সাভারঃ আশুলিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ইয়াবাসহ মিতু আক্তার (২২) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পুলিশের দাবি, মিতু ও তার স্বামী মো. বেলাল হোসেন (২৮) পেশাদার মাদক কারবারে জড়িত। অভিযানের সময় স্ত্রী ৩০ পিস ইয়াবাসহ ধরা পড়লেও স্বামী বেলাল ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। এ সময় তিনি ফেলে যান আরও ৭০ পিস ইয়াবা। পরে সেগুলোও উদ্ধার করে পুলিশ। সব মিলিয়ে অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম।
এর আগে শুক্রবার রাতে আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের টেংগুরি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত সে, মিতু আক্তার বগুড়ার শেরপুর থানার সোনাকানিয়া জামুন্না এলাকার মো. মামুনুর রশিদের মেয়ে। পলাতক বেলাল হোসেন দিনাজপুরের ফুলবাড়ী থানার রাজারামপুর (মৎস্যপাড়া) এলাকার আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে। বর্তমানে মিতু ও বেলাল দুজনই গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানার সফিপুর বাজার এলাকায় মনিরের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছিলেন।
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুলিয়া থানার শিমুলিয়ার ট্রেনগুড়ি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মিতু আক্তারের কাছ থেকে ৩০ পিস এবং পালিয়ে যাওয়ার সময় বেলাল হোসেনের ফেলে যাওয়া আরও ৭০ পিসসহ মোট ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক অবৈধ বাজারমূল্য ৩০ হাজার টাকা। পুলিশের দাবি, মিতু ও বেলাল পেশাদারভাবে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। এ ঘটনায় মিতু আক্তারকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলেও বেলাল হোসেন পালিয়ে যাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে ঢাকা জেলা উত্তর ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় মিতু আক্তার ও পলাতক বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার মিতুকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ডিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় পলাতক বেলাল হোসেনকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সাভারঃ আশুলিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ইয়াবাসহ মিতু আক্তার (২২) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পুলিশের দাবি, মিতু ও তার স্বামী মো. বেলাল হোসেন (২৮) পেশাদার মাদক কারবারে জড়িত। অভিযানের সময় স্ত্রী ৩০ পিস ইয়াবাসহ ধরা পড়লেও স্বামী বেলাল ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। এ সময় তিনি ফেলে যান আরও ৭০ পিস ইয়াবা। পরে সেগুলোও উদ্ধার করে পুলিশ। সব মিলিয়ে অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম।
এর আগে শুক্রবার রাতে আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের টেংগুরি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত সে, মিতু আক্তার বগুড়ার শেরপুর থানার সোনাকানিয়া জামুন্না এলাকার মো. মামুনুর রশিদের মেয়ে। পলাতক বেলাল হোসেন দিনাজপুরের ফুলবাড়ী থানার রাজারামপুর (মৎস্যপাড়া) এলাকার আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে। বর্তমানে মিতু ও বেলাল দুজনই গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানার সফিপুর বাজার এলাকায় মনিরের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছিলেন।
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুলিয়া থানার শিমুলিয়ার ট্রেনগুড়ি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মিতু আক্তারের কাছ থেকে ৩০ পিস এবং পালিয়ে যাওয়ার সময় বেলাল হোসেনের ফেলে যাওয়া আরও ৭০ পিসসহ মোট ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক অবৈধ বাজারমূল্য ৩০ হাজার টাকা। পুলিশের দাবি, মিতু ও বেলাল পেশাদারভাবে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। এ ঘটনায় মিতু আক্তারকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলেও বেলাল হোসেন পালিয়ে যাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে ঢাকা জেলা উত্তর ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় মিতু আক্তার ও পলাতক বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার মিতুকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ডিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় পলাতক বেলাল হোসেনকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন