ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি দেখা গেছে। কোনো কোনো কেন্দ্রে ভোট শুরুর আগেই ভোটারদের সারি তৈরি হয়। বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টায় ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী এলাকার ১৮৫টি কেন্দ্রে একযোগে ভোট শুরু হয়।
জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি স্ট্রাইকিং ও রিজার্ভ ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১৮৫টি। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় ১১৩টি, রুহিয়া উপজেলায় ৩৩টি এবং ভুল্লী উপজেলায় ৩৯টি কেন্দ্র রয়েছে।
আসনটিতে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৫ হাজার ৮৫৩ জন। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫৭ হাজার ২১৯ জন, নারী ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার চারজন। এ ছাড়া পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন ২৮৭ জন। তাঁদের মধ্যে ২৪৯ জন পুরুষ ও ৩৮ জন নারী।
উপনির্বাচনে প্রাথমিকভাবে ছয়জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হলেও পরে বিএনপির জেলা সহসভাপতি মো. ওবায়দুল্লাহ মাসুদ দলীয় সিদ্ধান্তে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। ফলে চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন পাঁচজন।
প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন, জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, হাফেজ ডা. মো. খাদেমুল ইসলাম, মো. আবদুল আলীম নিজামী এবং হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক। নির্বাচনে মির্জা ফয়সল আমীন ও দেলাওয়ার হোসেনকে অন্যতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা হচ্ছে।
চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জয়ী হয়েছিলেন বিএনপির সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি পেয়েছিলেন ২ লাখ ২৮ হাজার ৭৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের দেলাওয়ার হোসেন পান ১ লাখ ৩২ হাজার ৫৮৪ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. খাদেমুল ইসলাম পেয়েছিলেন ৩ হাজার ৮৩৩ ভোট।
পরবর্তী সময়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি শূন্য হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন উপনির্বাচনের আয়োজন করে। এবারের ভোটে নির্বাচিত প্রার্থীর মাধ্যমে আসনটিতে নতুন সংসদ সদস্য দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি দেখা গেছে। কোনো কোনো কেন্দ্রে ভোট শুরুর আগেই ভোটারদের সারি তৈরি হয়। বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টায় ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী এলাকার ১৮৫টি কেন্দ্রে একযোগে ভোট শুরু হয়।
জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি স্ট্রাইকিং ও রিজার্ভ ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১৮৫টি। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় ১১৩টি, রুহিয়া উপজেলায় ৩৩টি এবং ভুল্লী উপজেলায় ৩৯টি কেন্দ্র রয়েছে।
আসনটিতে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৫ হাজার ৮৫৩ জন। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫৭ হাজার ২১৯ জন, নারী ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার চারজন। এ ছাড়া পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন ২৮৭ জন। তাঁদের মধ্যে ২৪৯ জন পুরুষ ও ৩৮ জন নারী।
উপনির্বাচনে প্রাথমিকভাবে ছয়জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হলেও পরে বিএনপির জেলা সহসভাপতি মো. ওবায়দুল্লাহ মাসুদ দলীয় সিদ্ধান্তে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। ফলে চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন পাঁচজন।
প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন, জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, হাফেজ ডা. মো. খাদেমুল ইসলাম, মো. আবদুল আলীম নিজামী এবং হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক। নির্বাচনে মির্জা ফয়সল আমীন ও দেলাওয়ার হোসেনকে অন্যতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা হচ্ছে।
চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জয়ী হয়েছিলেন বিএনপির সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি পেয়েছিলেন ২ লাখ ২৮ হাজার ৭৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের দেলাওয়ার হোসেন পান ১ লাখ ৩২ হাজার ৫৮৪ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. খাদেমুল ইসলাম পেয়েছিলেন ৩ হাজার ৮৩৩ ভোট।
পরবর্তী সময়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি শূন্য হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন উপনির্বাচনের আয়োজন করে। এবারের ভোটে নির্বাচিত প্রার্থীর মাধ্যমে আসনটিতে নতুন সংসদ সদস্য দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

আপনার মতামত লিখুন