নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইতোমধ্যে পাঁচজনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে নিহত পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থল থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি একাধিক তদন্ত সংস্থা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সংগৃহীত আলামত ও জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রাথমিকভাবে পারিবারিক জমি-সম্পর্কিত বিরোধের বিষয়টি সামনে আসছে।
তিনি আরও বলেন, তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে এবং সঠিক কারণ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত মন্তব্য করা যাচ্ছে না। প্রয়োজনে আরও ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হবে।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন নিহত হাবিবুর রহমানের বাবা নমির উদ্দিন, তার দুই বোন ডালিমা ও হালিমা, ভাগনে সবুজ রানা এবং ভগ্নিপতি শহিদুল।
এদিকে স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার মধ্যরাতে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের একটি বাড়িতে দুর্বৃত্তরা একই পরিবারের চারজনকে হত্যা করে। ফজরের সময় প্রতিবেশীরা বাড়িতে গিয়ে মরদেহ দেখতে পান এবং পরে পুলিশকে খবর দেন।
নিহতরা হলেন হাবিবুর রহমান, তার স্ত্রী পপি সুলতানা, ছেলে পারভেজ এবং তিন বছরের মেয়ে সাদিয়া আক্তার।
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা, দীর্ঘদিন ধরে চলমান পারিবারিক দ্বন্দ্বই এ ভয়াবহ ঘটনার পেছনে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইতোমধ্যে পাঁচজনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে নিহত পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থল থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি একাধিক তদন্ত সংস্থা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সংগৃহীত আলামত ও জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রাথমিকভাবে পারিবারিক জমি-সম্পর্কিত বিরোধের বিষয়টি সামনে আসছে।
তিনি আরও বলেন, তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে এবং সঠিক কারণ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত মন্তব্য করা যাচ্ছে না। প্রয়োজনে আরও ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হবে।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন নিহত হাবিবুর রহমানের বাবা নমির উদ্দিন, তার দুই বোন ডালিমা ও হালিমা, ভাগনে সবুজ রানা এবং ভগ্নিপতি শহিদুল।
এদিকে স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার মধ্যরাতে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের একটি বাড়িতে দুর্বৃত্তরা একই পরিবারের চারজনকে হত্যা করে। ফজরের সময় প্রতিবেশীরা বাড়িতে গিয়ে মরদেহ দেখতে পান এবং পরে পুলিশকে খবর দেন।
নিহতরা হলেন হাবিবুর রহমান, তার স্ত্রী পপি সুলতানা, ছেলে পারভেজ এবং তিন বছরের মেয়ে সাদিয়া আক্তার।
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা, দীর্ঘদিন ধরে চলমান পারিবারিক দ্বন্দ্বই এ ভয়াবহ ঘটনার পেছনে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

আপনার মতামত লিখুন