বিচার বিভাগের ওপর সবচেয়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি। অর্থনৈতিক দুর্নীতির তুলনায় এই দুর্নীতি বিচারব্যবস্থাকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
আজ রোববার (৮ নভেম্বর) বিচারিক শুদ্ধাচার কর্মশালায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, বিচার বিভাগে আর্থিক অনিয়মের চেয়েও বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতির প্রভাব বেশি। এ প্রসঙ্গে তিনি ত্রয়োদশ সংশোধনীকে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতির ফল হিসেবে উল্লেখ করেন।
বিচারকদের সততা নিয়ে বক্তব্যে আইনমন্ত্রী বলেন, একজন বিচারকের পরিচয়ের সঙ্গে আলাদাভাবে ‘সৎ’ শব্দটি যুক্ত করা অতিরঞ্জিত। কারণ, বিচারকের মূল দায়িত্বই হলো সততা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
তিনি আরও জানান, কোনো বিচারকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে সে বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থান নেবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখা এবং পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকারের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
বিচার বিভাগের অতীত ভূমিকার সমালোচনা করে আইনমন্ত্রী বলেন, সালাহউদ্দিন আহমদ গুম হওয়ার সময় বিচার বিভাগ তার পাশে দাঁড়ায়নি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিচার বিভাগের দায়িত্ব পালনের বিষয়টিও সামনে আনেন তিনি।
এ ছাড়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের অবস্থান জানান আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় তাকে ফেরাতে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী ভারত সরকার শেখ হাসিনাকে ফেরত দেবে বলে আশা করছে বাংলাদেশ সরকার।
বক্তব্যে বিচার বিভাগের শুদ্ধাচার নিশ্চিত করা, বিচারকদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং প্রতিষ্ঠানটির স্বাধীনতা সুরক্ষায় সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
বিচার বিভাগের ওপর সবচেয়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি। অর্থনৈতিক দুর্নীতির তুলনায় এই দুর্নীতি বিচারব্যবস্থাকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
আজ রোববার (৮ নভেম্বর) বিচারিক শুদ্ধাচার কর্মশালায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, বিচার বিভাগে আর্থিক অনিয়মের চেয়েও বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতির প্রভাব বেশি। এ প্রসঙ্গে তিনি ত্রয়োদশ সংশোধনীকে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতির ফল হিসেবে উল্লেখ করেন।
বিচারকদের সততা নিয়ে বক্তব্যে আইনমন্ত্রী বলেন, একজন বিচারকের পরিচয়ের সঙ্গে আলাদাভাবে ‘সৎ’ শব্দটি যুক্ত করা অতিরঞ্জিত। কারণ, বিচারকের মূল দায়িত্বই হলো সততা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
তিনি আরও জানান, কোনো বিচারকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে সে বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থান নেবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখা এবং পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকারের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
বিচার বিভাগের অতীত ভূমিকার সমালোচনা করে আইনমন্ত্রী বলেন, সালাহউদ্দিন আহমদ গুম হওয়ার সময় বিচার বিভাগ তার পাশে দাঁড়ায়নি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিচার বিভাগের দায়িত্ব পালনের বিষয়টিও সামনে আনেন তিনি।
এ ছাড়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের অবস্থান জানান আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় তাকে ফেরাতে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী ভারত সরকার শেখ হাসিনাকে ফেরত দেবে বলে আশা করছে বাংলাদেশ সরকার।
বক্তব্যে বিচার বিভাগের শুদ্ধাচার নিশ্চিত করা, বিচারকদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং প্রতিষ্ঠানটির স্বাধীনতা সুরক্ষায় সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন