পদ শূন্যতায় দুমকিতে প্রশাসন ও উন্নয়ন কার্যক্রমে ধীরগতি
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সরকারি পদ শূন্য থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। এতে করে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ও জনসেবা প্রদান উভয় ক্ষেত্রেই প্রভাব পড়ছে, যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) পদটি প্রায় এক মাস ধরে খালি রয়েছে। সর্বশেষ দায়িত্বে থাকা ফরিদা সুলতানা গত ২৬ মার্চ বদলির কারণে পদত্যাগ করার পর থেকে পাশের পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইউএনও রওজাতুন জান্নাত অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। তবে তিনি নিয়মিত উপস্থিত থাকতে না পারায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও জরুরি প্রশাসনিক কাজ বিলম্বিত হচ্ছে।এ পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ বিভিন্ন সেবা পেতে ভোগান্তিতে পড়ছেন। বিশেষ করে ভূমি সংক্রান্ত কাজ, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং জন্মনিবন্ধনের মতো প্রয়োজনীয় সেবাগুলো পেতে দেরি হচ্ছে। পাশাপাশি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন ও তদারকিতেও শ্লথ গতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।শুধু প্রশাসনই নয়, শিক্ষা খাতেও একই চিত্র। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদটি প্রায় এক বছর ধরে শূন্য রয়েছে। বদরুন নাহার ইয়াসমিনের বদলির পর মির্জাগঞ্জ উপজেলার কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। এতে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজ নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন হচ্ছে না।[TECHTARANGA-POST:5996]অন্যদিকে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার পদটিও দীর্ঘদিন ধরে খালি রয়েছে। সর্বশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত কমল গোপাল দে চলে যাওয়ার পর থেকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার খাদ্য কর্মকর্তা জাকির হোসেন অতিরিক্ত দায়িত্বে আছেন। ফলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও খাদ্য ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়ের অভাব দেখা দিচ্ছে।পরিসংখ্যান অফিসেও স্থায়ী কর্মকর্তার অভাব দীর্ঘদিনের। উজ্জ্বল কৃষ্ণ ব্যাপারীর বিদায়ের পর গত তিন বছর ধরে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মশিউর রহমান। এতে সঠিক তথ্য সংগ্রহ ও হালনাগাদ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।