দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার ৩ নং আলিহাট ইউনিয়নের চকচকা গ্রামের মোঃ মাহফুজার রহমান (মাফু) ও ইটাই গ্রামের মোঃ আনাম হোসেন হাঁসের খামার ও মাছ চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। এই দুই সফল চাষি বর্তমানে এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
সকালে যখন ঝাঁকে ঝাঁকে হাঁস বেরিয়ে আসে, তখন মনে হয় যেন সমুদ্রের ঢেউ বইছে। মজার বিষয় হলো, এই দুই চাষি ইউটিউবের ভিডিও দেখে হাঁস পালন ও মৎস্য চাষ শুরু করেন।
তারা প্রথমে মাত্র ১০০টি হাঁস দিয়ে খামার শুরু করেছিলেন। বর্তমানে তাদের খামারে প্রায় ১০ হাজার হাঁস রয়েছে। এভাবে দেশের সকল বেকার যুবক যদি তাদের মতো হাঁসের খামার ও মৎস্য চাষে এগিয়ে আসতেন, তাহলে দেশে বেকারের সংখ্যা অনেক কমে যেত। দেশ আরও উন্নতির দিকে এগিয়ে যেত।
তাহলে কেউ মাদক সেবন, মাদক ব্যবসা, জুয়ার আসর কিংবা কোনো অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়াত না। চুরি-চামারিও কমে যেত। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকার পাশাপাশি আরও নিয়ন্ত্রণে থাকত।
তাই এই দুই চাষির মতো সৎ ও হালাল উপায়ে অল্প পুঁজিতে হাঁস ও মাছ চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার এখনো সুযোগ রয়েছে। মাদক ও জুয়া ছেড়ে আসুন সৎ ও হালাল ব্যবসায়। মহান আল্লাহ তায়ালা অবশ্যই বরকত ও রহমত দান করবেন।
সফল এই দুই চাষি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, হাকিমপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা যদি বিনামূল্যে হাঁসের ওষুধ সরবরাহ করতেন, তাহলে তারা আরও বেশি লাভবান হতে পারতেন।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার ৩ নং আলিহাট ইউনিয়নের চকচকা গ্রামের মোঃ মাহফুজার রহমান (মাফু) ও ইটাই গ্রামের মোঃ আনাম হোসেন হাঁসের খামার ও মাছ চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। এই দুই সফল চাষি বর্তমানে এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
সকালে যখন ঝাঁকে ঝাঁকে হাঁস বেরিয়ে আসে, তখন মনে হয় যেন সমুদ্রের ঢেউ বইছে। মজার বিষয় হলো, এই দুই চাষি ইউটিউবের ভিডিও দেখে হাঁস পালন ও মৎস্য চাষ শুরু করেন।
তারা প্রথমে মাত্র ১০০টি হাঁস দিয়ে খামার শুরু করেছিলেন। বর্তমানে তাদের খামারে প্রায় ১০ হাজার হাঁস রয়েছে। এভাবে দেশের সকল বেকার যুবক যদি তাদের মতো হাঁসের খামার ও মৎস্য চাষে এগিয়ে আসতেন, তাহলে দেশে বেকারের সংখ্যা অনেক কমে যেত। দেশ আরও উন্নতির দিকে এগিয়ে যেত।
তাহলে কেউ মাদক সেবন, মাদক ব্যবসা, জুয়ার আসর কিংবা কোনো অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়াত না। চুরি-চামারিও কমে যেত। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকার পাশাপাশি আরও নিয়ন্ত্রণে থাকত।
তাই এই দুই চাষির মতো সৎ ও হালাল উপায়ে অল্প পুঁজিতে হাঁস ও মাছ চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার এখনো সুযোগ রয়েছে। মাদক ও জুয়া ছেড়ে আসুন সৎ ও হালাল ব্যবসায়। মহান আল্লাহ তায়ালা অবশ্যই বরকত ও রহমত দান করবেন।
সফল এই দুই চাষি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, হাকিমপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা যদি বিনামূল্যে হাঁসের ওষুধ সরবরাহ করতেন, তাহলে তারা আরও বেশি লাভবান হতে পারতেন।

আপনার মতামত লিখুন