প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি বায়ার্ন মিউনিখ। তবে বিরতির পর আক্রমণের ঝড় তুলে বোদো/গ্লিম্টকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে জার্মান চ্যাম্পিয়নরা। জোড়া গোল করে জয়ে বড় অবদান রেখেছেন মাইকেল ওলিসে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঘরের মাঠে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেললেও প্রথমার্ধে গোল আদায় করতে পারেনি বায়ার্ন। একাধিক সুযোগ তৈরি হলেও বোদো/গ্লিম্টের গোলরক্ষক নিকিতা হাইকিনের দারুণ কয়েকটি সেভে হতাশ হতে হয় স্বাগতিকদের।
৩৪তম মিনিটে জসুয়া কিমিখের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। সাত মিনিট পর গোললাইন থেকেও বায়ার্নের আরেকটি প্রচেষ্টা ফিরিয়ে দেন হাইকিন। চোটের কারণে বিরতির পর আর মাঠে নামতে পারেননি এই গোলরক্ষক।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোল পেয়ে যায় বায়ার্ন। ৪৭তম মিনিটে হ্যারি কেইনের শট প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে বল পেয়ে যান জামাল মুসিয়ালা। প্রথম স্পর্শেই বল জালে পাঠান তিনি।
৬১তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কেইন। মাইকেল ওলিসের নিখুঁত ফ্রি-কিক থেকে দারুণ হেডে গোল করেন ইংলিশ স্ট্রাইকার। বায়ার্নের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ৩৯ ম্যাচে এটি তার ৩৪তম গোল।
এরপর একের পর এক আক্রমণে বোদো/গ্লিম্টের রক্ষণ ভেঙে পড়ে। ৭৭তম মিনিটে কর্নার থেকে পাওয়া বল ডি-বক্সের বাইরে থেকে শক্তিশালী শটে জালে পাঠান আলফন্সো ডেভিস।
ছয় মিনিট পর নিজের প্রথম গোলটি করেন ওলিসে। ডি-বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত গতির শটে কাছের পোস্ট দিয়ে বল জালে পাঠান ফরাসি ফরোয়ার্ড।
৮৭তম মিনিটে হ্যারি কেইনকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখেন বোদো/গ্লিম্টের ওডিন বিয়েরটাফট। ফলে ম্যাচের শেষ সময়টা ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় নরওয়ের দলটিকে।
যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে বায়ার্নের জয়কে ৫-০ করেন ওলিসে। শেষ পর্যন্ত বড় জয় নিয়েই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের অভিযান শুরু করে ভিনসঁ কোম্পানির দল।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি বায়ার্ন মিউনিখ। তবে বিরতির পর আক্রমণের ঝড় তুলে বোদো/গ্লিম্টকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে জার্মান চ্যাম্পিয়নরা। জোড়া গোল করে জয়ে বড় অবদান রেখেছেন মাইকেল ওলিসে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঘরের মাঠে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেললেও প্রথমার্ধে গোল আদায় করতে পারেনি বায়ার্ন। একাধিক সুযোগ তৈরি হলেও বোদো/গ্লিম্টের গোলরক্ষক নিকিতা হাইকিনের দারুণ কয়েকটি সেভে হতাশ হতে হয় স্বাগতিকদের।
৩৪তম মিনিটে জসুয়া কিমিখের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। সাত মিনিট পর গোললাইন থেকেও বায়ার্নের আরেকটি প্রচেষ্টা ফিরিয়ে দেন হাইকিন। চোটের কারণে বিরতির পর আর মাঠে নামতে পারেননি এই গোলরক্ষক।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোল পেয়ে যায় বায়ার্ন। ৪৭তম মিনিটে হ্যারি কেইনের শট প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে বল পেয়ে যান জামাল মুসিয়ালা। প্রথম স্পর্শেই বল জালে পাঠান তিনি।
৬১তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কেইন। মাইকেল ওলিসের নিখুঁত ফ্রি-কিক থেকে দারুণ হেডে গোল করেন ইংলিশ স্ট্রাইকার। বায়ার্নের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ৩৯ ম্যাচে এটি তার ৩৪তম গোল।
এরপর একের পর এক আক্রমণে বোদো/গ্লিম্টের রক্ষণ ভেঙে পড়ে। ৭৭তম মিনিটে কর্নার থেকে পাওয়া বল ডি-বক্সের বাইরে থেকে শক্তিশালী শটে জালে পাঠান আলফন্সো ডেভিস।
ছয় মিনিট পর নিজের প্রথম গোলটি করেন ওলিসে। ডি-বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত গতির শটে কাছের পোস্ট দিয়ে বল জালে পাঠান ফরাসি ফরোয়ার্ড।
৮৭তম মিনিটে হ্যারি কেইনকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখেন বোদো/গ্লিম্টের ওডিন বিয়েরটাফট। ফলে ম্যাচের শেষ সময়টা ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় নরওয়ের দলটিকে।
যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে বায়ার্নের জয়কে ৫-০ করেন ওলিসে। শেষ পর্যন্ত বড় জয় নিয়েই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের অভিযান শুরু করে ভিনসঁ কোম্পানির দল।

আপনার মতামত লিখুন