দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ডে এক কৃষক দল নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত প্রায় ২টার দিকে ৬ নম্বর নিজপাড়া ইউনিয়নের প্রেমবাজার এলাকার মানিক মার্কেটে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মো. শামসুল ইসলাম, যিনি ৭ নম্বর ওয়ার্ড কৃষক দলের সভাপতি, জানান--প্রতিদিনের মতো দোকান বন্ধ করে বাড়িতে যাওয়ার পর রাতের মধ্যে আগুন লাগার খবর পান। বাজারের নাইট গার্ড প্রথম আগুন দেখতে পেয়ে দ্রুত মালিক ও ফায়ার সার্ভিসকে জানায়।
সংবাদ পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে সাইকেল যন্ত্রাংশের দোকানটি পুরোপুরি পুড়ে যায়। এতে প্রায় ৭ লাখ টাকার মালামাল এবং নগদ আনুমানিক ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
শামসুল ইসলাম বলেন, “এই দোকানের আয়ের ওপরই আমার পরিবারের সব খরচ চলত। এক রাতেই সব শেষ হয়ে গেল।” আকস্মিক এই ক্ষতিতে তিনি ভীষণভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, এ ঘটনায় তার পরিবার এখন মারাত্মক আর্থিক সংকটে রয়েছে। দ্রুত সরকারি সহায়তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা।
এদিকে রিকশা ও ভ্যানচালক ইউনিয়নের সভাপতি মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বর্তমানে সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় আছেন। তার এই দোকানই ছিল পরিবারের একমাত্র উপার্জনের মাধ্যম। হঠাৎ সব হারিয়ে তিনি দিশেহারা। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে মানবিক সহায়তার আবেদন জানানো হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও নিশ্চিত নয়। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ডে এক কৃষক দল নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত প্রায় ২টার দিকে ৬ নম্বর নিজপাড়া ইউনিয়নের প্রেমবাজার এলাকার মানিক মার্কেটে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মো. শামসুল ইসলাম, যিনি ৭ নম্বর ওয়ার্ড কৃষক দলের সভাপতি, জানান--প্রতিদিনের মতো দোকান বন্ধ করে বাড়িতে যাওয়ার পর রাতের মধ্যে আগুন লাগার খবর পান। বাজারের নাইট গার্ড প্রথম আগুন দেখতে পেয়ে দ্রুত মালিক ও ফায়ার সার্ভিসকে জানায়।
সংবাদ পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে সাইকেল যন্ত্রাংশের দোকানটি পুরোপুরি পুড়ে যায়। এতে প্রায় ৭ লাখ টাকার মালামাল এবং নগদ আনুমানিক ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
শামসুল ইসলাম বলেন, “এই দোকানের আয়ের ওপরই আমার পরিবারের সব খরচ চলত। এক রাতেই সব শেষ হয়ে গেল।” আকস্মিক এই ক্ষতিতে তিনি ভীষণভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, এ ঘটনায় তার পরিবার এখন মারাত্মক আর্থিক সংকটে রয়েছে। দ্রুত সরকারি সহায়তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা।
এদিকে রিকশা ও ভ্যানচালক ইউনিয়নের সভাপতি মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বর্তমানে সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় আছেন। তার এই দোকানই ছিল পরিবারের একমাত্র উপার্জনের মাধ্যম। হঠাৎ সব হারিয়ে তিনি দিশেহারা। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে মানবিক সহায়তার আবেদন জানানো হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও নিশ্চিত নয়। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন