বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করে বলেছেন, জ্বালানি সংকট সমাধানে বিরোধী দলের প্রস্তাব সরকার গ্রহণ করেনি। বর্তমানে বাংলাদেশ গভীর সংকটের মুখোমুখি। জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের শিল্পখাতে মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। সংকট সমাধানে সরকার ৬ মাসেও বিকল্প কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বগুড়া সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জ্বালানি সংকট সমাধানে সরকারকে সহযোগিতা করতে সংসদে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি টিম গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে সরকার সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেনি।
তিনি বলেন, সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করলে পরিস্থিতি এতটা জটিল হতো না। বিরোধী দল সরকারকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু তাদের প্রস্তাব গ্রহণ না করায় জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলগুলো লংমার্চের মতো কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ সংকটের বিষয়টিও সরকার শুরুতে অস্বীকার করেছে। অথচ বর্তমানে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট দেশের অর্থনীতি ও শিল্পখাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
জামায়াতের আমির বলেন, তারা রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে ছিলেন। কিন্তু সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি থেকে সরে গেছে। এর মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বগুড়ার উন্নয়ন প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বগুড়া উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। একসময় বগুড়াকে ‘মিনি শিল্পনগরী’ বলা হতো। কিন্তু স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও জেলায় শিল্পায়নের কাঙ্ক্ষিত বিকাশ ঘটেনি।
তিনি বলেন, বগুড়া শিক্ষা নগরী হিসেবে পরিচিত হলেও সেই অনুপাতে জেলার উন্নয়ন হয়নি। বিভিন্ন সড়কের বেহাল দশা দীর্ঘদিনের। শিল্প, শিক্ষা ও যোগাযোগ কোনও ক্ষেত্রেই বগুড়া তার সম্ভাবনার যথাযথ সুফল পাচ্ছে না।
মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মী ও সাংবাদিকরা।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করে বলেছেন, জ্বালানি সংকট সমাধানে বিরোধী দলের প্রস্তাব সরকার গ্রহণ করেনি। বর্তমানে বাংলাদেশ গভীর সংকটের মুখোমুখি। জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের শিল্পখাতে মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। সংকট সমাধানে সরকার ৬ মাসেও বিকল্প কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বগুড়া সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জ্বালানি সংকট সমাধানে সরকারকে সহযোগিতা করতে সংসদে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি টিম গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে সরকার সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেনি।
তিনি বলেন, সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করলে পরিস্থিতি এতটা জটিল হতো না। বিরোধী দল সরকারকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু তাদের প্রস্তাব গ্রহণ না করায় জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলগুলো লংমার্চের মতো কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ সংকটের বিষয়টিও সরকার শুরুতে অস্বীকার করেছে। অথচ বর্তমানে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট দেশের অর্থনীতি ও শিল্পখাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
জামায়াতের আমির বলেন, তারা রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে ছিলেন। কিন্তু সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি থেকে সরে গেছে। এর মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বগুড়ার উন্নয়ন প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বগুড়া উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। একসময় বগুড়াকে ‘মিনি শিল্পনগরী’ বলা হতো। কিন্তু স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও জেলায় শিল্পায়নের কাঙ্ক্ষিত বিকাশ ঘটেনি।
তিনি বলেন, বগুড়া শিক্ষা নগরী হিসেবে পরিচিত হলেও সেই অনুপাতে জেলার উন্নয়ন হয়নি। বিভিন্ন সড়কের বেহাল দশা দীর্ঘদিনের। শিল্প, শিক্ষা ও যোগাযোগ কোনও ক্ষেত্রেই বগুড়া তার সম্ভাবনার যথাযথ সুফল পাচ্ছে না।
মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মী ও সাংবাদিকরা।

আপনার মতামত লিখুন