মুন টাইমস নিউজ

জাতীয়

দেশে এলো রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালান

প্রকাশ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬ | ফটো কার্ড
দেশে এলো রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালান

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট-২-এর চুল্লিপাত্রে (রিঅ্যাক্টর প্রেশার ভেসেল) লোডিংয়ের জন্য পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ শুরু করেছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রসাটম। রসাটম ফুয়েল ডিভিশনের অধীন নভোসিবির্স্ক (নাভআসিবিরস্ক) কেমিক্যাল কনসেন্ট্রেটস প্ল্যান্টে তৈরি এই জ্বালানি অ্যাসেম্বলির প্রথম চালানটি একটি বিশেষ কার্গো ফ্লাইটে সম্প্রতি বাংলাদেশে পৌঁছেছে।

রসাটমের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এর আগে রূপপুরের ইউনিট-১-এর প্রথম রিফুয়েলিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ফ্রেশ জ্বালানি সাইবেরিয়া থেকে বাংলাদেশে আসে। চুল্লিপাত্রের প্রথম জ্বালানি চক্র শেষ হওয়ার পর এই রিফুয়েলিং হওয়ার কথা রয়েছে।

রূপপুর প্রকল্প সূত্র জানিয়েছে, দ্বিতীয় ইউনিটের জ্বালানির প্রথম চালানটি গত সোমবার ঢাকায় পৌঁছানোর পর কড়া নিরাপত্তায় মঙ্গলবার রূপপুর প্রকল্প এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, রূপপুর সাইটে পৌঁছানোর পর জ্বালানি কনটেইনারগুলো একটি নির্দিষ্ট ফ্রেশ নিউক্লিয়ার ফুয়েল সংরক্ষণাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য এবং পারমাণবিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব জ্বালানি অ্যাসেম্বলিকে বাধ্যতামূলক ভিজ্যুয়াল ও ইনস্ট্রুমেন্টাল পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। পারমাণবিক ও বিকিরণ নিরাপত্তা বিধি কঠোরভাবে মেনে বাংলাদেশ, জেনারেল কনট্রাক্টর এবং জ্বালানি প্রস্তুতকারকের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌথ কমিশনের মাধ্যমে এই পরিদর্শন পরিচালিত হবে।

রূপপুর সূত্র জানায়, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির পারমাণবিক জ্বালানি নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা নেই। প্রথম ইউনিটের সব জ্বালানি ২০২৩ সালেই রূপপুরে এসে পৌঁছেছিল। বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুল্লিপাত্রে সেই জ্বালানি প্রবেশ করানোর কাজ শেষ হয় গত মে মাসে। এরপর গত অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে প্রথম ইউনিটের অতিরিক্ত জ্বালানি রূপপুরে আসে।

দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় একক প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। কমিশনের অধীন কেন্দ্রটি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল)। রূপপুরে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট করে দুটি ইউনিটে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করছে রাশিয়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অ্যাটমস্ট্রয়এক্সপোর্ট।

Google Google -এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

আপনার মতামত লিখুন

মুন টাইমস নিউজ

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬


দেশে এলো রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালান

প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট-২-এর চুল্লিপাত্রে (রিঅ্যাক্টর প্রেশার ভেসেল) লোডিংয়ের জন্য পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ শুরু করেছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রসাটম। রসাটম ফুয়েল ডিভিশনের অধীন নভোসিবির্স্ক (নাভআসিবিরস্ক) কেমিক্যাল কনসেন্ট্রেটস প্ল্যান্টে তৈরি এই জ্বালানি অ্যাসেম্বলির প্রথম চালানটি একটি বিশেষ কার্গো ফ্লাইটে সম্প্রতি বাংলাদেশে পৌঁছেছে।

রসাটমের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এর আগে রূপপুরের ইউনিট-১-এর প্রথম রিফুয়েলিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ফ্রেশ জ্বালানি সাইবেরিয়া থেকে বাংলাদেশে আসে। চুল্লিপাত্রের প্রথম জ্বালানি চক্র শেষ হওয়ার পর এই রিফুয়েলিং হওয়ার কথা রয়েছে।

রূপপুর প্রকল্প সূত্র জানিয়েছে, দ্বিতীয় ইউনিটের জ্বালানির প্রথম চালানটি গত সোমবার ঢাকায় পৌঁছানোর পর কড়া নিরাপত্তায় মঙ্গলবার রূপপুর প্রকল্প এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, রূপপুর সাইটে পৌঁছানোর পর জ্বালানি কনটেইনারগুলো একটি নির্দিষ্ট ফ্রেশ নিউক্লিয়ার ফুয়েল সংরক্ষণাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য এবং পারমাণবিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব জ্বালানি অ্যাসেম্বলিকে বাধ্যতামূলক ভিজ্যুয়াল ও ইনস্ট্রুমেন্টাল পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। পারমাণবিক ও বিকিরণ নিরাপত্তা বিধি কঠোরভাবে মেনে বাংলাদেশ, জেনারেল কনট্রাক্টর এবং জ্বালানি প্রস্তুতকারকের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌথ কমিশনের মাধ্যমে এই পরিদর্শন পরিচালিত হবে।

রূপপুর সূত্র জানায়, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির পারমাণবিক জ্বালানি নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা নেই। প্রথম ইউনিটের সব জ্বালানি ২০২৩ সালেই রূপপুরে এসে পৌঁছেছিল। বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুল্লিপাত্রে সেই জ্বালানি প্রবেশ করানোর কাজ শেষ হয় গত মে মাসে। এরপর গত অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে প্রথম ইউনিটের অতিরিক্ত জ্বালানি রূপপুরে আসে।

দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় একক প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। কমিশনের অধীন কেন্দ্রটি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল)। রূপপুরে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট করে দুটি ইউনিটে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করছে রাশিয়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অ্যাটমস্ট্রয়এক্সপোর্ট।


মুন টাইমস নিউজ

সম্পাদক: তাবিবুর রহমান তালুকদার
প্রকাশক: জিন্নাহ ফারুক
আইন উপদেষ্টা: এ্যাডঃ মোঃ মাহবুব আলম সরকার

© ২০২৬ মুন টাইমস নিউজ