ কর্মকর্তার অন্যতম গুণ। তিনি যদি এভাবেই দায়িত্ব পালন করেন, তাহলে আশুলিয়া বাসী আরও বেশি উপকৃত হবে।

আপনার মতামত লিখুন