হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি চালকবিহীন নজরদারি নৌযানে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী। একই সময়ে ওমানের উপকূলের কাছে দুটি জাহাজে চারটি অজ্ঞাত বস্তু আঘাত হানার খবর পাওয়া গেছে। এতে একটি জাহাজে আগুন ধরে যায়।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে আইআরজিসির নৌবাহিনী জানায়, মার্কিন নৌযানটির নাম ‘সেইলড্রোন’ এবং এর হাল নম্বর ৫৮৩৮। এটি একটি চালকবিহীন নজরদারি নৌযান।
তবে নৌযানটিতে কী ধরনের অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে, কখন হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং এতে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এসব বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি ইরানি বাহিনী। হামলার দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে মার্কিন সামরিক বাহিনীর কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
আইআরজিসির নৌবাহিনী দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালি এখনো বন্ধ রয়েছে এবং এটি তাদের গোয়েন্দা নজরদারি ও প্রযুক্তিনির্ভর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কোনো ‘শত্রুতামূলক তৎপরতা’ চালানো হলে সেটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে বলেও সতর্ক করেছে তারা।
এদিকে ওমানের উপকূলের কাছে দুটি জাহাজে চারটি অজ্ঞাত বস্তু আঘাত হানার খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও)। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ওমানের খাসাবের প্রায় ৪ নটিক্যাল মাইল পশ্চিমে এ ঘটনা ঘটে।
একটি জাহাজের ক্যাপ্টেন জানান, তিনি নিজের অবস্থান থেকে প্রায় ৬ নটিক্যাল মাইল উত্তরে দুটি জাহাজে চারটি অজ্ঞাত বস্তু আঘাত হানতে দেখেছেন। আঘাতের পর একটি জাহাজে আগুন ধরে যায়। অন্য জাহাজটির ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।
ইউকেএমটিও জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ওই এলাকার জাহাজগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে এবং সন্দেহজনক কোনো তৎপরতা দেখা গেলে তা জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগরে একাধিক বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা ও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সামুদ্রিক উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যেই নতুন এসব ঘটনার খবর এলো। এরই মধ্যে তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামও ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি চালকবিহীন নজরদারি নৌযানে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী। একই সময়ে ওমানের উপকূলের কাছে দুটি জাহাজে চারটি অজ্ঞাত বস্তু আঘাত হানার খবর পাওয়া গেছে। এতে একটি জাহাজে আগুন ধরে যায়।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে আইআরজিসির নৌবাহিনী জানায়, মার্কিন নৌযানটির নাম ‘সেইলড্রোন’ এবং এর হাল নম্বর ৫৮৩৮। এটি একটি চালকবিহীন নজরদারি নৌযান।
তবে নৌযানটিতে কী ধরনের অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে, কখন হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং এতে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এসব বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি ইরানি বাহিনী। হামলার দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে মার্কিন সামরিক বাহিনীর কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
আইআরজিসির নৌবাহিনী দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালি এখনো বন্ধ রয়েছে এবং এটি তাদের গোয়েন্দা নজরদারি ও প্রযুক্তিনির্ভর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কোনো ‘শত্রুতামূলক তৎপরতা’ চালানো হলে সেটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে বলেও সতর্ক করেছে তারা।
এদিকে ওমানের উপকূলের কাছে দুটি জাহাজে চারটি অজ্ঞাত বস্তু আঘাত হানার খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও)। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ওমানের খাসাবের প্রায় ৪ নটিক্যাল মাইল পশ্চিমে এ ঘটনা ঘটে।
একটি জাহাজের ক্যাপ্টেন জানান, তিনি নিজের অবস্থান থেকে প্রায় ৬ নটিক্যাল মাইল উত্তরে দুটি জাহাজে চারটি অজ্ঞাত বস্তু আঘাত হানতে দেখেছেন। আঘাতের পর একটি জাহাজে আগুন ধরে যায়। অন্য জাহাজটির ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।
ইউকেএমটিও জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ওই এলাকার জাহাজগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে এবং সন্দেহজনক কোনো তৎপরতা দেখা গেলে তা জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগরে একাধিক বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা ও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সামুদ্রিক উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যেই নতুন এসব ঘটনার খবর এলো। এরই মধ্যে তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামও ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন