সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত শেষ করতে আবারও সময় চেয়েছে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স। ট্রাইব্যুনাল থেকে পাওয়া বিভিন্ন তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলমান থাকায় তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন দিয়ে হাইকোর্টের কাছে সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে দলটি।
মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। বিষয়টি বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আদেশের জন্য রয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের আগের দিনই টাস্কফোর্সের পক্ষ থেকে সময় চাওয়া হয়। অগ্রগতি প্রতিবেদনে তদন্তের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে।
এর আগে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত থেকে র্যাবকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করে ২০২৫ সালের ৬ এপ্রিলের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়। আদালতের নির্দেশনার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই তদন্ত দল গঠন করে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার বিষয়ে অগ্রগতি না হওয়ায় পরবর্তী সময়ে কয়েক দফায় সময় বাড়ানো হয়। ২২ এপ্রিল, ২৩ অক্টোবর এবং চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পর প্রতিবারই আরও ছয় মাস করে সময় দেওয়া হয়। সর্বশেষ অগ্রগতি প্রতিবেদনের পর মামলাটি আবারও আদালতের কার্যতালিকায় এসেছে।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজেদের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। পরদিন সকালে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় ১২ ফেব্রুয়ারি রুনির ভাই নওশের আলী রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বহুল আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া এখনো শেষ হয়নি।
Google
-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত শেষ করতে আবারও সময় চেয়েছে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স। ট্রাইব্যুনাল থেকে পাওয়া বিভিন্ন তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলমান থাকায় তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন দিয়ে হাইকোর্টের কাছে সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে দলটি।
মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। বিষয়টি বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আদেশের জন্য রয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের আগের দিনই টাস্কফোর্সের পক্ষ থেকে সময় চাওয়া হয়। অগ্রগতি প্রতিবেদনে তদন্তের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে।
এর আগে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত থেকে র্যাবকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করে ২০২৫ সালের ৬ এপ্রিলের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়। আদালতের নির্দেশনার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই তদন্ত দল গঠন করে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার বিষয়ে অগ্রগতি না হওয়ায় পরবর্তী সময়ে কয়েক দফায় সময় বাড়ানো হয়। ২২ এপ্রিল, ২৩ অক্টোবর এবং চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পর প্রতিবারই আরও ছয় মাস করে সময় দেওয়া হয়। সর্বশেষ অগ্রগতি প্রতিবেদনের পর মামলাটি আবারও আদালতের কার্যতালিকায় এসেছে।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজেদের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। পরদিন সকালে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় ১২ ফেব্রুয়ারি রুনির ভাই নওশের আলী রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বহুল আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া এখনো শেষ হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন