বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের একটি ঐতিহ্যবাহী জেলা নারায়ণগঞ্জ। শীতলক্ষ্যা নদী, সোনারগাঁয়ের ইতিহাস, জামদানি শিল্প এবং প্রাচ্যের ড্যান্ডি হিসেবে পরিচিত এই জেলার রয়েছে সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও খাদ্যঐতিহ্য।
নারায়ণগঞ্জের খাবারের কথা উঠলে প্রথমেই আসে সোনারগাঁয়ের কাইক্কারটেক হাটের বিখ্যাত পুতা মিষ্টি। এছাড়া শহরের পুরোনো মিষ্টির দোকানের ক্ষীর চপ, কাঁচাগোল্লা, রসগোল্লা, চমচম, দই এবং ঐতিহ্যবাহী পরোটা-ভাজির বিশেষ পরিচিতি রয়েছে।
চলুন জেনে নেওয়া যাক নারায়ণগঞ্জ জেলার বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কিছু খাবার সম্পর্কে।
নারায়ণগঞ্জ জেলার সবচেয়ে আকর্ষণীয় ঐতিহ্যবাহী খাবারের মধ্যে পুতা মিষ্টি অন্যতম। বিশেষ করে সোনারগাঁ উপজেলার কাইক্কারটেক হাট এই মিষ্টির জন্য পরিচিত।
দেখতে অনেকটা চমচমের মতো হলেও পুতা মিষ্টি আকারে অনেক বড় হয়। কোনো কোনো মিষ্টির ওজন এক থেকে দেড় কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে।
গরুর দুধের ছানা, ময়দা ও চিনির শিরা দিয়ে তৈরি করা হয় এই মিষ্টি। এর বিশেষ স্বাদ ও বড় আকৃতির কারণে দূরদূরান্ত থেকে মানুষ কাইক্কারটেক হাটে আসেন।
প্রতি রোববার বসা কাইক্কারটেক হাটে পুতা মিষ্টির পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি ও স্থানীয় খাবার পাওয়া যায়।
নারায়ণগঞ্জ শহরের পুরোনো মিষ্টির দোকানগুলোর মধ্যে ক্ষীর চপ বেশ পরিচিত একটি মিষ্টান্ন।
দুধ জ্বাল দিয়ে তৈরি ঘন ক্ষীর ও ছানার বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করে তৈরি করা হয় এই মিষ্টি।
নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির দোকান নিউ মিষ্টি মুখে ক্ষীর চপ বেশ পরিচিত। দীর্ঘদিনের মিষ্টি তৈরির ঐতিহ্যের কারণে এই দোকানের সুনাম রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের পুরোনো মিষ্টির দোকানগুলোর পরিচিত মিষ্টির মধ্যে কাঁচাগোল্লা অন্যতম।
তাজা ছানা, চিনি ও দুধের উপকরণ দিয়ে তৈরি করা হয় এই মিষ্টি। নরম গঠন ও হালকা মিষ্টি স্বাদের কারণে এটি অনেকের পছন্দের।
শহরের আদি আদর্শ মিষ্টান্ন ভান্ডারসহ বিভিন্ন পুরোনো মিষ্টির দোকানে কাঁচাগোল্লা পাওয়া যায়।
নারায়ণগঞ্জের মিষ্টির পাশাপাশি দইয়েরও বিশেষ পরিচিতি রয়েছে।
শহরের মিষ্টি মুখ, জগৎবন্ধু মিষ্টান্ন ভান্ডার এবং সিদ্ধিরগঞ্জের প্রাণ বল্লভের দই দীর্ঘদিন ধরে ক্রেতাদের কাছে পরিচিত।
ঘন দুধ থেকে তৈরি মিষ্টি দই ও টক দই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পরিবেশন করা হয়। অতিথি আপ্যায়নেও দইয়ের প্রচলন রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের পুরোনো মিষ্টির দোকানগুলোতে বড় আকৃতির চমচম পাওয়া যায়।
ছানা দিয়ে তৈরি এই মিষ্টি চিনির শিরায় জ্বাল দিয়ে প্রস্তুত করা হয়। এর নরম গঠন ও মিষ্টি স্বাদ বেশ আকর্ষণীয়।
বিশেষ করে নিউ মিষ্টি মুখের বড় চমচম বা চ্যালেঞ্জার নামে পরিচিত মিষ্টিটি বেশ জনপ্রিয়।
নারায়ণগঞ্জ শহরের কালীর বাজার এলাকার আদি আদর্শ মিষ্টান্ন ভান্ডার শুধু মিষ্টির জন্যই নয়, পরোটা-ভাজির জন্যও পরিচিত।
মচমচে পরোটার সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের সবজি দিয়ে তৈরি ভাজি পরিবেশন করা হয়।
বিশেষ মসলা ও পাঁচফোড়নের ব্যবহারে এই ভাজির স্বাদে আলাদা বৈশিষ্ট্য তৈরি হয়েছে।
সকালের নাশতায় পরোটা-ভাজি খেতে চাইলে এটি একটি পরিচিত খাবার।
সোনারগাঁয়ের কাইক্কারটেক হাটে পুতা মিষ্টির পাশাপাশি রসগোল্লা ও কালোজামও পাওয়া যায়।
ছানা দিয়ে তৈরি রসগোল্লা চিনির শিরায় ভিজিয়ে প্রস্তুত করা হয়। অন্যদিকে দুধের ছানা ও বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে তৈরি কালোজাম ভেজে চিনির শিরায় ডুবিয়ে রাখা হয়।
হাটে ঘুরতে গেলে এসব মিষ্টির স্বাদ নিতে পারেন।
নারায়ণগঞ্জের পুরোনো মিষ্টির দোকানগুলোর ঐতিহ্যবাহী খাবারের মধ্যে লুচি ও হালুয়া উল্লেখযোগ্য।
ময়দার খামির দিয়ে তৈরি লুচি তেলে ভেজে পরিবেশন করা হয়। অন্যদিকে সুজি, চিনি, ঘি ও বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে তৈরি করা হয় হালুয়া।
সকালের নাশতা কিংবা বিকেলের খাবার হিসেবে লুচি-হালুয়া বেশ উপভোগ্য।
নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা ও মেঘনা নদীসহ বিভিন্ন জলাশয়ে দেশি মাছ পাওয়া যায়।
রুই, কাতলা, বোয়াল, আইড়, টেংরা ও বিভিন্ন ছোট মাছ দিয়ে স্থানীয়ভাবে নানা ধরনের রান্না তৈরি করা হয়।
মাছের ঝোল, ভুনা ও ভর্তা এখানকার সাধারণ বাঙালি খাবারের পরিচিত পদ।
গরম ভাতের সঙ্গে দেশি মাছের তরকারি খেতে বেশ ভালো লাগে।
নারায়ণগঞ্জের গ্রামীণ এলাকাগুলোতে শীতকালে বিভিন্ন ধরনের পিঠা তৈরির প্রচলন রয়েছে।
ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, পাটিসাপটা, পুলি পিঠা ও নকশি পিঠা এখানকার পরিচিত পিঠার মধ্যে পড়ে।
চালের গুঁড়া, নারকেল, দুধ ও খেজুরের গুড় দিয়ে তৈরি এসব পিঠা শীতের মৌসুমে মানুষের খাবারের তালিকায় বিশেষ জায়গা দখল করে।
নারায়ণগঞ্জের পারিবারিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে ফিরনি ও পায়েস পরিবেশনের প্রচলন রয়েছে।
দুধ, চালের গুঁড়া, চিনি ও এলাচ দিয়ে তৈরি করা হয় ফিরনি। অন্যদিকে চাল, দুধ ও গুড় দিয়ে তৈরি হয় পায়েস।
বিয়ে, ঈদ, পূজা ও বিভিন্ন পারিবারিক অনুষ্ঠানে এসব মিষ্টান্ন পরিবেশন করা হয়।
নারায়ণগঞ্জের খাবারের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এখানকার পুরোনো মিষ্টি তৈরির ঐতিহ্য এবং সোনারগাঁয়ের ঐতিহাসিক হাটকেন্দ্রিক খাদ্যসংস্কৃতি।
বিশেষ করে কাইক্কারটেক হাটের পুতা মিষ্টি, শহরের ক্ষীর চপ, কাঁচাগোল্লা, চমচম, দই এবং আদি আদর্শ মিষ্টান্ন ভান্ডারের পরোটা-ভাজি নারায়ণগঞ্জের খাবারের পরিচিতি বহন করে।
নারায়ণগঞ্জ শুধু জামদানি শিল্প, শীতলক্ষ্যা নদী ও সোনারগাঁয়ের ঐতিহাসিক স্থাপনার জন্যই বিখ্যাত নয়, এখানকার খাবারের ঐতিহ্যও বেশ সমৃদ্ধ। কাইক্কারটেক হাটের পুতা মিষ্টি, ক্ষীর চপ, কাঁচাগোল্লা, চমচম, দই এবং পরোটা-ভাজি এ জেলার খাদ্যসংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ আকর্ষণ।
তাই নারায়ণগঞ্জ ভ্রমণে গেলে সোনারগাঁয়ের কাইক্কারটেক হাট ঘুরে পুতা মিষ্টির স্বাদ নিতে ভুলবেন না। পাশাপাশি শহরের পুরোনো মিষ্টির দোকানগুলো থেকে স্থানীয় মিষ্টি ও দইয়ের স্বাদ নিতে পারেন।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের একটি ঐতিহ্যবাহী জেলা নারায়ণগঞ্জ। শীতলক্ষ্যা নদী, সোনারগাঁয়ের ইতিহাস, জামদানি শিল্প এবং প্রাচ্যের ড্যান্ডি হিসেবে পরিচিত এই জেলার রয়েছে সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও খাদ্যঐতিহ্য।
নারায়ণগঞ্জের খাবারের কথা উঠলে প্রথমেই আসে সোনারগাঁয়ের কাইক্কারটেক হাটের বিখ্যাত পুতা মিষ্টি। এছাড়া শহরের পুরোনো মিষ্টির দোকানের ক্ষীর চপ, কাঁচাগোল্লা, রসগোল্লা, চমচম, দই এবং ঐতিহ্যবাহী পরোটা-ভাজির বিশেষ পরিচিতি রয়েছে।
চলুন জেনে নেওয়া যাক নারায়ণগঞ্জ জেলার বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কিছু খাবার সম্পর্কে।
নারায়ণগঞ্জ জেলার সবচেয়ে আকর্ষণীয় ঐতিহ্যবাহী খাবারের মধ্যে পুতা মিষ্টি অন্যতম। বিশেষ করে সোনারগাঁ উপজেলার কাইক্কারটেক হাট এই মিষ্টির জন্য পরিচিত।
দেখতে অনেকটা চমচমের মতো হলেও পুতা মিষ্টি আকারে অনেক বড় হয়। কোনো কোনো মিষ্টির ওজন এক থেকে দেড় কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে।
গরুর দুধের ছানা, ময়দা ও চিনির শিরা দিয়ে তৈরি করা হয় এই মিষ্টি। এর বিশেষ স্বাদ ও বড় আকৃতির কারণে দূরদূরান্ত থেকে মানুষ কাইক্কারটেক হাটে আসেন।
প্রতি রোববার বসা কাইক্কারটেক হাটে পুতা মিষ্টির পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি ও স্থানীয় খাবার পাওয়া যায়।
নারায়ণগঞ্জ শহরের পুরোনো মিষ্টির দোকানগুলোর মধ্যে ক্ষীর চপ বেশ পরিচিত একটি মিষ্টান্ন।
দুধ জ্বাল দিয়ে তৈরি ঘন ক্ষীর ও ছানার বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করে তৈরি করা হয় এই মিষ্টি।
নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির দোকান নিউ মিষ্টি মুখে ক্ষীর চপ বেশ পরিচিত। দীর্ঘদিনের মিষ্টি তৈরির ঐতিহ্যের কারণে এই দোকানের সুনাম রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের পুরোনো মিষ্টির দোকানগুলোর পরিচিত মিষ্টির মধ্যে কাঁচাগোল্লা অন্যতম।
তাজা ছানা, চিনি ও দুধের উপকরণ দিয়ে তৈরি করা হয় এই মিষ্টি। নরম গঠন ও হালকা মিষ্টি স্বাদের কারণে এটি অনেকের পছন্দের।
শহরের আদি আদর্শ মিষ্টান্ন ভান্ডারসহ বিভিন্ন পুরোনো মিষ্টির দোকানে কাঁচাগোল্লা পাওয়া যায়।
নারায়ণগঞ্জের মিষ্টির পাশাপাশি দইয়েরও বিশেষ পরিচিতি রয়েছে।
শহরের মিষ্টি মুখ, জগৎবন্ধু মিষ্টান্ন ভান্ডার এবং সিদ্ধিরগঞ্জের প্রাণ বল্লভের দই দীর্ঘদিন ধরে ক্রেতাদের কাছে পরিচিত।
ঘন দুধ থেকে তৈরি মিষ্টি দই ও টক দই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পরিবেশন করা হয়। অতিথি আপ্যায়নেও দইয়ের প্রচলন রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের পুরোনো মিষ্টির দোকানগুলোতে বড় আকৃতির চমচম পাওয়া যায়।
ছানা দিয়ে তৈরি এই মিষ্টি চিনির শিরায় জ্বাল দিয়ে প্রস্তুত করা হয়। এর নরম গঠন ও মিষ্টি স্বাদ বেশ আকর্ষণীয়।
বিশেষ করে নিউ মিষ্টি মুখের বড় চমচম বা চ্যালেঞ্জার নামে পরিচিত মিষ্টিটি বেশ জনপ্রিয়।
নারায়ণগঞ্জ শহরের কালীর বাজার এলাকার আদি আদর্শ মিষ্টান্ন ভান্ডার শুধু মিষ্টির জন্যই নয়, পরোটা-ভাজির জন্যও পরিচিত।
মচমচে পরোটার সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের সবজি দিয়ে তৈরি ভাজি পরিবেশন করা হয়।
বিশেষ মসলা ও পাঁচফোড়নের ব্যবহারে এই ভাজির স্বাদে আলাদা বৈশিষ্ট্য তৈরি হয়েছে।
সকালের নাশতায় পরোটা-ভাজি খেতে চাইলে এটি একটি পরিচিত খাবার।
সোনারগাঁয়ের কাইক্কারটেক হাটে পুতা মিষ্টির পাশাপাশি রসগোল্লা ও কালোজামও পাওয়া যায়।
ছানা দিয়ে তৈরি রসগোল্লা চিনির শিরায় ভিজিয়ে প্রস্তুত করা হয়। অন্যদিকে দুধের ছানা ও বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে তৈরি কালোজাম ভেজে চিনির শিরায় ডুবিয়ে রাখা হয়।
হাটে ঘুরতে গেলে এসব মিষ্টির স্বাদ নিতে পারেন।
নারায়ণগঞ্জের পুরোনো মিষ্টির দোকানগুলোর ঐতিহ্যবাহী খাবারের মধ্যে লুচি ও হালুয়া উল্লেখযোগ্য।
ময়দার খামির দিয়ে তৈরি লুচি তেলে ভেজে পরিবেশন করা হয়। অন্যদিকে সুজি, চিনি, ঘি ও বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে তৈরি করা হয় হালুয়া।
সকালের নাশতা কিংবা বিকেলের খাবার হিসেবে লুচি-হালুয়া বেশ উপভোগ্য।
নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা ও মেঘনা নদীসহ বিভিন্ন জলাশয়ে দেশি মাছ পাওয়া যায়।
রুই, কাতলা, বোয়াল, আইড়, টেংরা ও বিভিন্ন ছোট মাছ দিয়ে স্থানীয়ভাবে নানা ধরনের রান্না তৈরি করা হয়।
মাছের ঝোল, ভুনা ও ভর্তা এখানকার সাধারণ বাঙালি খাবারের পরিচিত পদ।
গরম ভাতের সঙ্গে দেশি মাছের তরকারি খেতে বেশ ভালো লাগে।
নারায়ণগঞ্জের গ্রামীণ এলাকাগুলোতে শীতকালে বিভিন্ন ধরনের পিঠা তৈরির প্রচলন রয়েছে।
ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, পাটিসাপটা, পুলি পিঠা ও নকশি পিঠা এখানকার পরিচিত পিঠার মধ্যে পড়ে।
চালের গুঁড়া, নারকেল, দুধ ও খেজুরের গুড় দিয়ে তৈরি এসব পিঠা শীতের মৌসুমে মানুষের খাবারের তালিকায় বিশেষ জায়গা দখল করে।
নারায়ণগঞ্জের পারিবারিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে ফিরনি ও পায়েস পরিবেশনের প্রচলন রয়েছে।
দুধ, চালের গুঁড়া, চিনি ও এলাচ দিয়ে তৈরি করা হয় ফিরনি। অন্যদিকে চাল, দুধ ও গুড় দিয়ে তৈরি হয় পায়েস।
বিয়ে, ঈদ, পূজা ও বিভিন্ন পারিবারিক অনুষ্ঠানে এসব মিষ্টান্ন পরিবেশন করা হয়।
নারায়ণগঞ্জের খাবারের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এখানকার পুরোনো মিষ্টি তৈরির ঐতিহ্য এবং সোনারগাঁয়ের ঐতিহাসিক হাটকেন্দ্রিক খাদ্যসংস্কৃতি।
বিশেষ করে কাইক্কারটেক হাটের পুতা মিষ্টি, শহরের ক্ষীর চপ, কাঁচাগোল্লা, চমচম, দই এবং আদি আদর্শ মিষ্টান্ন ভান্ডারের পরোটা-ভাজি নারায়ণগঞ্জের খাবারের পরিচিতি বহন করে।
নারায়ণগঞ্জ শুধু জামদানি শিল্প, শীতলক্ষ্যা নদী ও সোনারগাঁয়ের ঐতিহাসিক স্থাপনার জন্যই বিখ্যাত নয়, এখানকার খাবারের ঐতিহ্যও বেশ সমৃদ্ধ। কাইক্কারটেক হাটের পুতা মিষ্টি, ক্ষীর চপ, কাঁচাগোল্লা, চমচম, দই এবং পরোটা-ভাজি এ জেলার খাদ্যসংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ আকর্ষণ।
তাই নারায়ণগঞ্জ ভ্রমণে গেলে সোনারগাঁয়ের কাইক্কারটেক হাট ঘুরে পুতা মিষ্টির স্বাদ নিতে ভুলবেন না। পাশাপাশি শহরের পুরোনো মিষ্টির দোকানগুলো থেকে স্থানীয় মিষ্টি ও দইয়ের স্বাদ নিতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন