লক্ষ্মীপুরের সদর উপজেলায় মোটরসাইকেল ফেরত চাওয়ায় শাকিল হোসেন ও তার অনুসারীদের হামলায় হোসেন মিয়া (৫০) নামের এক টেইলার্স ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ সময় তার ছেলে পল্লী চিকিৎসক সাইফুল ইসলামকেও মারধর করা হয়।
রোববার (১ নভেম্বর) রাতে সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের কাজিরদিঘীরপাড় বাজারে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হোসেন মিয়া ওই এলাকার সুলতান আহমেদ ভূঁইয়ার ছেলে। তিনি আগে থেকেই হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।
নিহতের পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত ১৯ অক্টোবর ১০ মিনিটের কথা বলে সাইফুলের কাছ থেকে মোটরসাইকেল নিয়েছিলেন শাকিল। কিন্তু ১৩ দিন পেরিয়ে গেলেও তা ফেরত দিচ্ছিলেন না তিনি। গাড়ি ফেরত দেওয়ার বিষয়ে শনিবার সালিশে বসার কথা থাকলেও শাকিল তা এড়িয়ে যান। পরে রোববার রাতে কাজিরদিঘীরপাড় বাজারে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শাকিল ও বিপ্লবের হামলায় হোসেন মিয়া অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
আহত সাইফুল ইসলাম বলেন, ১৯ অক্টোবর গাড়ি নেওয়ার পর থেকেই শাকিল টালবাহানা শুরু করেন। রোববার রাতে গাড়ি আনতে গেলে শাকিল আমার বাবার বুকে ও নাকে আঘাত করেন, এতে তার মৃত্যু হয়। আমি আমার বাবা হত্যার বিচার চাই।
সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. জহুরুল ইসলাম রনি বলেন, হোসেন নামের ওই ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে এবং মামলার প্রস্তুতিও প্রক্রিয়াধীন।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
লক্ষ্মীপুরের সদর উপজেলায় মোটরসাইকেল ফেরত চাওয়ায় শাকিল হোসেন ও তার অনুসারীদের হামলায় হোসেন মিয়া (৫০) নামের এক টেইলার্স ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ সময় তার ছেলে পল্লী চিকিৎসক সাইফুল ইসলামকেও মারধর করা হয়।
রোববার (১ নভেম্বর) রাতে সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের কাজিরদিঘীরপাড় বাজারে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হোসেন মিয়া ওই এলাকার সুলতান আহমেদ ভূঁইয়ার ছেলে। তিনি আগে থেকেই হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।
নিহতের পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত ১৯ অক্টোবর ১০ মিনিটের কথা বলে সাইফুলের কাছ থেকে মোটরসাইকেল নিয়েছিলেন শাকিল। কিন্তু ১৩ দিন পেরিয়ে গেলেও তা ফেরত দিচ্ছিলেন না তিনি। গাড়ি ফেরত দেওয়ার বিষয়ে শনিবার সালিশে বসার কথা থাকলেও শাকিল তা এড়িয়ে যান। পরে রোববার রাতে কাজিরদিঘীরপাড় বাজারে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শাকিল ও বিপ্লবের হামলায় হোসেন মিয়া অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
আহত সাইফুল ইসলাম বলেন, ১৯ অক্টোবর গাড়ি নেওয়ার পর থেকেই শাকিল টালবাহানা শুরু করেন। রোববার রাতে গাড়ি আনতে গেলে শাকিল আমার বাবার বুকে ও নাকে আঘাত করেন, এতে তার মৃত্যু হয়। আমি আমার বাবা হত্যার বিচার চাই।
সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. জহুরুল ইসলাম রনি বলেন, হোসেন নামের ওই ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে এবং মামলার প্রস্তুতিও প্রক্রিয়াধীন।

আপনার মতামত লিখুন