সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি’র সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সাবেক এক যুবলীগ নেতাসহ দুই নেতাকর্মীকে আটক করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে থানা পুলিশ আটককৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে গতকাল সোমবার রাত পৌনে ১০টার দিকে সাভার থানা স্ট্যান্ড সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠে পদযাত্রা পরবর্তী সমাবেশস্থলে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে এনসিপির অন্তত ৪ জন নেতাকর্মী আহত হন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সোমবার রাতে সাভারের তারাপুর মাঠে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পূর্ব ঘোষিত জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ অন্যান্য শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। সমাবেশ চলাকালীন হঠাৎ দুর্বৃত্তরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এতে সমাবেশস্থলে থাকা চারজন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হলে তাদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনার পর রাতেই এনসিপির ঢাকা জেলা উত্তরের সদস্য সচিব সালামত উল্লাহ রনি বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের সময় এনসিপি নেতা আজাহারুল ইসলাম তামিম ও জুলাই যোদ্ধা ইউনুস আলী উপস্থিত ছিলেন।
মামলা দায়েরের পর রাতেই সাভারের আনন্দপুর মহল্লায় অভিযান চালিয়ে দুজনকে আটক করে ডিবি পুলিশ। আটককৃতরা হলেন, মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর থানার পূর্ব ভাকুম গ্রামের মৃত সুলতান ফকিরের ছেলে মো. নুরুল ইসলাম (৫২) এবং সাভার পৌর এলাকার আনন্দপুর মহল্লার আব্দুল জলিলের ছেলে মো. সজীব (৩২)। তারা দুজনই বর্তমানে সাভারের আনন্দপুর এলাকায় বসবাস করতেন।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক নুরুল ইসলাম সিংগাইরের জয়মন্টপ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এবং আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। অন্যদিকে সজীব যুবলীগের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার (এসপি) শামীমা পারভীন বলেন, এনসিপির সমাবেশে বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতোমধ্যে দুজনকে আটক করা হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার) তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পেছনের মূল রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।
এদিকে, সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণের এই স্পর্শকাতর ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে ঢাকা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম, অপস্ ও ট্রাফিক উত্তর) মো. জাহাঙ্গীর আলমকে প্রধান করে গঠিত এই কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) রাকিবুল হাসান ইশান এবং সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) নূর মোহাম্মদ। কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি’র সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সাবেক এক যুবলীগ নেতাসহ দুই নেতাকর্মীকে আটক করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে থানা পুলিশ আটককৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে গতকাল সোমবার রাত পৌনে ১০টার দিকে সাভার থানা স্ট্যান্ড সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠে পদযাত্রা পরবর্তী সমাবেশস্থলে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে এনসিপির অন্তত ৪ জন নেতাকর্মী আহত হন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সোমবার রাতে সাভারের তারাপুর মাঠে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পূর্ব ঘোষিত জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ অন্যান্য শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। সমাবেশ চলাকালীন হঠাৎ দুর্বৃত্তরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এতে সমাবেশস্থলে থাকা চারজন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হলে তাদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনার পর রাতেই এনসিপির ঢাকা জেলা উত্তরের সদস্য সচিব সালামত উল্লাহ রনি বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের সময় এনসিপি নেতা আজাহারুল ইসলাম তামিম ও জুলাই যোদ্ধা ইউনুস আলী উপস্থিত ছিলেন।
মামলা দায়েরের পর রাতেই সাভারের আনন্দপুর মহল্লায় অভিযান চালিয়ে দুজনকে আটক করে ডিবি পুলিশ। আটককৃতরা হলেন, মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর থানার পূর্ব ভাকুম গ্রামের মৃত সুলতান ফকিরের ছেলে মো. নুরুল ইসলাম (৫২) এবং সাভার পৌর এলাকার আনন্দপুর মহল্লার আব্দুল জলিলের ছেলে মো. সজীব (৩২)। তারা দুজনই বর্তমানে সাভারের আনন্দপুর এলাকায় বসবাস করতেন।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক নুরুল ইসলাম সিংগাইরের জয়মন্টপ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এবং আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। অন্যদিকে সজীব যুবলীগের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার (এসপি) শামীমা পারভীন বলেন, এনসিপির সমাবেশে বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতোমধ্যে দুজনকে আটক করা হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার) তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পেছনের মূল রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।
এদিকে, সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণের এই স্পর্শকাতর ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে ঢাকা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম, অপস্ ও ট্রাফিক উত্তর) মো. জাহাঙ্গীর আলমকে প্রধান করে গঠিত এই কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) রাকিবুল হাসান ইশান এবং সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) নূর মোহাম্মদ। কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন