দেশের বিভিন্ন স্থানে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাজধানীর শাহবাগসহ অন্তত তিনটি স্থানে এই দুই সংগঠনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।
রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় রাত ৮টার দিকে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার একপর্যায়ে সংঘর্ষ বেধে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের নেতা এবি জুবায়ের ও মুসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার মুখে তারা শাহবাগ থানার ভেতরে আশ্রয় নেন। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে ঢুকেও হামলাকারীরা মুসাদ্দেক আলীর ওপর আক্রমণ চালায়, এতে তিনি আহত হন।
এদিকে কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটেও সন্ধ্যার দিকে একই ধরনের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হন। জানা যায়, ‘গুপ্ত শিবির’ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনার জের ধরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে অধ্যক্ষের কক্ষে আলোচনা চলাকালে পরিস্থিতি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে, যদিও ছাত্রদল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। অন্যদিকে ছাত্রশিবির দাবি করেছে, তাদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে।
পাবনার ঈশ্বরদী সরকারি কলেজেও দুপুরে দুই সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে গুলিবর্ষণ ও ককটেল বিস্ফোরণের মতো ঘটনা ঘটায় পুরো ক্যাম্পাসে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, এর আগে চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজে ‘গুপ্ত লেখা’ ইস্যুকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যাতে অন্তত ২০ জন আহত হন। সেই ঘটনার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুই সংগঠনের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
দেশের বিভিন্ন স্থানে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাজধানীর শাহবাগসহ অন্তত তিনটি স্থানে এই দুই সংগঠনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।
রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় রাত ৮টার দিকে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার একপর্যায়ে সংঘর্ষ বেধে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের নেতা এবি জুবায়ের ও মুসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার মুখে তারা শাহবাগ থানার ভেতরে আশ্রয় নেন। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে ঢুকেও হামলাকারীরা মুসাদ্দেক আলীর ওপর আক্রমণ চালায়, এতে তিনি আহত হন।
এদিকে কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটেও সন্ধ্যার দিকে একই ধরনের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হন। জানা যায়, ‘গুপ্ত শিবির’ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনার জের ধরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে অধ্যক্ষের কক্ষে আলোচনা চলাকালে পরিস্থিতি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে, যদিও ছাত্রদল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। অন্যদিকে ছাত্রশিবির দাবি করেছে, তাদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে।
পাবনার ঈশ্বরদী সরকারি কলেজেও দুপুরে দুই সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে গুলিবর্ষণ ও ককটেল বিস্ফোরণের মতো ঘটনা ঘটায় পুরো ক্যাম্পাসে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, এর আগে চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজে ‘গুপ্ত লেখা’ ইস্যুকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যাতে অন্তত ২০ জন আহত হন। সেই ঘটনার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুই সংগঠনের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন