ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুই দিনের ব্যবধানে পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ও নিষিদ্ধ পণ্য জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে ই-সিগারেট, সিগারেট, নিষিদ্ধ প্রসাধনী ক্রিম ও স্বর্ণালংকার। জব্দ করা পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩২ লাখ ২ হাজার ৫০০ টাকা।
আজ রোববার (৮ নভেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল আমিন শেখ এক বিজ্ঞপ্তিতে অভিযানের তথ্য জানান। গত ৬ ও ৭ নভেম্বর বিমানবন্দরে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৬ নভেম্বর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিমানবন্দরে নজরদারি জোরদার করেন কাস্টমস গোয়েন্দারা। ওই দিন কুয়ালালামপুর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-৩৮৭ ফ্লাইটে আসা এক যাত্রীর ব্যাগেজ তল্লাশি করে ৯০টি ই-সিগারেট বা ভেপ, ১২ কেজি নিষিদ্ধ গৌরী ক্রিম এবং ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।
অধিদপ্তর জানায়, আটক যাত্রী সুলতানা রাজিয়ার পাসপোর্টে চলতি বছরের ১৩ আগস্ট ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার আনার তথ্য পাওয়া গেছে। একই বছরে আবারও সমপরিমাণ স্বর্ণালংকার আনার বিষয়টি শনাক্ত হওয়ায় এবারের চালানটি আটক করা হয়।
এদিকে, ৭ নভেম্বর কাতার থেকে আসা কিউআর-৬৪০ ফ্লাইটের ব্যাগেজ বেল্টে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৬৬ কার্টন সিগারেট পাওয়া যায়। পরে সেগুলো জব্দ করেন কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।
এনবিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যাত্রীদের ব্যাগেজে ই-সিগারেট বহনের ঘটনা নতুন ধরনের চোরাচালান প্রবণতা হিসেবে দেখা যাচ্ছে। রাজস্ব ফাঁকি রোধের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ও নিষিদ্ধ পণ্যের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিমানবন্দরে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুই দিনের ব্যবধানে পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ও নিষিদ্ধ পণ্য জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে ই-সিগারেট, সিগারেট, নিষিদ্ধ প্রসাধনী ক্রিম ও স্বর্ণালংকার। জব্দ করা পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩২ লাখ ২ হাজার ৫০০ টাকা।
আজ রোববার (৮ নভেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল আমিন শেখ এক বিজ্ঞপ্তিতে অভিযানের তথ্য জানান। গত ৬ ও ৭ নভেম্বর বিমানবন্দরে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৬ নভেম্বর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিমানবন্দরে নজরদারি জোরদার করেন কাস্টমস গোয়েন্দারা। ওই দিন কুয়ালালামপুর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-৩৮৭ ফ্লাইটে আসা এক যাত্রীর ব্যাগেজ তল্লাশি করে ৯০টি ই-সিগারেট বা ভেপ, ১২ কেজি নিষিদ্ধ গৌরী ক্রিম এবং ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।
অধিদপ্তর জানায়, আটক যাত্রী সুলতানা রাজিয়ার পাসপোর্টে চলতি বছরের ১৩ আগস্ট ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার আনার তথ্য পাওয়া গেছে। একই বছরে আবারও সমপরিমাণ স্বর্ণালংকার আনার বিষয়টি শনাক্ত হওয়ায় এবারের চালানটি আটক করা হয়।
এদিকে, ৭ নভেম্বর কাতার থেকে আসা কিউআর-৬৪০ ফ্লাইটের ব্যাগেজ বেল্টে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৬৬ কার্টন সিগারেট পাওয়া যায়। পরে সেগুলো জব্দ করেন কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।
এনবিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যাত্রীদের ব্যাগেজে ই-সিগারেট বহনের ঘটনা নতুন ধরনের চোরাচালান প্রবণতা হিসেবে দেখা যাচ্ছে। রাজস্ব ফাঁকি রোধের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ও নিষিদ্ধ পণ্যের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিমানবন্দরে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন