বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের একমাত্র দ্বীপজেলা ভোলা। মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদী এবং বঙ্গোপসাগরবেষ্টিত এই জেলার রয়েছে নিজস্ব ইতিহাস, সংস্কৃতি ও খাদ্যঐতিহ্য। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, চরাঞ্চল, নদী ও সামুদ্রিক সম্পদের পাশাপাশি ভোলা দেশজুড়ে পরিচিত তার সুস্বাদু খাবারের জন্য।
বিশেষ করে মহিষের দুধের টক দই, ইলিশ মাছ, সুপারি, শুঁটকি এবং বিভিন্ন ধরনের গ্রামীণ খাবার ভোলার খাদ্যসংস্কৃতিকে করেছে সমৃদ্ধ। এখানকার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য খাবার হলো ঐতিহ্যবাহী মইষা দই, যা প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো ঐতিহ্য বহন করে।
চলুন জেনে নেওয়া যাক ভোলা জেলার বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কিছু খাবার সম্পর্কে।
ভোলা জেলার সবচেয়ে বিখ্যাত খাবার হলো মহিষের দুধ দিয়ে তৈরি টক দই। স্থানীয় মানুষের কাছে এটি মইষা দই বা বৈষা দধি নামে পরিচিত।
এই দই তৈরির প্রধান উপকরণ হলো মহিষের কাঁচা দুধ। ভোলার বিভিন্ন চরাঞ্চলে মহিষ পালন করা হয়। সেখানকার বাথান থেকে সংগ্রহ করা মহিষের দুধ দিয়ে ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে এই দই তৈরি করা হয়।
মইষা দইয়ের বিশেষত্ব হলো এর ঘন গঠন, টক স্বাদ এবং ওপরের দিকে জমে থাকা পুরু সরের স্তর। এটি চিড়া, মুড়ি, ভাত কিংবা খেজুরের গুড়ের সঙ্গে খাওয়া যায়।
ভোলার বিয়ে, ঈদ, সামাজিক অনুষ্ঠান ও অতিথি আপ্যায়নে এই দইয়ের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
সবচেয়ে আনন্দের বিষয় হলো, ২০২৫ সালে ভোলার ঐতিহ্যবাহী মহিষের দুধের কাঁচা দধি ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে।
নদী ও সাগরবেষ্টিত জেলা হওয়ায় ভোলার খাদ্যসংস্কৃতিতে ইলিশ মাছের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
ইলিশ ভাজা, সরিষা ইলিশ, ইলিশের ঝোল, ইলিশ ভাপা এবং ইলিশ ভর্তা এখানকার মানুষের কাছে পরিচিত খাবার।
গরম ভাতের সঙ্গে তাজা ইলিশ মাছের স্বাদ অনেক খাবারপ্রেমীর কাছেই অতুলনীয়। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে ইলিশের বিভিন্ন পদ খাওয়ার জন্য ভ্রমণপ্রেমীরা ভোলার প্রতি আকৃষ্ট হন।
ভোলার উপকূলীয় ও চরাঞ্চলে শুঁটকি মাছের প্রচলন রয়েছে। বিভিন্ন সামুদ্রিক ও নদীর মাছ শুকিয়ে শুঁটকি তৈরি করা হয়।
লইট্টা, চিংড়ি, ফাইস্যা ও অন্যান্য মাছের শুঁটকি দিয়ে তৈরি করা হয় সুস্বাদু ভর্তা ও ভুনা।
পেঁয়াজ, রসুন, কাঁচামরিচ ও সরিষার তেল দিয়ে তৈরি শুঁটকি ভর্তা গরম ভাতের সঙ্গে খেতে বেশ মজাদার।
ভোলার অন্যতম পরিচিত কৃষিপণ্যের মধ্যে মিষ্টি আলু উল্লেখযোগ্য। চরাঞ্চল ও বিভিন্ন কৃষিজমিতে মিষ্টি আলুর চাষ হয়ে থাকে।
মিষ্টি আলু সেদ্ধ করে, ভর্তা তৈরি করে কিংবা ভেজে খাওয়া যায়। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের পিঠা ও নাশতা তৈরিতেও এটি ব্যবহার করা হয়।
শীত মৌসুমে গরম গরম সেদ্ধ মিষ্টি আলু গ্রামীণ মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয় একটি খাবার।
ভোলা জেলার পরিচিত কৃষিপণ্যের মধ্যে সুপারি অন্যতম। এখানকার বিভিন্ন এলাকায় সুপারি গাছের চাষ দেখা যায়।
সুপারি সাধারণত পান ও চুনের সঙ্গে খাওয়া হয়। এছাড়া স্থানীয় বাজারে কাঁচা ও শুকনো সুপারি বিক্রি হয়।
ভোলার কৃষি ও স্থানীয় অর্থনীতিতে সুপারির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
মহিষের দুধ দিয়ে তৈরি দইয়ের পাশাপাশি ঘোলও ভোলার একটি পরিচিত পানীয়।
টক দইয়ের সঙ্গে পানি ও প্রয়োজনমতো চিনি মিশিয়ে ঘোল তৈরি করা হয়। গরমের দিনে এই পানীয় বেশ জনপ্রিয়।
ভোলার ঐতিহ্যবাহী মইষা দই দিয়ে তৈরি ঘোলের স্বাদও অনেকের কাছে বেশ আকর্ষণীয়।
ভোলার নদী ও উপকূলীয় এলাকায় বিভিন্ন ধরনের চিংড়ি পাওয়া যায়। এসব চিংড়ি দিয়ে নানা ধরনের সুস্বাদু খাবার তৈরি করা হয়।
চিংড়ি ভুনা, চিংড়ি ভর্তা এবং চিংড়ি দিয়ে শাক রান্না স্থানীয় খাবারের পরিচিত পদ।
পেঁয়াজ, রসুন, হলুদ, মরিচ ও দেশি মসলার সমন্বয়ে তৈরি চিংড়ি ভুনা গরম ভাতের সঙ্গে খেতে বেশ সুস্বাদু।
বাংলার অন্যান্য অঞ্চলের মতো ভোলাতেও শীতকালে বিভিন্ন ধরনের পিঠা তৈরির প্রচলন রয়েছে।
ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, পাটিসাপটা, পুলি পিঠা ও দুধচিতই এখানকার গ্রামীণ খাদ্যসংস্কৃতির পরিচিত অংশ।
চালের গুঁড়া, নারকেল, দুধ ও খেজুরের গুড় দিয়ে তৈরি এসব পিঠা শীতের মৌসুমে মানুষের খাবারের তালিকায় বিশেষ জায়গা দখল করে।
ভোলার গ্রামীণ খাদ্যসংস্কৃতিতে হাঁসের মাংসের রান্নাও বেশ পরিচিত। বিশেষ করে টক দই ও বিভিন্ন মসলা দিয়ে হাঁসের মাংস রান্না করা হয়।
মহিষের দুধের টক দই দিয়ে রান্না করা হাঁসের মাংসের স্বাদ বেশ আলাদা। শীতকালে খেজুরের গুড়ের সঙ্গে দই খাওয়ার প্রচলনও রয়েছে।
ভোলার খাবারের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এখানকার নদী, চরাঞ্চল ও উপকূলীয় পরিবেশের প্রভাব। মহিষ পালন, মাছ ধরা, কৃষিকাজ এবং স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রা এখানকার খাদ্যসংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে।
বিশেষ করে মহিষের দুধের মইষা দই ভোলার নিজস্ব ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়। প্রায় দুই শতাব্দীর এই খাবার এখন জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পাওয়ায় জেলার পরিচিতি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
অন্যদিকে ইলিশ, শুঁটকি, চিংড়ি, সুপারি ও মিষ্টি আলু ভোলার স্থানীয় খাদ্য ও কৃষিসম্পদের বৈচিত্র্য তুলে ধরে।
ভোলা শুধু নদী, চর ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত নয়, এখানকার খাবারের ঐতিহ্যও অত্যন্ত সমৃদ্ধ। মহিষের দুধের মইষা দই, ইলিশ মাছ, শুঁটকি, মিষ্টি আলু, চিংড়ি এবং বিভিন্ন ধরনের পিঠাপুলি ভোলার খাদ্যসংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বিশেষ করে ভোলার বিখ্যাত মইষা দইয়ের স্বাদ গ্রহণ না করলে এ জেলার খাবারের ঐতিহ্য সম্পর্কে জানা অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
তাই ভোলা ভ্রমণে গেলে স্থানীয় খাবারের স্বাদ নেওয়ার পাশাপাশি চরাঞ্চলের মহিষ পালন ও দই তৈরির ঐতিহ্য সম্পর্কেও জানার চেষ্টা করুন। এতে আপনার ভ্রমণের অভিজ্ঞতা হয়ে উঠবে আরও আনন্দময় ও স্মরণীয়।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের একমাত্র দ্বীপজেলা ভোলা। মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদী এবং বঙ্গোপসাগরবেষ্টিত এই জেলার রয়েছে নিজস্ব ইতিহাস, সংস্কৃতি ও খাদ্যঐতিহ্য। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, চরাঞ্চল, নদী ও সামুদ্রিক সম্পদের পাশাপাশি ভোলা দেশজুড়ে পরিচিত তার সুস্বাদু খাবারের জন্য।
বিশেষ করে মহিষের দুধের টক দই, ইলিশ মাছ, সুপারি, শুঁটকি এবং বিভিন্ন ধরনের গ্রামীণ খাবার ভোলার খাদ্যসংস্কৃতিকে করেছে সমৃদ্ধ। এখানকার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য খাবার হলো ঐতিহ্যবাহী মইষা দই, যা প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো ঐতিহ্য বহন করে।
চলুন জেনে নেওয়া যাক ভোলা জেলার বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কিছু খাবার সম্পর্কে।
ভোলা জেলার সবচেয়ে বিখ্যাত খাবার হলো মহিষের দুধ দিয়ে তৈরি টক দই। স্থানীয় মানুষের কাছে এটি মইষা দই বা বৈষা দধি নামে পরিচিত।
এই দই তৈরির প্রধান উপকরণ হলো মহিষের কাঁচা দুধ। ভোলার বিভিন্ন চরাঞ্চলে মহিষ পালন করা হয়। সেখানকার বাথান থেকে সংগ্রহ করা মহিষের দুধ দিয়ে ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে এই দই তৈরি করা হয়।
মইষা দইয়ের বিশেষত্ব হলো এর ঘন গঠন, টক স্বাদ এবং ওপরের দিকে জমে থাকা পুরু সরের স্তর। এটি চিড়া, মুড়ি, ভাত কিংবা খেজুরের গুড়ের সঙ্গে খাওয়া যায়।
ভোলার বিয়ে, ঈদ, সামাজিক অনুষ্ঠান ও অতিথি আপ্যায়নে এই দইয়ের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
সবচেয়ে আনন্দের বিষয় হলো, ২০২৫ সালে ভোলার ঐতিহ্যবাহী মহিষের দুধের কাঁচা দধি ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে।
নদী ও সাগরবেষ্টিত জেলা হওয়ায় ভোলার খাদ্যসংস্কৃতিতে ইলিশ মাছের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
ইলিশ ভাজা, সরিষা ইলিশ, ইলিশের ঝোল, ইলিশ ভাপা এবং ইলিশ ভর্তা এখানকার মানুষের কাছে পরিচিত খাবার।
গরম ভাতের সঙ্গে তাজা ইলিশ মাছের স্বাদ অনেক খাবারপ্রেমীর কাছেই অতুলনীয়। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে ইলিশের বিভিন্ন পদ খাওয়ার জন্য ভ্রমণপ্রেমীরা ভোলার প্রতি আকৃষ্ট হন।
ভোলার উপকূলীয় ও চরাঞ্চলে শুঁটকি মাছের প্রচলন রয়েছে। বিভিন্ন সামুদ্রিক ও নদীর মাছ শুকিয়ে শুঁটকি তৈরি করা হয়।
লইট্টা, চিংড়ি, ফাইস্যা ও অন্যান্য মাছের শুঁটকি দিয়ে তৈরি করা হয় সুস্বাদু ভর্তা ও ভুনা।
পেঁয়াজ, রসুন, কাঁচামরিচ ও সরিষার তেল দিয়ে তৈরি শুঁটকি ভর্তা গরম ভাতের সঙ্গে খেতে বেশ মজাদার।
ভোলার অন্যতম পরিচিত কৃষিপণ্যের মধ্যে মিষ্টি আলু উল্লেখযোগ্য। চরাঞ্চল ও বিভিন্ন কৃষিজমিতে মিষ্টি আলুর চাষ হয়ে থাকে।
মিষ্টি আলু সেদ্ধ করে, ভর্তা তৈরি করে কিংবা ভেজে খাওয়া যায়। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের পিঠা ও নাশতা তৈরিতেও এটি ব্যবহার করা হয়।
শীত মৌসুমে গরম গরম সেদ্ধ মিষ্টি আলু গ্রামীণ মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয় একটি খাবার।
ভোলা জেলার পরিচিত কৃষিপণ্যের মধ্যে সুপারি অন্যতম। এখানকার বিভিন্ন এলাকায় সুপারি গাছের চাষ দেখা যায়।
সুপারি সাধারণত পান ও চুনের সঙ্গে খাওয়া হয়। এছাড়া স্থানীয় বাজারে কাঁচা ও শুকনো সুপারি বিক্রি হয়।
ভোলার কৃষি ও স্থানীয় অর্থনীতিতে সুপারির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
মহিষের দুধ দিয়ে তৈরি দইয়ের পাশাপাশি ঘোলও ভোলার একটি পরিচিত পানীয়।
টক দইয়ের সঙ্গে পানি ও প্রয়োজনমতো চিনি মিশিয়ে ঘোল তৈরি করা হয়। গরমের দিনে এই পানীয় বেশ জনপ্রিয়।
ভোলার ঐতিহ্যবাহী মইষা দই দিয়ে তৈরি ঘোলের স্বাদও অনেকের কাছে বেশ আকর্ষণীয়।
ভোলার নদী ও উপকূলীয় এলাকায় বিভিন্ন ধরনের চিংড়ি পাওয়া যায়। এসব চিংড়ি দিয়ে নানা ধরনের সুস্বাদু খাবার তৈরি করা হয়।
চিংড়ি ভুনা, চিংড়ি ভর্তা এবং চিংড়ি দিয়ে শাক রান্না স্থানীয় খাবারের পরিচিত পদ।
পেঁয়াজ, রসুন, হলুদ, মরিচ ও দেশি মসলার সমন্বয়ে তৈরি চিংড়ি ভুনা গরম ভাতের সঙ্গে খেতে বেশ সুস্বাদু।
বাংলার অন্যান্য অঞ্চলের মতো ভোলাতেও শীতকালে বিভিন্ন ধরনের পিঠা তৈরির প্রচলন রয়েছে।
ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, পাটিসাপটা, পুলি পিঠা ও দুধচিতই এখানকার গ্রামীণ খাদ্যসংস্কৃতির পরিচিত অংশ।
চালের গুঁড়া, নারকেল, দুধ ও খেজুরের গুড় দিয়ে তৈরি এসব পিঠা শীতের মৌসুমে মানুষের খাবারের তালিকায় বিশেষ জায়গা দখল করে।
ভোলার গ্রামীণ খাদ্যসংস্কৃতিতে হাঁসের মাংসের রান্নাও বেশ পরিচিত। বিশেষ করে টক দই ও বিভিন্ন মসলা দিয়ে হাঁসের মাংস রান্না করা হয়।
মহিষের দুধের টক দই দিয়ে রান্না করা হাঁসের মাংসের স্বাদ বেশ আলাদা। শীতকালে খেজুরের গুড়ের সঙ্গে দই খাওয়ার প্রচলনও রয়েছে।
ভোলার খাবারের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এখানকার নদী, চরাঞ্চল ও উপকূলীয় পরিবেশের প্রভাব। মহিষ পালন, মাছ ধরা, কৃষিকাজ এবং স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রা এখানকার খাদ্যসংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে।
বিশেষ করে মহিষের দুধের মইষা দই ভোলার নিজস্ব ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়। প্রায় দুই শতাব্দীর এই খাবার এখন জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পাওয়ায় জেলার পরিচিতি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
অন্যদিকে ইলিশ, শুঁটকি, চিংড়ি, সুপারি ও মিষ্টি আলু ভোলার স্থানীয় খাদ্য ও কৃষিসম্পদের বৈচিত্র্য তুলে ধরে।
ভোলা শুধু নদী, চর ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত নয়, এখানকার খাবারের ঐতিহ্যও অত্যন্ত সমৃদ্ধ। মহিষের দুধের মইষা দই, ইলিশ মাছ, শুঁটকি, মিষ্টি আলু, চিংড়ি এবং বিভিন্ন ধরনের পিঠাপুলি ভোলার খাদ্যসংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বিশেষ করে ভোলার বিখ্যাত মইষা দইয়ের স্বাদ গ্রহণ না করলে এ জেলার খাবারের ঐতিহ্য সম্পর্কে জানা অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
তাই ভোলা ভ্রমণে গেলে স্থানীয় খাবারের স্বাদ নেওয়ার পাশাপাশি চরাঞ্চলের মহিষ পালন ও দই তৈরির ঐতিহ্য সম্পর্কেও জানার চেষ্টা করুন। এতে আপনার ভ্রমণের অভিজ্ঞতা হয়ে উঠবে আরও আনন্দময় ও স্মরণীয়।

আপনার মতামত লিখুন