সাভারঃ আশুলিয়ায় নিখোঁজের তিন ঘণ্টা পর একটি ভবনের ছাদ থেকে আব্দুর রহমান নামের ৫ বছরের এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় শিশুটির গলায় লাল টেপ প্যাঁচানো এবং মুখের ভেতর চাল ও পলিথিন ঢোকানো অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আশুলিয়ার ভাদাইল বাজার চৌরাস্তা এলাকার হারুন মিয়ার তিনতলা বাড়ির ছাদ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত শিশু আব্দুর রহমান (৫) জামালপুর জেলার মেলান্দহ থানার বাগবাড়ি এলাকার মোঃ শহিদ মিয়া ছেলে। তারা আশুলিয়ার ভাদাইল বাজার চৌরাস্তা এলাকার হারুন মিয়ার তিনতলা বাড়ির নিচতলায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শিশু আব্দুর রহমান নিচতলার বাসা থেকে বের হয়। এর ১০ মিনিট পর পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করলেও কোথাও পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ওই ভবনের ছাদে একটি সাদা রঙের প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর শিশুটির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন বাড়িওয়ালা হারুন অর রশিদের স্ত্রী রিনা বেগম (৪০)। এ সময় শিশুটির গলায় লাল টেপ প্যাঁচানো এবং মুখের মধ্যে চাল ও পলিথিন ঢোকানো মৃত অবস্থায় ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শী ও বাড়িওয়ালার স্ত্রী রিনা বেগম জানান, আমি বাসার ছাদে হাঁস পালন করি। বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে হাঁসকে খাবার দিতে আমি বাসার ছাদে উঠি। হাঁসের খাঁচা খোলার সময় একটা হাঁস বের হয়ে যায়। হাঁসটিকে ধরতে গেলে সেটি উড়াল দিয়ে পাশে থাকা নেটের ওপর পড়ে। তখন নেটের নিচ থেকে একটা সাদা বস্তা বেরিয়ে আসে। আমি আরও কাছে গিয়ে বস্তাটি দেখে ভয় পেয়ে ডাকাডাকি শুরু করি, তখন সবাই ওপরে আসে। এরপর বস্তার ভেতর বাচ্চাটির ওই অবস্থা দেখার পর আমি অজ্ঞান হয়ে যাই।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে পাঠানো হয়েছে। কে বা কারা কী কারণে এই নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, পুলিশ সে বিষয় নিয়ে কাজ করছে।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
সাভারঃ আশুলিয়ায় নিখোঁজের তিন ঘণ্টা পর একটি ভবনের ছাদ থেকে আব্দুর রহমান নামের ৫ বছরের এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় শিশুটির গলায় লাল টেপ প্যাঁচানো এবং মুখের ভেতর চাল ও পলিথিন ঢোকানো অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আশুলিয়ার ভাদাইল বাজার চৌরাস্তা এলাকার হারুন মিয়ার তিনতলা বাড়ির ছাদ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত শিশু আব্দুর রহমান (৫) জামালপুর জেলার মেলান্দহ থানার বাগবাড়ি এলাকার মোঃ শহিদ মিয়া ছেলে। তারা আশুলিয়ার ভাদাইল বাজার চৌরাস্তা এলাকার হারুন মিয়ার তিনতলা বাড়ির নিচতলায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শিশু আব্দুর রহমান নিচতলার বাসা থেকে বের হয়। এর ১০ মিনিট পর পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করলেও কোথাও পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ওই ভবনের ছাদে একটি সাদা রঙের প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর শিশুটির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন বাড়িওয়ালা হারুন অর রশিদের স্ত্রী রিনা বেগম (৪০)। এ সময় শিশুটির গলায় লাল টেপ প্যাঁচানো এবং মুখের মধ্যে চাল ও পলিথিন ঢোকানো মৃত অবস্থায় ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শী ও বাড়িওয়ালার স্ত্রী রিনা বেগম জানান, আমি বাসার ছাদে হাঁস পালন করি। বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে হাঁসকে খাবার দিতে আমি বাসার ছাদে উঠি। হাঁসের খাঁচা খোলার সময় একটা হাঁস বের হয়ে যায়। হাঁসটিকে ধরতে গেলে সেটি উড়াল দিয়ে পাশে থাকা নেটের ওপর পড়ে। তখন নেটের নিচ থেকে একটা সাদা বস্তা বেরিয়ে আসে। আমি আরও কাছে গিয়ে বস্তাটি দেখে ভয় পেয়ে ডাকাডাকি শুরু করি, তখন সবাই ওপরে আসে। এরপর বস্তার ভেতর বাচ্চাটির ওই অবস্থা দেখার পর আমি অজ্ঞান হয়ে যাই।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে পাঠানো হয়েছে। কে বা কারা কী কারণে এই নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, পুলিশ সে বিষয় নিয়ে কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন