মুন টাইমস নিউজ

রাজধানী

গার্মেন্টস বন্ধ হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে শ্রমজীবী মানুষ: ডিএসসিসি প্রশাসক

প্রকাশ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬ | ফটো কার্ড
গার্মেন্টস বন্ধ হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে শ্রমজীবী মানুষ: ডিএসসিসি প্রশাসক

দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে শিল্পকারখানার সুরক্ষা এবং শ্রমজীবী মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিএনপি চেয়ারম্যানের  উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম। 

তিনি বলেন, গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ বা ধ্বংস হলে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা লাগবে। একই সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়বেন এসব কারখানায় কাজ করা লাখ লাখ শ্রমজীবী মানুষ।

আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর নগরভবন অডিটরিয়ামে টেকসই ও দৃষ্টিনন্দন ওয়েস্টবিন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ঢাকায়, গাজীপুরে কিংবা দেশের বিভিন্ন জায়গায় বর্তমানে যেসব ঘটনা ঘটছে, সেগুলো কাম্য নয়। সরকারও বলছে, গার্মেন্টস কারখানা ধ্বংস হয়ে গেলে দেশের কোনো লাভ হবে না। আমাদের চিন্তা করতে হবে, এসব কারখানায় লাখ লাখ মা-বোন গ্রাম থেকে এসে কাজ করছেন। আগামীকাল থেকে যদি গার্মেন্টস বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা লাগবে।

তিনি বলেন, এসব নারী কাজের মাধ্যমে নিজেদের জীবনমান পরিবর্তন করেছেন। এখন তারা শহরে এসে নিজেদের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এনেছেন। কারখানা বন্ধ হয়ে গেলে তারা কি আবার গ্রামে ফিরে যেতে পারবেন? তখন ঢাকা ও গাজীপুরের সামাজিক পরিস্থিতি কী হবে, সেটিও আমাদের ভাবতে হবে। তাই কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দেশের অর্থনীতি ও মানুষের জীবিকার বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, সব সমস্যার দায় সরকারের ওপর চাপিয়ে দিলেই সমাধান হবে না। একটি নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই বিদ্যুৎ, অর্থনীতি, ব্যাংকিং খাতসহ সব সমস্যার সমাধান করে ফেলবে, এমন প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়। প্রতিটি সমস্যার সমাধানের জন্য সময় ও একটি প্রক্রিয়া প্রয়োজন। সরকারকে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে।

তিনি বলেন, গণতন্ত্রের কথা বললে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকেও কার্যকর হতে দিতে হবে। পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত সরকারকে পাঁচ বছর কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। সরকার ভালো কাজ করতে না পারলে পরবর্তী নির্বাচনে জনগণ ভোটের মাধ্যমে পরিবর্তন আনবে। কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই সব সমস্যার সমাধান না হওয়ায় সরকারকে বিদায় করে দেওয়ার কথা বলা কোনো সঠিক প্রক্রিয়া হতে পারে না।

ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বসবাসযোগ্য করতে নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আবদুস সালাম বলেন, ঢাকা শহর নিয়ে সবাই অসন্তুষ্ট হলেও দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অনেকে মনে করেন, সব দায়িত্ব শুধু সিটি করপোরেশনের। অথচ নগরীর উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে জনগণের ৫০ শতাংশ এবং সিটি করপোরেশনের ৫০ শতাংশ দায়িত্ব রয়েছে। সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব কিছুটা বেশি হতে পারে, তবে নাগরিকদের অংশগ্রহণও জরুরি।

তিনি বলেন, সকাল ৬টা থেকে ৮টা পর্যন্ত ঢাকা শহর পরিষ্কার থাকে। কিন্তু সকাল ৮টার পর মানুষ চলাচল শুরু করলে ১০টা, ১১টা ও ১২টার দিকে শহর আবর্জনার শহরে পরিণত হয়। নাগরিকদের এই অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে। সিটি করপোরেশন রাতে বর্জ্য সংগ্রহ করতে চাইলেও অনেক ক্ষেত্রে সকাল ৯টার পর আবর্জনা ফেলার কারণে দিনের বেলায় তা সংগ্রহ করতে হয়। তাই নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে বর্জ্য ফেলতে হবে এবং সিটি করপোরেশনকে সহযোগিতা করতে হবে।

বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের সামাজিক দায়বদ্ধতার উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন সংগঠনের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকসহ কয়েকটি ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এসেছে। অন্যান্য ব্যাংক, বিমা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকেও নগরীর উন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে।

নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে আবদুস সালাম বলেন, সড়কের বিভাজকগুলোতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞাপন প্রচার করে। বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি এসব জায়গার রক্ষণাবেক্ষণ, ফুলের গাছ লাগানো এবং সৌন্দর্যবর্ধনের দায়িত্বও তাদের নিতে হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবেন, একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রচারও হবে।

গণমাধ্যমের ভূমিকার বিষয়ে তিনি বলেন, জনগণকে সচেতন করার ক্ষেত্রে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। সরকারের সাফল্য-ব্যর্থতা তুলে ধরার পাশাপাশি কোথায় দুর্বলতা রয়েছে, তা ধরিয়ে দিতে হবে। তবে সমালোচনা করতে গিয়ে যেন কাজের উৎসাহ নষ্ট না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

দেশের প্রতি দায়িত্ববোধের গুরুত্ব তুলে ধরে আবদুস সালাম বলেন, দেশের প্রতি, সমাজের প্রতি এবং মানুষের প্রতি সবার দায়িত্ব রয়েছে। শুধু সরকারের ওপর সব দায়িত্ব ছেড়ে দিলে চলবে না। প্রত্যেককে নিজের আচরণ ও কাজের মাধ্যমে দেশপ্রেমের প্রমাণ দিতে হবে।

বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর সামাজিক দায়বদ্ধতার বিষয়ে তিনি বলেন, আগে বড় বড় প্রতিষ্ঠান জনকল্যাণে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, রাস্তা ও মসজিদসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলত। বর্তমানে এ ধরনের উদ্যোগ কমে গেছে। প্রত্যেকের আয়ের একটি অংশের হকদার জনগণ। সেই অংশ সমাজের উন্নয়নে ব্যয় করা গেলে সামগ্রিকভাবে সমাজ উপকৃত হবে।

বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংককে ধন্যবাদ জানিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, এ ধরনের উদ্যোগে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও এগিয়ে এলে ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন শহরে রূপান্তর করা সম্ভব হবে। তখন সবাই গর্ব করে বলতে পারবেন, এই শহর আমার।

Google Google -এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

আপনার মতামত লিখুন

মুন টাইমস নিউজ

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


গার্মেন্টস বন্ধ হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে শ্রমজীবী মানুষ: ডিএসসিসি প্রশাসক

প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে শিল্পকারখানার সুরক্ষা এবং শ্রমজীবী মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিএনপি চেয়ারম্যানের  উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম। 

তিনি বলেন, গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ বা ধ্বংস হলে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা লাগবে। একই সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়বেন এসব কারখানায় কাজ করা লাখ লাখ শ্রমজীবী মানুষ।

আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর নগরভবন অডিটরিয়ামে টেকসই ও দৃষ্টিনন্দন ওয়েস্টবিন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ঢাকায়, গাজীপুরে কিংবা দেশের বিভিন্ন জায়গায় বর্তমানে যেসব ঘটনা ঘটছে, সেগুলো কাম্য নয়। সরকারও বলছে, গার্মেন্টস কারখানা ধ্বংস হয়ে গেলে দেশের কোনো লাভ হবে না। আমাদের চিন্তা করতে হবে, এসব কারখানায় লাখ লাখ মা-বোন গ্রাম থেকে এসে কাজ করছেন। আগামীকাল থেকে যদি গার্মেন্টস বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা লাগবে।

তিনি বলেন, এসব নারী কাজের মাধ্যমে নিজেদের জীবনমান পরিবর্তন করেছেন। এখন তারা শহরে এসে নিজেদের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এনেছেন। কারখানা বন্ধ হয়ে গেলে তারা কি আবার গ্রামে ফিরে যেতে পারবেন? তখন ঢাকা ও গাজীপুরের সামাজিক পরিস্থিতি কী হবে, সেটিও আমাদের ভাবতে হবে। তাই কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দেশের অর্থনীতি ও মানুষের জীবিকার বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, সব সমস্যার দায় সরকারের ওপর চাপিয়ে দিলেই সমাধান হবে না। একটি নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই বিদ্যুৎ, অর্থনীতি, ব্যাংকিং খাতসহ সব সমস্যার সমাধান করে ফেলবে, এমন প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়। প্রতিটি সমস্যার সমাধানের জন্য সময় ও একটি প্রক্রিয়া প্রয়োজন। সরকারকে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে।

তিনি বলেন, গণতন্ত্রের কথা বললে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকেও কার্যকর হতে দিতে হবে। পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত সরকারকে পাঁচ বছর কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। সরকার ভালো কাজ করতে না পারলে পরবর্তী নির্বাচনে জনগণ ভোটের মাধ্যমে পরিবর্তন আনবে। কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই সব সমস্যার সমাধান না হওয়ায় সরকারকে বিদায় করে দেওয়ার কথা বলা কোনো সঠিক প্রক্রিয়া হতে পারে না।

ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বসবাসযোগ্য করতে নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আবদুস সালাম বলেন, ঢাকা শহর নিয়ে সবাই অসন্তুষ্ট হলেও দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অনেকে মনে করেন, সব দায়িত্ব শুধু সিটি করপোরেশনের। অথচ নগরীর উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে জনগণের ৫০ শতাংশ এবং সিটি করপোরেশনের ৫০ শতাংশ দায়িত্ব রয়েছে। সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব কিছুটা বেশি হতে পারে, তবে নাগরিকদের অংশগ্রহণও জরুরি।

তিনি বলেন, সকাল ৬টা থেকে ৮টা পর্যন্ত ঢাকা শহর পরিষ্কার থাকে। কিন্তু সকাল ৮টার পর মানুষ চলাচল শুরু করলে ১০টা, ১১টা ও ১২টার দিকে শহর আবর্জনার শহরে পরিণত হয়। নাগরিকদের এই অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে। সিটি করপোরেশন রাতে বর্জ্য সংগ্রহ করতে চাইলেও অনেক ক্ষেত্রে সকাল ৯টার পর আবর্জনা ফেলার কারণে দিনের বেলায় তা সংগ্রহ করতে হয়। তাই নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে বর্জ্য ফেলতে হবে এবং সিটি করপোরেশনকে সহযোগিতা করতে হবে।

বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের সামাজিক দায়বদ্ধতার উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন সংগঠনের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকসহ কয়েকটি ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এসেছে। অন্যান্য ব্যাংক, বিমা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকেও নগরীর উন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে।

নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে আবদুস সালাম বলেন, সড়কের বিভাজকগুলোতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞাপন প্রচার করে। বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি এসব জায়গার রক্ষণাবেক্ষণ, ফুলের গাছ লাগানো এবং সৌন্দর্যবর্ধনের দায়িত্বও তাদের নিতে হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবেন, একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রচারও হবে।

গণমাধ্যমের ভূমিকার বিষয়ে তিনি বলেন, জনগণকে সচেতন করার ক্ষেত্রে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। সরকারের সাফল্য-ব্যর্থতা তুলে ধরার পাশাপাশি কোথায় দুর্বলতা রয়েছে, তা ধরিয়ে দিতে হবে। তবে সমালোচনা করতে গিয়ে যেন কাজের উৎসাহ নষ্ট না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

দেশের প্রতি দায়িত্ববোধের গুরুত্ব তুলে ধরে আবদুস সালাম বলেন, দেশের প্রতি, সমাজের প্রতি এবং মানুষের প্রতি সবার দায়িত্ব রয়েছে। শুধু সরকারের ওপর সব দায়িত্ব ছেড়ে দিলে চলবে না। প্রত্যেককে নিজের আচরণ ও কাজের মাধ্যমে দেশপ্রেমের প্রমাণ দিতে হবে।

বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর সামাজিক দায়বদ্ধতার বিষয়ে তিনি বলেন, আগে বড় বড় প্রতিষ্ঠান জনকল্যাণে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, রাস্তা ও মসজিদসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলত। বর্তমানে এ ধরনের উদ্যোগ কমে গেছে। প্রত্যেকের আয়ের একটি অংশের হকদার জনগণ। সেই অংশ সমাজের উন্নয়নে ব্যয় করা গেলে সামগ্রিকভাবে সমাজ উপকৃত হবে।

বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংককে ধন্যবাদ জানিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, এ ধরনের উদ্যোগে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও এগিয়ে এলে ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন শহরে রূপান্তর করা সম্ভব হবে। তখন সবাই গর্ব করে বলতে পারবেন, এই শহর আমার।


মুন টাইমস নিউজ

সম্পাদক: তাবিবুর রহমান তালুকদার
প্রকাশক: জিন্নাহ ফারুক
আইন উপদেষ্টা: এ্যাডঃ মোঃ মাহবুব আলম সরকার

© ২০২৬ মুন টাইমস নিউজ