কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি :
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় প্রায় তিন বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন যুবক মোঃ মনিরুল ইসলাম। দীর্ঘদিনেও সন্তানের কোনো সন্ধান না পাওয়ায় শোকে কাতর হয়ে পড়েছেন তার বাবা-মা। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন পিতা মোঃ শফিকুল ইসলাম।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কূর্শা ইউনিয়নের শ্যামপুর এলাকার বাসিন্দা দিনমজুর মোঃ শফিকুল ইসলামের ছেলে মনিরুল ইসলামকে প্রতিবেশী সজীব মিয়া ঢাকায় কাজ দেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে নিয়ে যান। কয়েকদিন পর সজীব মিয়া বাড়িতে ফিরে এলেও মনিরুল আর ফিরে আসেননি।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, কিছুদিন পর মনিরুল ইসলামের ব্যবহৃত ব্যাগ, জামাকাপড় ও মোবাইল ফোনের চার্জার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হলেও তার কোনো খোঁজ মেলেনি। এ বিষয়ে সজীব মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দিয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী পিতা শফিকুল ইসলাম বলেন,
“আমি দিনমজুর মানুষ। অনেক কষ্ট করে ছেলেকে বড় করেছি। দীর্ঘদিন ধরে ছেলের কোনো সন্ধান না পেয়ে আমরা খুবই অসহায় অবস্থায় আছি।”
তিনি আরোও বলেন বিষয়টি স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সমাধান হয়নি। পরে বাধ্য হয়ে কাউনিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন তারা।
এ বিষয়ে কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিহাব উদ্দিন জানান, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি :
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় প্রায় তিন বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন যুবক মোঃ মনিরুল ইসলাম। দীর্ঘদিনেও সন্তানের কোনো সন্ধান না পাওয়ায় শোকে কাতর হয়ে পড়েছেন তার বাবা-মা। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন পিতা মোঃ শফিকুল ইসলাম।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কূর্শা ইউনিয়নের শ্যামপুর এলাকার বাসিন্দা দিনমজুর মোঃ শফিকুল ইসলামের ছেলে মনিরুল ইসলামকে প্রতিবেশী সজীব মিয়া ঢাকায় কাজ দেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে নিয়ে যান। কয়েকদিন পর সজীব মিয়া বাড়িতে ফিরে এলেও মনিরুল আর ফিরে আসেননি।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, কিছুদিন পর মনিরুল ইসলামের ব্যবহৃত ব্যাগ, জামাকাপড় ও মোবাইল ফোনের চার্জার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হলেও তার কোনো খোঁজ মেলেনি। এ বিষয়ে সজীব মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দিয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী পিতা শফিকুল ইসলাম বলেন,
“আমি দিনমজুর মানুষ। অনেক কষ্ট করে ছেলেকে বড় করেছি। দীর্ঘদিন ধরে ছেলের কোনো সন্ধান না পেয়ে আমরা খুবই অসহায় অবস্থায় আছি।”
তিনি আরোও বলেন বিষয়টি স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সমাধান হয়নি। পরে বাধ্য হয়ে কাউনিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন তারা।
এ বিষয়ে কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিহাব উদ্দিন জানান, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন