অনুমতি ছাড়া কারও ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে তা ‘সাইবার সুরক্ষা আইন-২০২৬’ অনুযায়ী কঠোরভাবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ ধরনের মামলার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হবে এবং তদন্ত সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে শেষ করার বিধান রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। নেত্রকোনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম হিলালী কনটেন্ট ক্রিয়েটর পরিচয়ে অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারণ, রসালো শিরোনামে প্রচার এবং ভয় দেখিয়ে চাঁদা দাবির মতো বিষয়গুলোর বিরুদ্ধে সরকারের ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে চান।
মন্ত্রী জানান, নতুন আইনের ২৫(১) ধারা অনুযায়ী ডিজিটাল মাধ্যমে ব্ল্যাকমেইলিং, যৌন হয়রানি, রিভেঞ্জ পর্ন বা সেক্সটরশনের উদ্দেশ্যে ভিডিও প্রচার বা হুমকি দেওয়া অপরাধ। এর জন্য সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। ভুক্তভোগী নারী বা শিশু হলে শাস্তি আরও বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড বা ২০ লাখ টাকা জরিমানা করা যাবে।
এছাড়া ভিডিও দেখিয়ে চাঁদা দাবি করলে সেটি সাইবার প্রতারণা হিসেবে গণ্য হবে, যার জন্য সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড বা ৫০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। ক্ষতিকর কনটেন্ট দ্রুত অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির রয়েছে বলেও তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, সাইবার অপরাধ শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিদেশে অবস্থান করেও অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
অনুমতি ছাড়া কারও ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে তা ‘সাইবার সুরক্ষা আইন-২০২৬’ অনুযায়ী কঠোরভাবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ ধরনের মামলার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হবে এবং তদন্ত সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে শেষ করার বিধান রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। নেত্রকোনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম হিলালী কনটেন্ট ক্রিয়েটর পরিচয়ে অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারণ, রসালো শিরোনামে প্রচার এবং ভয় দেখিয়ে চাঁদা দাবির মতো বিষয়গুলোর বিরুদ্ধে সরকারের ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে চান।
মন্ত্রী জানান, নতুন আইনের ২৫(১) ধারা অনুযায়ী ডিজিটাল মাধ্যমে ব্ল্যাকমেইলিং, যৌন হয়রানি, রিভেঞ্জ পর্ন বা সেক্সটরশনের উদ্দেশ্যে ভিডিও প্রচার বা হুমকি দেওয়া অপরাধ। এর জন্য সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। ভুক্তভোগী নারী বা শিশু হলে শাস্তি আরও বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড বা ২০ লাখ টাকা জরিমানা করা যাবে।
এছাড়া ভিডিও দেখিয়ে চাঁদা দাবি করলে সেটি সাইবার প্রতারণা হিসেবে গণ্য হবে, যার জন্য সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড বা ৫০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। ক্ষতিকর কনটেন্ট দ্রুত অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির রয়েছে বলেও তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, সাইবার অপরাধ শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিদেশে অবস্থান করেও অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

আপনার মতামত লিখুন