তিন দিনের সফরে সোমবার (৯ নভেম্বর) বাংলাদেশে আসছেন যুক্তরাজ্যের রাজপরিবারের সদস্য এডিনবার্গের ডাচেস। ১১ নভেম্বর পর্যন্ত চলা এই সফরে নারী ও কন্যাশিশুদের অধিকার, নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়নের পাশাপাশি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মানবিক সহায়তার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাবে।
সফরকালে বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন ডাচেস। এসব কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগের বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে।
ঢাকায় অবস্থানকালে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের সঙ্গেও বৈঠক করবেন তিনি। আলোচনায় নারী ও কন্যাশিশুদের জীবনমান উন্নয়ন, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সমাজে সমান সুযোগ তৈরির বিষয়গুলো স্থান পাবে।
সফরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস সাপোর্ট অপারেশন ট্রেনিং (বিআইপিএসওটি) পরিদর্শন করবেন এডিনবার্গের ডাচেস। সেখানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অবদান সম্পর্কে জানার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারী শান্তিরক্ষীদের অংশগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করবেন।
এ ছাড়া বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) ঘুরে দেখবেন তিনি। সেখানে নারী হকি খেলোয়াড় ও তরুণ ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে কথা বলার কথা রয়েছে। খেলাধুলার মাধ্যমে মেয়েদের আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্বের দক্ষতা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা তৈরির বিষয়টি এ কর্মসূচিতে গুরুত্ব পাবে।
বাংলাদেশে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানেও যোগ দেবেন ডাচেস। সেখানে তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং নারী ক্ষমতায়নে বিভিন্ন উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরবেন।
ঢাকার কর্মসূচি শেষে কক্সবাজারে যাবেন তিনি। সেখানে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংস্থার কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করবেন। বিশেষ করে বাস্তুচ্যুত নারী, শিশু ও পরিবারগুলোর জন্য পরিচালিত মানবিক সহায়তা, সুরক্ষা এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজ নেবেন।
এ সময় শরণার্থী জনগোষ্ঠীর মধ্যে নেতৃত্ব বিকাশ, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নারীদের সক্ষমতা তৈরিতে পরিচালিত উদ্যোগগুলোও দেখবেন তিনি। বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক সেবা নিশ্চিত করা এবং নারী ও শিশুদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার প্রচেষ্টাও তার সফরের আলোচনায় গুরুত্ব পাবে।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
তিন দিনের সফরে সোমবার (৯ নভেম্বর) বাংলাদেশে আসছেন যুক্তরাজ্যের রাজপরিবারের সদস্য এডিনবার্গের ডাচেস। ১১ নভেম্বর পর্যন্ত চলা এই সফরে নারী ও কন্যাশিশুদের অধিকার, নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়নের পাশাপাশি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মানবিক সহায়তার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাবে।
সফরকালে বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন ডাচেস। এসব কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগের বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে।
ঢাকায় অবস্থানকালে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের সঙ্গেও বৈঠক করবেন তিনি। আলোচনায় নারী ও কন্যাশিশুদের জীবনমান উন্নয়ন, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সমাজে সমান সুযোগ তৈরির বিষয়গুলো স্থান পাবে।
সফরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস সাপোর্ট অপারেশন ট্রেনিং (বিআইপিএসওটি) পরিদর্শন করবেন এডিনবার্গের ডাচেস। সেখানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অবদান সম্পর্কে জানার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারী শান্তিরক্ষীদের অংশগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করবেন।
এ ছাড়া বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) ঘুরে দেখবেন তিনি। সেখানে নারী হকি খেলোয়াড় ও তরুণ ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে কথা বলার কথা রয়েছে। খেলাধুলার মাধ্যমে মেয়েদের আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্বের দক্ষতা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা তৈরির বিষয়টি এ কর্মসূচিতে গুরুত্ব পাবে।
বাংলাদেশে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানেও যোগ দেবেন ডাচেস। সেখানে তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং নারী ক্ষমতায়নে বিভিন্ন উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরবেন।
ঢাকার কর্মসূচি শেষে কক্সবাজারে যাবেন তিনি। সেখানে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংস্থার কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করবেন। বিশেষ করে বাস্তুচ্যুত নারী, শিশু ও পরিবারগুলোর জন্য পরিচালিত মানবিক সহায়তা, সুরক্ষা এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজ নেবেন।
এ সময় শরণার্থী জনগোষ্ঠীর মধ্যে নেতৃত্ব বিকাশ, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নারীদের সক্ষমতা তৈরিতে পরিচালিত উদ্যোগগুলোও দেখবেন তিনি। বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক সেবা নিশ্চিত করা এবং নারী ও শিশুদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার প্রচেষ্টাও তার সফরের আলোচনায় গুরুত্ব পাবে।

আপনার মতামত লিখুন