বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্যে তথ্যপ্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও উন্নত উৎপাদনশিল্পসহ সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
রোববার (২৬ অক্টোবর) জাপানের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা কমিটির (জেবিসিসিইসি) সভাপতি এবং মারুবেনি করপোরেশনের চেয়ারম্যান মাসুমি কাকিনোকির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী এসব বিষয়ে আলোচনা করেন।
জাপানের স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে) এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করা এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের নতুন সুযোগ তৈরির বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বাণিজ্যিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে মাসুমি কাকিনোকির নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানো এবং দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক উন্নয়নে মারুবেনি করপোরেশনের ভূমিকার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানান।
সাক্ষাতে মাসুমি কাকিনোকি অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তাঁর মতে, এ চুক্তি জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন ব্যবসায়িক সম্ভাবনা তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে।
বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, বিনিয়োগকারীদের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে নিয়ন্ত্রক সংস্কার, অনুমোদনপ্রক্রিয়া সহজ করা এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব সম্প্রসারণে কাজ করছে সরকার।
এ সময় কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) আধুনিকায়ন এবং দেশে দ্বিতীয় একটি সার কারখানা স্থাপনের সম্ভাবনা যাচাইয়ে জাপানের সহযোগিতা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরসহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া পররাষ্ট্র, জ্বালানি ও প্রযুক্তি খাতের প্রতিনিধিরাও বৈঠকে অংশ নেন।
এর আগে গত ১১ অক্টোবর ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মারুবেনি করপোরেশনের প্রেসিডেন্ট ও সিইও মাসায়ুকি ওমোতোর নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধিদল। ওই বৈঠকে তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, সার ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা এবং বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্যে তথ্যপ্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও উন্নত উৎপাদনশিল্পসহ সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
রোববার (২৬ অক্টোবর) জাপানের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা কমিটির (জেবিসিসিইসি) সভাপতি এবং মারুবেনি করপোরেশনের চেয়ারম্যান মাসুমি কাকিনোকির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী এসব বিষয়ে আলোচনা করেন।
জাপানের স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে) এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করা এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের নতুন সুযোগ তৈরির বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বাণিজ্যিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে মাসুমি কাকিনোকির নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানো এবং দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক উন্নয়নে মারুবেনি করপোরেশনের ভূমিকার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানান।
সাক্ষাতে মাসুমি কাকিনোকি অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তাঁর মতে, এ চুক্তি জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন ব্যবসায়িক সম্ভাবনা তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে।
বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, বিনিয়োগকারীদের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে নিয়ন্ত্রক সংস্কার, অনুমোদনপ্রক্রিয়া সহজ করা এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব সম্প্রসারণে কাজ করছে সরকার।
এ সময় কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) আধুনিকায়ন এবং দেশে দ্বিতীয় একটি সার কারখানা স্থাপনের সম্ভাবনা যাচাইয়ে জাপানের সহযোগিতা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরসহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া পররাষ্ট্র, জ্বালানি ও প্রযুক্তি খাতের প্রতিনিধিরাও বৈঠকে অংশ নেন।
এর আগে গত ১১ অক্টোবর ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মারুবেনি করপোরেশনের প্রেসিডেন্ট ও সিইও মাসায়ুকি ওমোতোর নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধিদল। ওই বৈঠকে তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, সার ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা এবং বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়।

আপনার মতামত লিখুন