গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় ফরম পূরণ ও টাকা দেওয়ার পরও এক শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি এমন অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলার বেড়াইদেরচালা এলাকার হলি স্টার চাইল্ড একাডেমি স্কুলে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগকারী মো. রোমান ওই এলাকার বাসিন্দা এবং হলি স্টার চাইল্ড একাডেমির শিক্ষার্থী। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে স্থানীয় আলহাজ্ব ধনাই বেপারী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাধ্যমে এসএসসি পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করায়।
রোমান ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চলতি এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য তিনি ফরম পূরণের বাবদ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে ৬ হাজার ৮০০ টাকা জমা দেন। কিন্তু তার দাবি, ফরমটি শেষ পর্যন্ত জমা দেওয়া হয়নি। এমনকি পরীক্ষার আগের দিন ২০ এপ্রিল রাতে প্রধান শিক্ষক তাকে ফোন করে মে মাস পর্যন্ত বকেয়া বেতন ৪ হাজার ৪০০ টাকা এবং কেন্দ্র ফি হিসেবে ৪৫০ টাকা নেন। পরে তাকে জানানো হয়, এ বছর তার প্রবেশপত্র আসেনি এবং তাকে আগামী বছর পরীক্ষা দিতে হবে।
রোমানের অভিযোগ, সব পাওনা পরিশোধ করার পরও তাকে পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয়নি, যার ফলে একটি শিক্ষাবর্ষ নষ্ট হয়েছে।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শরিফ বেপারী। তিনি দাবি করেন, রোমান ফরম পূরণই করেনি এবং তার কাছ থেকে এ সংক্রান্ত কোনো অর্থ নেওয়া হয়নি; শুধু বকেয়া বেতনের টাকা নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় ফরম পূরণ ও টাকা দেওয়ার পরও এক শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি এমন অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলার বেড়াইদেরচালা এলাকার হলি স্টার চাইল্ড একাডেমি স্কুলে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগকারী মো. রোমান ওই এলাকার বাসিন্দা এবং হলি স্টার চাইল্ড একাডেমির শিক্ষার্থী। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে স্থানীয় আলহাজ্ব ধনাই বেপারী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাধ্যমে এসএসসি পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করায়।
রোমান ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চলতি এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য তিনি ফরম পূরণের বাবদ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে ৬ হাজার ৮০০ টাকা জমা দেন। কিন্তু তার দাবি, ফরমটি শেষ পর্যন্ত জমা দেওয়া হয়নি। এমনকি পরীক্ষার আগের দিন ২০ এপ্রিল রাতে প্রধান শিক্ষক তাকে ফোন করে মে মাস পর্যন্ত বকেয়া বেতন ৪ হাজার ৪০০ টাকা এবং কেন্দ্র ফি হিসেবে ৪৫০ টাকা নেন। পরে তাকে জানানো হয়, এ বছর তার প্রবেশপত্র আসেনি এবং তাকে আগামী বছর পরীক্ষা দিতে হবে।
রোমানের অভিযোগ, সব পাওনা পরিশোধ করার পরও তাকে পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয়নি, যার ফলে একটি শিক্ষাবর্ষ নষ্ট হয়েছে।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শরিফ বেপারী। তিনি দাবি করেন, রোমান ফরম পূরণই করেনি এবং তার কাছ থেকে এ সংক্রান্ত কোনো অর্থ নেওয়া হয়নি; শুধু বকেয়া বেতনের টাকা নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন