মুন টাইমস নিউজ

সারাদেশ

আশুলিয়ায় ২২ মাসে প্রায় ১ হাজার হারানো মোবাইল উদ্ধার করে প্রশংসায় এএসআই আল আমিন

আশুলিয়ায় ২২ মাসে প্রায় ১ হাজার হারানো মোবাইল উদ্ধার করে প্রশংসায় এএসআই আল আমিন
আশুলিয়ায় ২২ মাসে প্রায় ১ হাজার হারানো মোবাইল উদ্ধার করে প্রশংসায় এএসআই আল আমিন

আশুলিয়ায় হারিয়ে যাওয়া ও চুরি হওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারে ব্যতিক্রমী সাফল্য দেখিয়েছেন আশুলিয়া থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. আল আমিন। থানায় যোগদানের পর গত ২২ মাসে তিনি প্রযুক্তির সহায়তা ও ধারাবাহিক তদন্তের মাধ্যমে প্রায় এক হাজার মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দিয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মোবাইল হারানোর পর সাধারণ মানুষ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করলে এএসআই আল আমিন তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মোবাইলের অবস্থান শনাক্ত করে বিভিন্ন জেলা থেকে সেগুলো উদ্ধার করেন। উদ্ধার হওয়া মোবাইলগুলো প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মোবাইল ফিরে পাওয়া অনেকেই বলেন, হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফিরে পাওয়ার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। কিন্তু আশুলিয়া থানা থেকে ফোন পেয়ে নিজের মোবাইল ফিরে পাওয়ায় তারা বিস্মিত ও আনন্দিত হয়েছেন। পুলিশের এমন উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা বাড়িয়েছে বলেও তারা মন্তব্য করেন।

স্থানীয় পোশাক শ্রমিক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, সাধারণ মানুষ মনে করে হারানো মোবাইল আর ফিরে পাওয়া যায় না। কিন্তু আশুলিয়া থানার এএসআই আল আমিন সেই ধারণা বদলে দিয়েছেন। তাঁর আন্তরিকতা ও পরিশ্রম সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।

ব্যবসায়ী আবুল কালাম বলেন, শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষা নয়, মানুষের হারানো সম্পদ উদ্ধার করে ফিরিয়ে দেওয়াও পুলিশের বড় মানবিক কাজ। এএসআই আল আমিনের এই সাফল্য পুলিশের প্রতি মানুষের বিশ্বাস আরও বাড়িয়েছে।

ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী ও স্থানীয় বাসিন্দা এডভোকেট মো. মনজুর আলী বলেন, প্রায় এক হাজার মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া নিঃসন্দেহে একটি বড় অর্জন। এমন দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব পুলিশ সদস্যদের উৎসাহিত করা উচিত।

এ বিষয়ে এএসআই মো. আল আমিন বলেন, মানুষের কষ্টের টাকায় কেনা মোবাইল হারিয়ে গেলে তারা মানসিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাই প্রতিটি জিডিকে গুরুত্ব দিয়ে প্রযুক্তির সহায়তায় মোবাইল উদ্ধারের চেষ্টা করি। মোবাইল প্রকৃত মালিকের হাতে ফিরিয়ে দিতে পারলে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবেও তৃপ্তি পাই।

ঢাকা জেলা পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, এএসআই আল আমিন সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। মোবাইল উদ্ধারে তাঁর ধারাবাহিক সাফল্য থানার কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করেছে এবং জনসেবামুখী পুলিশিংয়ের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, অপরাধ দমনের পাশাপাশি হারানো সম্পদ উদ্ধারে পুলিশের এমন মানবিক ও কার্যকর উদ্যোগ সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আশুলিয়া থানার এএসআই আল আমিনের এই সাফল্য জনবান্ধব পুলিশিংয়ের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Google Google -এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

আপনার মতামত লিখুন

মুন টাইমস নিউজ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


আশুলিয়ায় ২২ মাসে প্রায় ১ হাজার হারানো মোবাইল উদ্ধার করে প্রশংসায় এএসআই আল আমিন

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬

featured Image

আশুলিয়ায় হারিয়ে যাওয়া ও চুরি হওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারে ব্যতিক্রমী সাফল্য দেখিয়েছেন আশুলিয়া থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. আল আমিন। থানায় যোগদানের পর গত ২২ মাসে তিনি প্রযুক্তির সহায়তা ও ধারাবাহিক তদন্তের মাধ্যমে প্রায় এক হাজার মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দিয়েছেন।


পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মোবাইল হারানোর পর সাধারণ মানুষ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করলে এএসআই আল আমিন তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মোবাইলের অবস্থান শনাক্ত করে বিভিন্ন জেলা থেকে সেগুলো উদ্ধার করেন। উদ্ধার হওয়া মোবাইলগুলো প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।


মোবাইল ফিরে পাওয়া অনেকেই বলেন, হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফিরে পাওয়ার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। কিন্তু আশুলিয়া থানা থেকে ফোন পেয়ে নিজের মোবাইল ফিরে পাওয়ায় তারা বিস্মিত ও আনন্দিত হয়েছেন। পুলিশের এমন উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা বাড়িয়েছে বলেও তারা মন্তব্য করেন।


স্থানীয় পোশাক শ্রমিক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, সাধারণ মানুষ মনে করে হারানো মোবাইল আর ফিরে পাওয়া যায় না। কিন্তু আশুলিয়া থানার এএসআই আল আমিন সেই ধারণা বদলে দিয়েছেন। তাঁর আন্তরিকতা ও পরিশ্রম সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।


ব্যবসায়ী আবুল কালাম বলেন, শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষা নয়, মানুষের হারানো সম্পদ উদ্ধার করে ফিরিয়ে দেওয়াও পুলিশের বড় মানবিক কাজ। এএসআই আল আমিনের এই সাফল্য পুলিশের প্রতি মানুষের বিশ্বাস আরও বাড়িয়েছে।


ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী ও স্থানীয় বাসিন্দা এডভোকেট মো. মনজুর আলী বলেন, প্রায় এক হাজার মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া নিঃসন্দেহে একটি বড় অর্জন। এমন দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব পুলিশ সদস্যদের উৎসাহিত করা উচিত।


এ বিষয়ে এএসআই মো. আল আমিন বলেন, মানুষের কষ্টের টাকায় কেনা মোবাইল হারিয়ে গেলে তারা মানসিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাই প্রতিটি জিডিকে গুরুত্ব দিয়ে প্রযুক্তির সহায়তায় মোবাইল উদ্ধারের চেষ্টা করি। মোবাইল প্রকৃত মালিকের হাতে ফিরিয়ে দিতে পারলে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবেও তৃপ্তি পাই।


ঢাকা জেলা পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, এএসআই আল আমিন সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। মোবাইল উদ্ধারে তাঁর ধারাবাহিক সাফল্য থানার কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করেছে এবং জনসেবামুখী পুলিশিংয়ের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।


স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, অপরাধ দমনের পাশাপাশি হারানো সম্পদ উদ্ধারে পুলিশের এমন মানবিক ও কার্যকর উদ্যোগ সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আশুলিয়া থানার এএসআই আল আমিনের এই সাফল্য জনবান্ধব পুলিশিংয়ের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


মুন টাইমস নিউজ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ আলামিন সরকার
উপদেষ্টা: তাবিবুর রহমান তালুকদার
আইন উপদেষ্টা: এ্যাডঃ মোঃ মাহবুব আলম সরকার

© ২০২৬ মুন টাইমস নিউজ